আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের নববধূ হাবিবা বেগমের (২০) সঙ্গে দেখা হলো না স্বামীর। স্বামী-স্ত্রীর দেখা হওয়ার আগেই নীরবে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন হাবিবা। এর আগে রাতে স্বামীর সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
গত এক বছর আগে উপজেলার তেয়ারীরচর গ্রামের যুবক সুজনের সঙ্গে টেলিফোনে বিয়ে হয়েছিল হাবিবার। বিয়ের পর স্বামী এখনো দেশে আসেনি। ফলে তাদের দেখাও হয়নি। এর মধ্যে শুক্রবার সকালে নিজ ঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে হাবিবা।
ভৈরবের গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ী গ্রামের আবদুস সালামের মেয়ে হাবিবা বেগম। পুলিশ খবর পেয়ে বিকালে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উভয় পরিবারের আলোচনা ও সম্মতিতে গত এক বছর আগে হাবিবা বেগমের বিয়ে হয় মধ্যপ্রাচ্যের ওমান প্রবাসী সুজনের সঙ্গে। স্বামী সুজন বিদেশে থাকায় টেলিফোনে বিয়ে হয় তাদের। কথা ছিল আগামী মাসে সে দেশে এসে বউকে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঘরে তুলবে।
বিয়ের পর থেকে হাবিবা প্রতিনিয়ত স্বামীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলত। গত রাতে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার পর পরিবারের সঙ্গে কিছুটা কথাকাটাকাটি হয় বলে জানা গেছে। শুক্রবার সকালে ডাকাডাকির পর সে ঘুম থেকে না উঠলে ঘরের দরজা ভেঙে দেখা যায় দড়িতে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে হাবিবা। তবে আত্মহত্যার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি পরিবারের সদস্যরা।
ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমি নিজেই ঘটনাস্থলে যাই। পরে তার লাশ থানায় নিয়ে আসি। লাশ ময়নাতদন্তের পর রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপাতত থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























