ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা, শিশুর লাশের সন্ধান দিলো ওরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় দেড় মাস আগে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে অপহরণ হয়েছিল শিশু হানজেলা। এরপর শিশুর মার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। এ বিষয়ে শিশুটির পরিবার থানায় অপহরণের অভিযোগ দিলেও দেড় মাসে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পরে অপহরণকারীরা ফোন করে শিশুটির মাকে হানজেলার লাশের সন্ধান দেন। অপহরণকারীর ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে পলিথিনে মোড়ানো লাশটি উদ্ধার করে।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অপহৃত শিশু হানজেলা (৬) নিশুপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক মিয়া জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে শিশু হানজেলা অপহৃত হয়। ঘটনার দিনই বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করা হয়। ছেলে অপহরণের খবর পেয়ে দুদিন পর তার বাবা দেশে ফিরে আসেন। এদিকে ওই শিশুর মা তাছলিমার মোবাইলে ফোন করে প্রথমে পাঁচ লাখ ও পরে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে জানায়। শিশুটির বাবা-মা অপহরণকারীর মোবাইল নম্বর নিয়ে থানা পুলিশের কাছে ধর্ণা দেন। কিন্তু গত ১ মাস ১০ দিনেও শিশুটি উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে নম্বর থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল, সেই একই নম্বর থেকে শিশুটির মাকে ফোন করে টাকা না পাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সাথে তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে মরদেহ আছে বলেও জানায় অপহরণকারী। পরে পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং ইট বেঁধে পানিতে ডুবে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গাবতলী মডেল থানার ওসি নূরুজ্জামান জানান, ফোন নাম্বারটার কয়েক দফা সিডিআর বের করা হয়েছে। কিন্তু ভুয়া নাম ব্যবহার করায় ট্রেস করা যায়নি। তারপরেও পুলিশ কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে গেছে। হত্যার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা, শিশুর লাশের সন্ধান দিলো ওরা

আপডেট সময় ০১:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় দেড় মাস আগে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে অপহরণ হয়েছিল শিশু হানজেলা। এরপর শিশুর মার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। এ বিষয়ে শিশুটির পরিবার থানায় অপহরণের অভিযোগ দিলেও দেড় মাসে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পরে অপহরণকারীরা ফোন করে শিশুটির মাকে হানজেলার লাশের সন্ধান দেন। অপহরণকারীর ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে পলিথিনে মোড়ানো লাশটি উদ্ধার করে।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অপহৃত শিশু হানজেলা (৬) নিশুপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক মিয়া জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে শিশু হানজেলা অপহৃত হয়। ঘটনার দিনই বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করা হয়। ছেলে অপহরণের খবর পেয়ে দুদিন পর তার বাবা দেশে ফিরে আসেন। এদিকে ওই শিশুর মা তাছলিমার মোবাইলে ফোন করে প্রথমে পাঁচ লাখ ও পরে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে জানায়। শিশুটির বাবা-মা অপহরণকারীর মোবাইল নম্বর নিয়ে থানা পুলিশের কাছে ধর্ণা দেন। কিন্তু গত ১ মাস ১০ দিনেও শিশুটি উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে নম্বর থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল, সেই একই নম্বর থেকে শিশুটির মাকে ফোন করে টাকা না পাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সাথে তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে মরদেহ আছে বলেও জানায় অপহরণকারী। পরে পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং ইট বেঁধে পানিতে ডুবে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গাবতলী মডেল থানার ওসি নূরুজ্জামান জানান, ফোন নাম্বারটার কয়েক দফা সিডিআর বের করা হয়েছে। কিন্তু ভুয়া নাম ব্যবহার করায় ট্রেস করা যায়নি। তারপরেও পুলিশ কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে গেছে। হত্যার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।