ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে’: ট্রাম্প মাটি খুঁড়ে অজ্ঞাত মা ও নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হেফাজত আমিরের দোয়া নিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অচিরেই সুখবর আসবে: প্রধানমন্ত্রী ‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগের কথা জানালেন হান্নান মাসুদ

ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা গুঁজে গণধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার মেঘনা থানার মাইনকারচর এলাকায় শাক তুলতে গেলে এক কিশোরীর (১৩) মুখে গামছা গুঁজে দুই বখাটে যুবক গণধর্ষণ করেছে। তাদের অপর সহযোগী ধর্ষণে সহায়তা করে। এ সময় ওই কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রাখে বখাটেরা।

এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ধর্ষিতা কিশোরীর মা (৩৫) বাদী হয়ে মেঘনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে হৃদয় (২১), তার বন্ধু হৃদয় হোসেন (২২) এবং একই গ্রামের সামসু মিয়ার ছেলে সম্রাট (২০)।

অভিযোগে হৃদয় এবং হৃদয় হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সম্রাটের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকাল ৪টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুরপারের ফসলি জমিতে শাক তুলতে যায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ও তার ভাগ্নি। এ সময় তাদের পিছু নেয় উল্লেখিত তিন বখাটে যুবক।

বখাটেরা কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা পেঁচিয়ে প্রথমে হৃদয় ও পরে হৃদয় হোসেন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় সম্রাট পাহারা দিতে থাকে। পরে ভাগ্নির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে অজ্ঞান অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে মেঘনা থানার ওসি আব্দুল মজিদ জানান, একটি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা গুঁজে গণধর্ষণ

আপডেট সময় ১০:৫০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার মেঘনা থানার মাইনকারচর এলাকায় শাক তুলতে গেলে এক কিশোরীর (১৩) মুখে গামছা গুঁজে দুই বখাটে যুবক গণধর্ষণ করেছে। তাদের অপর সহযোগী ধর্ষণে সহায়তা করে। এ সময় ওই কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রাখে বখাটেরা।

এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ধর্ষিতা কিশোরীর মা (৩৫) বাদী হয়ে মেঘনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে আসামি করা হয়েছে একই গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে হৃদয় (২১), তার বন্ধু হৃদয় হোসেন (২২) এবং একই গ্রামের সামসু মিয়ার ছেলে সম্রাট (২০)।

অভিযোগে হৃদয় এবং হৃদয় হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সম্রাটের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকাল ৪টার দিকে বাড়ির পাশে পুকুরপারের ফসলি জমিতে শাক তুলতে যায় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ও তার ভাগ্নি। এ সময় তাদের পিছু নেয় উল্লেখিত তিন বখাটে যুবক।

বখাটেরা কিশোরীর ভাগ্নিকে বেঁধে রেখে কিশোরীর মুখে গামছা পেঁচিয়ে প্রথমে হৃদয় ও পরে হৃদয় হোসেন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় সম্রাট পাহারা দিতে থাকে। পরে ভাগ্নির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে অজ্ঞান অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে মেঘনা থানার ওসি আব্দুল মজিদ জানান, একটি ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।