ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন

২২ মামলার পলাতক আসামি এই দম্পতি!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত-গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ ২২ মামলার পলাতক আসামি এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)।

গ্রেফতাররা হলেন- এইচ এন এম সফিকুর রহমান (৫৯) ও তার স্ত্রী কাজী সামছুল নাহার মিনা (৫৪)। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দিনগত রাতে কলাবাগান থানাধীন বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানান, সফিকুর রহমান ২০০২ সালে আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. নামে একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানের তিনি নিজে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাই ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি লোকজনের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন।

এরপর ‘আইসিএল রিয়েল স্টেট’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান খুলে আবাসন ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এ ব্যবসায় নেমেও তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

ভুক্তভোগীরা সফিকুরের নামে থানায় ও কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করলেও তিনি ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখাতেন। যার অনেকেই তার বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস পায়নি।

এরপরেও তার ও তার স্ত্রীর নামে আদালতের সাজাসহ মোট ২২টি ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন এই দম্পতি। গ্রেফতার এড়াতে তারা প্রতি দুই-তিন মাস পর বাসা পাল্টানো এবং মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে থাকেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-৪। জানা যায়, গ্রেফতার দম্পতির বিরুদ্ধে পল্টন ও চৌদ্দগ্রাম, খিলক্ষেত থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু মামলা তদন্তাধীন।

এএসপি জিয়াউর রহমান চৌধুরী আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত অসংখ্য ভুক্তভোগী এই প্রতারক দম্পতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি

২২ মামলার পলাতক আসামি এই দম্পতি!

আপডেট সময় ০৪:০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত-গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ ২২ মামলার পলাতক আসামি এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)।

গ্রেফতাররা হলেন- এইচ এন এম সফিকুর রহমান (৫৯) ও তার স্ত্রী কাজী সামছুল নাহার মিনা (৫৪)। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দিনগত রাতে কলাবাগান থানাধীন বাংলামোটর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানান, সফিকুর রহমান ২০০২ সালে আইডিয়াল কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. নামে একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানের তিনি নিজে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাই ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি লোকজনের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন।

এরপর ‘আইসিএল রিয়েল স্টেট’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান খুলে আবাসন ব্যবসা শুরু করেন তিনি। এ ব্যবসায় নেমেও তিনি মানুষের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

ভুক্তভোগীরা সফিকুরের নামে থানায় ও কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করলেও তিনি ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখাতেন। যার অনেকেই তার বিরুদ্ধে মামলা করতে সাহস পায়নি।

এরপরেও তার ও তার স্ত্রীর নামে আদালতের সাজাসহ মোট ২২টি ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন এই দম্পতি। গ্রেফতার এড়াতে তারা প্রতি দুই-তিন মাস পর বাসা পাল্টানো এবং মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে থাকেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-৪। জানা যায়, গ্রেফতার দম্পতির বিরুদ্ধে পল্টন ও চৌদ্দগ্রাম, খিলক্ষেত থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু মামলা তদন্তাধীন।

এএসপি জিয়াউর রহমান চৌধুরী আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রতারিত অসংখ্য ভুক্তভোগী এই প্রতারক দম্পতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।