ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনার নতুন প্রজাতির টিকা ৬ সপ্তাহেই: বায়োএনটেক

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সম্প্রতি খোঁজ মিলেছে করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতির। এটি দ্রুত ছড়ায় বলে দাবি ওঠার পরই কড়াকড়ি আরোপ করেছে ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে এ নিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন নেই। করোনার নতুন প্রজাতির টিকা তৈরি করতে মাত্র ৬ সপ্তাহ লাগবে বলে জানিয়েছে জার্মান সংস্থা বায়োএনটেক।

মার্কিন ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান ফাইজারের সঙ্গে মিলে করোনার টিকা তৈরি করেছে বায়োএনটেক। এরই মধ্যে তারা করোনার নতুন প্রজাতির টিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে এই জার্মান সংস্থা। খবর টেলিগ্রাফের

বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উগুর শাহিন বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পরে মনে করছি, আমাদের তৈরি করোনা টিকা ব্রিটেনে পাওয়া নতুন ভাইরাস প্রজাতির সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম। তবুও যদি প্রয়োজন হয়, আমরা ৬ সপ্তাহের মধ্যেই নতুন টিকা তৈরি করে ফেলতে পারব, যা নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে নিশ্চিত ভাবেই কার্যকরী হবে।’

উগুর জানান, প্রতিষেধক প্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে তারা করোনাভাইরাসের চিহ্নিত প্রজাতিগুলির রূপান্তর নকল করে সংক্রমণ প্রতিরোধের টিকা বানাতে সক্ষম।

গত মাসে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রণায়ল জানিয়েছিল, দেশের কিছু এলাকায় করোনাভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতি পাওয়া গিয়েছে। যার জেরে সংক্রমণের গতি আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গিয়েছে। মূল ভাইরাসের তুলনায় করোনার নয়া প্রজাতি বি.১.১.৭-এ ২৩টি পরিবর্তন চোখে পড়েছে এখনও পর্যন্ত, যার অধিকাংশই ভাইরাসের হানায় তৈরি নতুন প্রোটিনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। করোনাভাইরাসের পুরনো প্রজাতির তুলনায় নতুন প্রজাতি প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রামক। ব্রিটিশ স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দাবি, ‘নয়া ভাইরাসটি সংক্রমণের ফলে অসুস্থতা গুরুতর হতে পারে, এমন কোনও প্রমাণ নেই।’ বরিসের কথার মতো একই কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনার নতুন প্রজাতির টিকা ৬ সপ্তাহেই: বায়োএনটেক

আপডেট সময় ১২:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

সম্প্রতি খোঁজ মিলেছে করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতির। এটি দ্রুত ছড়ায় বলে দাবি ওঠার পরই কড়াকড়ি আরোপ করেছে ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে এ নিয়ে অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন নেই। করোনার নতুন প্রজাতির টিকা তৈরি করতে মাত্র ৬ সপ্তাহ লাগবে বলে জানিয়েছে জার্মান সংস্থা বায়োএনটেক।

মার্কিন ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান ফাইজারের সঙ্গে মিলে করোনার টিকা তৈরি করেছে বায়োএনটেক। এরই মধ্যে তারা করোনার নতুন প্রজাতির টিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে এই জার্মান সংস্থা। খবর টেলিগ্রাফের

বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উগুর শাহিন বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পরে মনে করছি, আমাদের তৈরি করোনা টিকা ব্রিটেনে পাওয়া নতুন ভাইরাস প্রজাতির সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম। তবুও যদি প্রয়োজন হয়, আমরা ৬ সপ্তাহের মধ্যেই নতুন টিকা তৈরি করে ফেলতে পারব, যা নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে নিশ্চিত ভাবেই কার্যকরী হবে।’

উগুর জানান, প্রতিষেধক প্রযুক্তিবিদ্যার সাহায্যে তারা করোনাভাইরাসের চিহ্নিত প্রজাতিগুলির রূপান্তর নকল করে সংক্রমণ প্রতিরোধের টিকা বানাতে সক্ষম।

গত মাসে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রণায়ল জানিয়েছিল, দেশের কিছু এলাকায় করোনাভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতি পাওয়া গিয়েছে। যার জেরে সংক্রমণের গতি আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গিয়েছে। মূল ভাইরাসের তুলনায় করোনার নয়া প্রজাতি বি.১.১.৭-এ ২৩টি পরিবর্তন চোখে পড়েছে এখনও পর্যন্ত, যার অধিকাংশই ভাইরাসের হানায় তৈরি নতুন প্রোটিনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। করোনাভাইরাসের পুরনো প্রজাতির তুলনায় নতুন প্রজাতি প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রামক। ব্রিটিশ স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দাবি, ‘নয়া ভাইরাসটি সংক্রমণের ফলে অসুস্থতা গুরুতর হতে পারে, এমন কোনও প্রমাণ নেই।’ বরিসের কথার মতো একই কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।