ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রকল্প বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ৬২ মিলিয়ন ডলার দিল বিশ্বব্যাংক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৬২ মিলিয়ন ডলার ঋণ ছাড় করেছে বিশ্বব্যাংক। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্বব্যাংকের এ ঋণের টাকা দিয়ে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম নামের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাস কালীন বাংলাদেশে চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ ঋণ ছাড়। এ ঋণের জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ৩৫টি শর্ত দিয়েছিল। এর মধ্যে চলতি বছরের জন্য নির্ধারিত ছয়টি শর্ত সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করায় এ ঋণের অর্থ ছাড় করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, শিক্ষায় সংস্কার আনতে মন্ত্রণালয় এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে আটটি ক্ষেত্রে ৩৫টি ফলাফল অর্জনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫১০ ইউএস মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ২০১৮ সালে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে এ বছরের জন্য নির্ধারিত ছয়টি শর্তের ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় এই ৬২ মিলিয়ন ইউএস ডলার ছাড় করা হয়েছে।

গত ১৩ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবরে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয় বিশ্বব্যাংক। অর্জিত ফলাফল বিশ্ব ব্যাংক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাচাই করে এবং অর্জিত ফলাফলে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। অর্জিত ছয়টি ফলাফলের মধ্যে রয়েছে পঞ্চম শ্রেণি সম্পন্ন করার পর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশের পূর্বে শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা যাচাইয়ের লক্ষে ডায়াগনিস্টিক অ্যাসেসমেন্ট গাইড লাইন তৈরি করা, শিক্ষকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ানোর সময় মনিটরিং করার গাইড লাইন তৈরি করা, হারমোনাইজ স্টাইপেন্ড ব্যবস্থা চালু করাসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সংক্রান্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

প্রকল্প বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ৬২ মিলিয়ন ডলার দিল বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৬২ মিলিয়ন ডলার ঋণ ছাড় করেছে বিশ্বব্যাংক। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্বব্যাংকের এ ঋণের টাকা দিয়ে সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম নামের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাস কালীন বাংলাদেশে চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ ঋণ ছাড়। এ ঋণের জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ৩৫টি শর্ত দিয়েছিল। এর মধ্যে চলতি বছরের জন্য নির্ধারিত ছয়টি শর্ত সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করায় এ ঋণের অর্থ ছাড় করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, শিক্ষায় সংস্কার আনতে মন্ত্রণালয় এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে আটটি ক্ষেত্রে ৩৫টি ফলাফল অর্জনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫১০ ইউএস মিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ২০১৮ সালে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে এ বছরের জন্য নির্ধারিত ছয়টি শর্তের ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় এই ৬২ মিলিয়ন ইউএস ডলার ছাড় করা হয়েছে।

গত ১৩ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবরে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয় বিশ্বব্যাংক। অর্জিত ফলাফল বিশ্ব ব্যাংক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাচাই করে এবং অর্জিত ফলাফলে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। অর্জিত ছয়টি ফলাফলের মধ্যে রয়েছে পঞ্চম শ্রেণি সম্পন্ন করার পর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশের পূর্বে শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা যাচাইয়ের লক্ষে ডায়াগনিস্টিক অ্যাসেসমেন্ট গাইড লাইন তৈরি করা, শিক্ষকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ানোর সময় মনিটরিং করার গাইড লাইন তৈরি করা, হারমোনাইজ স্টাইপেন্ড ব্যবস্থা চালু করাসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সংক্রান্ত।