ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির ফরম বিক্রি শুরু মঙ্গলবার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে বর্তমানে খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে ১০ লাখ ৩ হাজার ২০ টন। গত বছর একই সময়ে এই মজুদের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৪০ টন।

সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় সরকারি গুদামে মজুদ কমেছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৮২০ টন খাদ্যশস্য।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) দৈনিক খাদ্য পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এফপিএমইউ-এর খাদ্য পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ থেকে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মজুদ করা খাদ্যশস্যের মধ্যে চাল ৭ লাখ ২৪ হাজার ৯২০ টন এবং গম ২ লাখ ৭৮ হাজার ১০০ টন। গত বছর ছিল চাল ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩০ টন এবং গম ছিল ৩ লাখ ৫৮ হাজার ১১০ টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এবছর করোনার জন্য মজুদ খাদ্যশস্য থেকে সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে চাল সরবরাহ করা হয়েছে বেশি। পাশাপাশি ন্যায্যমূল্যে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কার্যক্রমও চালু রয়েছে। ফলে এবছর গুদাম থেকে অন্য বছরের তুলনায় বেশি খাদ্যশস্য ব্যবহার হয়েছে। তাই মজুতের পরিমাণ কম।

‘এছাড়া নতুন সংগ্রহ কর্মসূচি শুরুর আগে মজুদের পরিমাণ সব সময় কমই থাকে। ইতোমধ্যে আমন মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কেনার কর্মসূচি শুরু হয়ে গেছে। এতে মজুদ আবার বাড়তির দিকে যাবে। ’

এদিকে গত ২৮ অক্টোবর খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ২ লাখ মেট্রিক টন ধান কিনবে। এছাড়া ৩৭ টাকা কেজি দরে ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার টন আতপ চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৭ নভেম্বর থেকে ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ১৫ নভেম্বর থেকে চাল সংগ্রহ শুরু হবে। পরের বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।

সরকারি মজুদ থেকে সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়। এছাড়া ন্যায্যমূল্যে খোলা বাজারে চাল বিক্রির মাধ্যমে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাও করে সরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির ফরম বিক্রি শুরু মঙ্গলবার

আপডেট সময় ০৪:৪২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে বর্তমানে খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে ১০ লাখ ৩ হাজার ২০ টন। গত বছর একই সময়ে এই মজুদের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৪০ টন।

সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় সরকারি গুদামে মজুদ কমেছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৮২০ টন খাদ্যশস্য।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) দৈনিক খাদ্য পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এফপিএমইউ-এর খাদ্য পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ থেকে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মজুদ করা খাদ্যশস্যের মধ্যে চাল ৭ লাখ ২৪ হাজার ৯২০ টন এবং গম ২ লাখ ৭৮ হাজার ১০০ টন। গত বছর ছিল চাল ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩০ টন এবং গম ছিল ৩ লাখ ৫৮ হাজার ১১০ টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এবছর করোনার জন্য মজুদ খাদ্যশস্য থেকে সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে চাল সরবরাহ করা হয়েছে বেশি। পাশাপাশি ন্যায্যমূল্যে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কার্যক্রমও চালু রয়েছে। ফলে এবছর গুদাম থেকে অন্য বছরের তুলনায় বেশি খাদ্যশস্য ব্যবহার হয়েছে। তাই মজুতের পরিমাণ কম।

‘এছাড়া নতুন সংগ্রহ কর্মসূচি শুরুর আগে মজুদের পরিমাণ সব সময় কমই থাকে। ইতোমধ্যে আমন মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কেনার কর্মসূচি শুরু হয়ে গেছে। এতে মজুদ আবার বাড়তির দিকে যাবে। ’

এদিকে গত ২৮ অক্টোবর খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ২ লাখ মেট্রিক টন ধান কিনবে। এছাড়া ৩৭ টাকা কেজি দরে ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার টন আতপ চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৭ নভেম্বর থেকে ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ১৫ নভেম্বর থেকে চাল সংগ্রহ শুরু হবে। পরের বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।

সরকারি মজুদ থেকে সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়। এছাড়া ন্যায্যমূল্যে খোলা বাজারে চাল বিক্রির মাধ্যমে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাও করে সরকার।