ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

বাড়িতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করলো গৃহকর্তাকে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নীলফামারীর ডোমারে ঘরে ঢুকে গৃহকর্তা অতুল চন্দ্র রায়কে (৬০) একা পেয়ে টেপ দিয়ে হাতা,পা ও মুখ বেধে হত্যা করে বাড়ির জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নয়ানী বাকডোকরা মাস্টার পাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত অতুল চন্দ্র নয়ানী বাকডোকরা গ্রামের বিষ্ট রাম মোহনের ছেলে। অতুল চন্দ্রের নাতি সুমন রায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত অতুল রায়ের মেয়ের ছেলে (নাতি) সুমন বলেছেন, ‘সকালে আমার নানী আমার মামীকে আনার জন্য পাশ্ববর্তী ডিমলার ডালিয়ায় যান। বাড়িতে নানু অতুল রায় একাই থাকবে বলে আমাকে তার সাথে থাকার জন্য বলে। আমি সন্ধা ৬টার দিকে বই খাতা নিয়ে নানুর বাড়িতে এসে দেখি বাড়ির গেট ভিতর দিক দিয়ে বন্ধ রয়েছে।প্রায় আধাঘন্টা নানুকে ডাকাডাকির পর সারাশব্দ না পেয়ে আমি দেয়াল টপকে নানুর বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরে ঢুকতেই দেখি বাড়ির সব দরজা খোলা। ভিতরে প্রবেশ করে দেখি ঘরের দরজায় নানুর হাত,পা ও মুখ টেপ ও শাড়ী দিয়ে বাধা। আমি হতচকিত হয়ে পাশেই আমার মামার বাড়ীতে গিয়ে তাদের ডেকে আনি। তারাসহ আমি হাত,পায়ের বাধন খুলে নানুকে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

নিহত অতুলের ভাতিজা মনি ভুষন রায় বলেছেন, ‘আমার কাকাত ভাই বিপুল দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকেন। বাড়িতে আমার কাকা,কাকী আর বৌদি থাকে। আজ সকালে কাকী আমার বৌদিকে বাপেরবাড়ি ডালিয়ায় আনতে যায়। বাড়িতে আমার কাকা একাই ছিল। এই সুযোগে কে বা কাহারা বাড়িতে প্রবেশ করে কাকাকে টেপ ও শাড়ী দিয়ে বেধে হত্যা করে পালিয়ে যায়।’

ডোমার থানার ওসি মো. মোকছেদ আলী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

মো. মহিবুল্লাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

বাড়িতে ঢুকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করলো গৃহকর্তাকে

আপডেট সময় ০৬:০০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নীলফামারীর ডোমারে ঘরে ঢুকে গৃহকর্তা অতুল চন্দ্র রায়কে (৬০) একা পেয়ে টেপ দিয়ে হাতা,পা ও মুখ বেধে হত্যা করে বাড়ির জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নয়ানী বাকডোকরা মাস্টার পাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। নিহত অতুল চন্দ্র নয়ানী বাকডোকরা গ্রামের বিষ্ট রাম মোহনের ছেলে। অতুল চন্দ্রের নাতি সুমন রায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত অতুল রায়ের মেয়ের ছেলে (নাতি) সুমন বলেছেন, ‘সকালে আমার নানী আমার মামীকে আনার জন্য পাশ্ববর্তী ডিমলার ডালিয়ায় যান। বাড়িতে নানু অতুল রায় একাই থাকবে বলে আমাকে তার সাথে থাকার জন্য বলে। আমি সন্ধা ৬টার দিকে বই খাতা নিয়ে নানুর বাড়িতে এসে দেখি বাড়ির গেট ভিতর দিক দিয়ে বন্ধ রয়েছে।প্রায় আধাঘন্টা নানুকে ডাকাডাকির পর সারাশব্দ না পেয়ে আমি দেয়াল টপকে নানুর বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরে ঢুকতেই দেখি বাড়ির সব দরজা খোলা। ভিতরে প্রবেশ করে দেখি ঘরের দরজায় নানুর হাত,পা ও মুখ টেপ ও শাড়ী দিয়ে বাধা। আমি হতচকিত হয়ে পাশেই আমার মামার বাড়ীতে গিয়ে তাদের ডেকে আনি। তারাসহ আমি হাত,পায়ের বাধন খুলে নানুকে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

নিহত অতুলের ভাতিজা মনি ভুষন রায় বলেছেন, ‘আমার কাকাত ভাই বিপুল দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকেন। বাড়িতে আমার কাকা,কাকী আর বৌদি থাকে। আজ সকালে কাকী আমার বৌদিকে বাপেরবাড়ি ডালিয়ায় আনতে যায়। বাড়িতে আমার কাকা একাই ছিল। এই সুযোগে কে বা কাহারা বাড়িতে প্রবেশ করে কাকাকে টেপ ও শাড়ী দিয়ে বেধে হত্যা করে পালিয়ে যায়।’

ডোমার থানার ওসি মো. মোকছেদ আলী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

মো. মহিবুল্লাহ্, নীলফামারী প্রতিনিধি