অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:
আইনি জটিলটায় পড়েছে জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ‘বেপরোয়া’ ছবিটি। যার কারণে বৃহস্পতিবার দিনভর এফডিসির সাত নম্বর ফ্লোরে থেমে থেমে চলেছে এই ছবির নির্মাণ কাজ।
‘বেপরোয়া’ ছবিটি নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের জাজের একক প্রযোজনায়। তবে এই ছবিটি পরিচালনা করছেন কলকাতার নির্মাতা রাজা চন্দ। এছাড়া ছবির মারপিট থেকে শুরু করে অনেক শিল্পী, ১০ জন টেকনিশিয়ান রয়েছেন কলকাতার।
তাদের ওয়ার্ক পারমিট নিয়েই মূলত বেঁধেছে জটিলতা। যার ফলে শুটিং স্পটে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ পুলিশ এসেছিল সঠিকভাবে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে কাজ চলছে কিনা সেটি যাচাইয়ের জন্য।
এ বিষয়ে ছবির নায়ক রোশান বলেন, ‘দুপুরে পুলিশ এসেছিল জেনেছি। কেন এসেছিল, কখন চলে গেছে তা আমি জানি না।’
কেন এই জটিলতা জানার জন্য জাজ মাল্টিমিটার কর্ণধার আবদুল আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি। পরে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আলিমুল্লাহ খোকন জানান, ‘আমরা যখন রোশান ও ববিকে নিয়ে নির্মাণ করব বলে ‘বেপরোয়া’ ছবিটির নাম নিবন্ধনের জন্য যাই পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন সাহেব জানান `বেপরোয়া` নামে একটি ছবির নাম এন্ট্রি করা আছে। এই নাম ব্যবহার করা যাবে না। আমরা এই নামের আদতে অন্য নাম চেয়েছি। এরপর পুলিশ এসে শুটিং বন্ধ করতে চেয়েছিল, তা পারেনি। আমরা শুটিং চালিয়ে যাচ্ছি। পুলিশ এসে বলেছে, বিদেশি নির্মাতা, টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করাতে হলে স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পারমিশন লাগবে। আমরা বলেছি তা কেন লাগবে? পুলিশ এ নিয়ে আর তর্ক করেনি।’
আলিমুল্লাহ খোকন আরও বলেন, ‘৫০ বছর ধরে হয়ে আসছে বিদেশি কেউ শুটিং করতে আসলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমিত নিতে হয়। আমরা তা নিয়েছি। কিন্তু স্পেশাল ব্রাঞ্চ বা সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি তো লাগে না। তারপরও আমরা সময় চেয়েছি। বলেছি, অনুমতি নিতে হলে নেব। এর জন্য সময় দেন আমাদের।’
তাহলে কি শুটিং বন্ধ থাকবে? জানতে চাইলে খোকন বলেন, ‘আমরা শুটিং চালিয়ে যাব। কেউ যদি ক্ষমতার বলে শুটিং বন্ধ করতে চায় আমরা লড়ে যাব। প্রয়োজনে মামলা করব। তারপরেও শুটিং বন্ধ করব না।’
‘বেপরোয়া’ ছবির জাঁকজমক এক মহরৎ অনুষ্ঠিত হয় ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানী সোনারগাঁও হোটেলে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















