ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলীয় কর্মীদের হামলায় আহত ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ দলের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত বগুড়ার ছাত্রলীগ নেতা তাকবির হাসান খান মারা গেছেন।

মঙ্গলবার বিকাল তিনটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

২৫ বছর বয়সী তাকবির বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বগুড়া শহরের মালতিনগর দক্ষিণপাড়ার দুলাল হোসেনের ছেলে।

গত ১১ মার্চ রাত নয়টার দিকে শহরের সাতমাথা এলাকায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষে তাকবিরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। আহতদের মধ্যে তাকবিরের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাতসহ শরীরে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল।

জানা গেছে, গত ১১ মার্চ দুপুরে বগুড়া শহর থেকে ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মী দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য ধুনট উপজেলা সদরে যান। সেখানে মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়া নিয়ে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতার সঙ্গে তাকবিরের তর্কাতর্কি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায় ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাদের হস্তক্ষেপে। কিন্তু তাকবির হাসান তাৎক্ষণিক মীমাংসা মেনে নিলেও তার মনে ক্ষোভ থেকে যায়। ধুনট থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বগুড়া শহরে ফিরে আসেন। রাতে শহরের সাতমাথায় জিলা স্কুল সংলগ্ন ফুটপাতে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সস্পাদক আব্দুর রউফ ও তার নেতাকর্মীরা। রাত নয়টার দিকে তাকবির হাসান তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে রউফ গ্রুপের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করলে শুরু হয় দুই গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৮-৯ আহত হয়। আহতদের মধ্যে তাকবির হাসান খান মারা যান।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

তাকবির ছুরিকাহত হওয়ার পর তার মা আফরোজা বেগম বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রউফকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দলীয় কর্মীদের হামলায় আহত ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:৩৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ দলের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত বগুড়ার ছাত্রলীগ নেতা তাকবির হাসান খান মারা গেছেন।

মঙ্গলবার বিকাল তিনটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

২৫ বছর বয়সী তাকবির বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বগুড়া শহরের মালতিনগর দক্ষিণপাড়ার দুলাল হোসেনের ছেলে।

গত ১১ মার্চ রাত নয়টার দিকে শহরের সাতমাথা এলাকায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষে তাকবিরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। আহতদের মধ্যে তাকবিরের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাতসহ শরীরে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল।

জানা গেছে, গত ১১ মার্চ দুপুরে বগুড়া শহর থেকে ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মী দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য ধুনট উপজেলা সদরে যান। সেখানে মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়া নিয়ে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের এক নেতার সঙ্গে তাকবিরের তর্কাতর্কি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায় ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাদের হস্তক্ষেপে। কিন্তু তাকবির হাসান তাৎক্ষণিক মীমাংসা মেনে নিলেও তার মনে ক্ষোভ থেকে যায়। ধুনট থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বগুড়া শহরে ফিরে আসেন। রাতে শহরের সাতমাথায় জিলা স্কুল সংলগ্ন ফুটপাতে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সস্পাদক আব্দুর রউফ ও তার নেতাকর্মীরা। রাত নয়টার দিকে তাকবির হাসান তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে রউফ গ্রুপের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করলে শুরু হয় দুই গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ৮-৯ আহত হয়। আহতদের মধ্যে তাকবির হাসান খান মারা যান।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

তাকবির ছুরিকাহত হওয়ার পর তার মা আফরোজা বেগম বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রউফকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছেন।