ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবারের বন্যায় কৃষিতে ধাক্কা: কৃষিমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় কৃষিতে ধাক্কা। এছাড়া ২ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলতি বছর বন্যায় দেশের ৩১ উপজেলায় ৬ লাখ ২৩ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এসব কৃষকদের পুনর্বাসন করতে ১১৭ কোটি টাকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

তিনি আরো বলেন, এতে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল কম উৎপাদন হয়েছে। এজন্য আগামী বোরো মৌসুমে প্রতি বিঘা জমির জন্য পাঁচ কেজি বীজ দেবে সরকার। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষিঋণ আদায় বন্ধ এবং সুদ মওকুফ করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০১ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৫৮ কোটি ৭৭ লাখ ১৯ হাজার ৩১৫ টাকার প্রণোদনা দেবে সরকার। গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনা বাদাম, গ্রীষ্মকালীন তিল, গ্রীষ্মকালীন মুগ, খেসারি, মাসকলাই, ফেলন ও বিটি বেগুনের ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ধরে রেখে কৃষি উন্নয়নে এ প্রণোদনা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রণোদনার কারণে ৭২৭ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকার অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে দাবি করেন কৃষিমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বন্যায় কৃষিতে ধাক্কা: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৫২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় কৃষিতে ধাক্কা। এছাড়া ২ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলতি বছর বন্যায় দেশের ৩১ উপজেলায় ৬ লাখ ২৩ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এসব কৃষকদের পুনর্বাসন করতে ১১৭ কোটি টাকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

তিনি আরো বলেন, এতে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল কম উৎপাদন হয়েছে। এজন্য আগামী বোরো মৌসুমে প্রতি বিঘা জমির জন্য পাঁচ কেজি বীজ দেবে সরকার। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কৃষিঋণ আদায় বন্ধ এবং সুদ মওকুফ করা হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৫ লাখ ৪১ হাজার ২০১ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৫৮ কোটি ৭৭ লাখ ১৯ হাজার ৩১৫ টাকার প্রণোদনা দেবে সরকার। গম, ভুট্টা, সরিষা, চীনা বাদাম, গ্রীষ্মকালীন তিল, গ্রীষ্মকালীন মুগ, খেসারি, মাসকলাই, ফেলন ও বিটি বেগুনের ক্রমবর্ধমান উৎপাদন ধরে রেখে কৃষি উন্নয়নে এ প্রণোদনা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রণোদনার কারণে ৭২৭ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকার অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে দাবি করেন কৃষিমন্ত্রী।