ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে চীনের আরেকটি ভ্যাকসিন: ল্যান্সেট

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

করোনাভাইরাসে বিরুদ্ধে মানবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে চীনের তৈরি আরেকটি ভ্যাকসিন। সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস।

আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

ল্যানসেট মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চীনের তৈরি এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে দারুণ ফল দেখা গেছে। ১৮ থেকে ৮০ বছরের বেশি বয়সী স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরেও ভ্যাকসিনের ডোজে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

চীনের এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম ‘বিবিআইবিপি-করভি’। বেইজিং ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজিস্টরা জানিয়েছেন, গবেষণাগারে সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে (নভেল করোনাভাইরাস) একেবারে নিষ্ক্রিয় করে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট তৈরি হয়েছে। নিষ্ক্রিয় ভাইরাল স্ট্রেইন মানুষের শরীরে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। এই ভাইরাল স্ট্রেইন শরীরে ঢুকে বিভাজিত হতেও পারবে না।

ল্যানসেটের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যাকসিনটি পরীক্ষা করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের দু’টি দলে ভাগ করা হয়েছিল। প্রথম দলে ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সীদের ৮ মাইক্রোগ্রাম ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়ে শূন্য থেকে ২৮ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অন্যদিকে, ৬০ বছর থেকে ৮০ বছর বয়সী স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দিষ্ট মাত্রায় ভ্যাকসিনের দুটি শট দিয়ে শূন্য থেকে ৪২ দিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

দেখা যায়, দুই দলের স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরেই পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সীদের ৪২ দিন পর অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সেইসঙ্গে সক্রিয় হয়েছে ‘টি-লিম্ফোসাইট’ কোষ।

গবেষকদের দাবি, ভ্যাকসিনের ডোজে ‘সাইটোটক্সিক সিডি৮-পজিটিভ টি কোষ’ সক্রিয় হয়েছে। এ ধরনের টি-কোষ সংক্রামক প্যাথোজেন থাকা কোষকে নষ্ট করে দিতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সারা বিশ্বে ৪০টিরও বেশি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে চীনের আরেকটি ভ্যাকসিন: ল্যান্সেট

আপডেট সময় ০১:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

করোনাভাইরাসে বিরুদ্ধে মানবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে চীনের তৈরি আরেকটি ভ্যাকসিন। সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস।

আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।

ল্যানসেট মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চীনের তৈরি এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে দারুণ ফল দেখা গেছে। ১৮ থেকে ৮০ বছরের বেশি বয়সী স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরেও ভ্যাকসিনের ডোজে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

চীনের এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম ‘বিবিআইবিপি-করভি’। বেইজিং ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজিস্টরা জানিয়েছেন, গবেষণাগারে সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে (নভেল করোনাভাইরাস) একেবারে নিষ্ক্রিয় করে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট তৈরি হয়েছে। নিষ্ক্রিয় ভাইরাল স্ট্রেইন মানুষের শরীরে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। এই ভাইরাল স্ট্রেইন শরীরে ঢুকে বিভাজিত হতেও পারবে না।

ল্যানসেটের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যাকসিনটি পরীক্ষা করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের দু’টি দলে ভাগ করা হয়েছিল। প্রথম দলে ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সীদের ৮ মাইক্রোগ্রাম ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়ে শূন্য থেকে ২৮ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অন্যদিকে, ৬০ বছর থেকে ৮০ বছর বয়সী স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দিষ্ট মাত্রায় ভ্যাকসিনের দুটি শট দিয়ে শূন্য থেকে ৪২ দিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

দেখা যায়, দুই দলের স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরেই পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সীদের ৪২ দিন পর অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সেইসঙ্গে সক্রিয় হয়েছে ‘টি-লিম্ফোসাইট’ কোষ।

গবেষকদের দাবি, ভ্যাকসিনের ডোজে ‘সাইটোটক্সিক সিডি৮-পজিটিভ টি কোষ’ সক্রিয় হয়েছে। এ ধরনের টি-কোষ সংক্রামক প্যাথোজেন থাকা কোষকে নষ্ট করে দিতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সারা বিশ্বে ৪০টিরও বেশি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।