ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

বোলারদের নৈপুণ্যে সিরিজ ড্র অস্ট্রেলিয়ার

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
চট্টগ্রাম টেস্টে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ৮৬ রানের লক্ষ্যে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে পৌছে যায় অসিরা। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হল।
চতুর্থ দিনে ৩৭৭ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। লায়ন বাংলাদেশে তার কার্যকরিতা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসের ৭ উইকেট মিলিয়ে এই টেস্টে ১৩ উইকেট শিকার করলেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে ৩৭৭ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ৭২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু শুরুতেই সৌম্য সরকার মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর তামিম ইকবালও হতাশ করেন ঘরের দর্শকদের। টানা চতুর্থ ইনিংসেও ব্যর্থ ইমরুল কায়েস। তিনিও বিদায় নেন লায়নের বলে। এরপর একে একে সাকিব আল হাসান ও নাসিরের বিদায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অজিরা। এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।
এছাড়া অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩১, সাব্বির রহমান ২৪, মোমিনুল হক ২৯, তাইজুল ইসলাম ৪ ও মুস্তাফিজুর রহমান শূন্য রানে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। নাথান লায়ন ৬টি, প্যাট কামিন্স ও স্টিভ ও’কেফি ২টি করে উইকেট করে উইকেট নেন।

মাত্র ৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেও ৪৮ রান করতেই অস্ট্রেলিয়া ওয়ার্নার, অধিনায়ক স্মিথ ও রেনশর উইকেট হারিয়ে ফেলে। কিন্তু গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মারকুটে ব্যাটিং করে বাকি পথটি পাড়ি দিয়ে দেন। ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৭ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল, তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন ১৪ বলে ১৬ রান করা পিটার হ্যান্ডসকম্ব।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোলারদের নৈপুণ্যে সিরিজ ড্র অস্ট্রেলিয়ার

আপডেট সময় ০৫:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
চট্টগ্রাম টেস্টে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ৮৬ রানের লক্ষ্যে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে পৌছে যায় অসিরা। এই জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হল।
চতুর্থ দিনে ৩৭৭ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। লায়ন বাংলাদেশে তার কার্যকরিতা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসের ৭ উইকেট মিলিয়ে এই টেস্টে ১৩ উইকেট শিকার করলেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩০৫ রানের জবাবে ৩৭৭ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ৭২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু শুরুতেই সৌম্য সরকার মাঠ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর তামিম ইকবালও হতাশ করেন ঘরের দর্শকদের। টানা চতুর্থ ইনিংসেও ব্যর্থ ইমরুল কায়েস। তিনিও বিদায় নেন লায়নের বলে। এরপর একে একে সাকিব আল হাসান ও নাসিরের বিদায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ইনিংসে মাত্র ৯ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ম্যাট রেনশর ক্যাচ হন সৌম্য। ১১ রানে স্বাগতিকদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে অজিরা। এরপর তামিম ৩৮ বল খেলে ১২ রানের বেশি করতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর ইমরুলকে ১৫ রানে শিকার বানান লিওন। সাকিবও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রানে ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেয় লিওনের শিকার তিনি। পরের ওভারে ও’কিফের বলে মাত্র ৫ রানে ফার্স্ট স্লিপে স্টিভেন স্মিথকে ক্যাচ দেন নাসির।
এছাড়া অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩১, সাব্বির রহমান ২৪, মোমিনুল হক ২৯, তাইজুল ইসলাম ৪ ও মুস্তাফিজুর রহমান শূন্য রানে আউট হন। মেহেদি হাসান মিরাজ ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। নাথান লায়ন ৬টি, প্যাট কামিন্স ও স্টিভ ও’কেফি ২টি করে উইকেট করে উইকেট নেন।

মাত্র ৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেও ৪৮ রান করতেই অস্ট্রেলিয়া ওয়ার্নার, অধিনায়ক স্মিথ ও রেনশর উইকেট হারিয়ে ফেলে। কিন্তু গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মারকুটে ব্যাটিং করে বাকি পথটি পাড়ি দিয়ে দেন। ২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৭ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল, তার সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন ১৪ বলে ১৬ রান করা পিটার হ্যান্ডসকম্ব।