ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয় সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় স্থানান্তরিত মির্জা আব্বাস আবারও মোহাম্মদপুরে কুপিয়ে হত্যা আমার এলাকার হাসপাতাল নিজেই রোগীর মতো: রুমিন ফারহানা আওয়ামী লীগের আমলের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : আইনমন্ত্রী মার্কিন অবরোধের মধ্যেই হরমুজ পার হলো ইরানি জাহাজ ‘আওয়ামী লীগ আমলে বিসিএসে নিয়োগে দলীয়করণের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ ইউক্রেনকে আর বিনামূল্যে অস্ত্র দেবে না যুক্তরাষ্ট্র : জেডি ভ্যান্স হরমুজ নিয়ে এবার যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান ২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’

মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা, শিশুর লাশের সন্ধান দিলো ওরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় দেড় মাস আগে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে অপহরণ হয়েছিল শিশু হানজেলা। এরপর শিশুর মার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। এ বিষয়ে শিশুটির পরিবার থানায় অপহরণের অভিযোগ দিলেও দেড় মাসে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পরে অপহরণকারীরা ফোন করে শিশুটির মাকে হানজেলার লাশের সন্ধান দেন। অপহরণকারীর ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে পলিথিনে মোড়ানো লাশটি উদ্ধার করে।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অপহৃত শিশু হানজেলা (৬) নিশুপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক মিয়া জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে শিশু হানজেলা অপহৃত হয়। ঘটনার দিনই বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করা হয়। ছেলে অপহরণের খবর পেয়ে দুদিন পর তার বাবা দেশে ফিরে আসেন। এদিকে ওই শিশুর মা তাছলিমার মোবাইলে ফোন করে প্রথমে পাঁচ লাখ ও পরে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে জানায়। শিশুটির বাবা-মা অপহরণকারীর মোবাইল নম্বর নিয়ে থানা পুলিশের কাছে ধর্ণা দেন। কিন্তু গত ১ মাস ১০ দিনেও শিশুটি উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে নম্বর থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল, সেই একই নম্বর থেকে শিশুটির মাকে ফোন করে টাকা না পাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সাথে তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে মরদেহ আছে বলেও জানায় অপহরণকারী। পরে পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং ইট বেঁধে পানিতে ডুবে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গাবতলী মডেল থানার ওসি নূরুজ্জামান জানান, ফোন নাম্বারটার কয়েক দফা সিডিআর বের করা হয়েছে। কিন্তু ভুয়া নাম ব্যবহার করায় ট্রেস করা যায়নি। তারপরেও পুলিশ কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে গেছে। হত্যার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয়

মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা, শিশুর লাশের সন্ধান দিলো ওরা

আপডেট সময় ০১:৩০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রায় দেড় মাস আগে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে অপহরণ হয়েছিল শিশু হানজেলা। এরপর শিশুর মার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। এ বিষয়ে শিশুটির পরিবার থানায় অপহরণের অভিযোগ দিলেও দেড় মাসে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পরে অপহরণকারীরা ফোন করে শিশুটির মাকে হানজেলার লাশের সন্ধান দেন। অপহরণকারীর ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে পলিথিনে মোড়ানো লাশটি উদ্ধার করে।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের নিশুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অপহৃত শিশু হানজেলা (৬) নিশুপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী পিন্টু মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে রামেশ্বরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক মিয়া জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে শিশু হানজেলা অপহৃত হয়। ঘটনার দিনই বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করা হয়। ছেলে অপহরণের খবর পেয়ে দুদিন পর তার বাবা দেশে ফিরে আসেন। এদিকে ওই শিশুর মা তাছলিমার মোবাইলে ফোন করে প্রথমে পাঁচ লাখ ও পরে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী। টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যা করা হবে বলে জানায়। শিশুটির বাবা-মা অপহরণকারীর মোবাইল নম্বর নিয়ে থানা পুলিশের কাছে ধর্ণা দেন। কিন্তু গত ১ মাস ১০ দিনেও শিশুটি উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যে নম্বর থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল, সেই একই নম্বর থেকে শিশুটির মাকে ফোন করে টাকা না পাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সাথে তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে মরদেহ আছে বলেও জানায় অপহরণকারী। পরে পুকুর থেকে পলিথিনে মোড়ানো এবং ইট বেঁধে পানিতে ডুবে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গাবতলী মডেল থানার ওসি নূরুজ্জামান জানান, ফোন নাম্বারটার কয়েক দফা সিডিআর বের করা হয়েছে। কিন্তু ভুয়া নাম ব্যবহার করায় ট্রেস করা যায়নি। তারপরেও পুলিশ কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে গেছে। হত্যার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।