ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

বগুড়ায় শ্রমিক নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বগুড়ার শেরপুরে জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৌরসভার প্যানেল মেয়র নাজমুল আলম খোকনকে লাঞ্ছিত এবং শ্রমিক নেতা মো. কামাল হোসেনের বাড়ির সামনে কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ করেছে। এই নিয়ে থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা রাতের পর থেকে রাত অনুমান দশটা পর্যন্ত শহরের বাসস্ট্যান্ডস্থ শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় ও টাউন কলোনী এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র নাজমুল আলম খোকন জানান, তিনি শ্রমিক সংগঠনটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য। বিগত মার্চ মাসেই এই শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। পরে ১৩ অক্টোবর শহরের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডস্থ শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা থেকে আগামী ১৭ অক্টোবর পরবর্তী বৈঠকের দিন ধার্য করে সভা সমাপ্ত করা হয়। এতে নির্বাচনের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. কামাল হোসেন ক্ষুব্ধ হন। পরে শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় থেকে বের হওয়া মাত্রই কামাল হোসেন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এমনকি তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন।

তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে শ্রমিক নেতা কামাল হোসেন জানান, নির্বাচন নিয়ে তার সঙ্গে কেবল কথা হয়েছে। এছাড়া তাকে লাঞ্ছিত করার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। বরং ওই কথার জের ধরে প্যানেল মেয়র নাজমুল আলম খোকনের নেতৃত্বে তার বাড়ির সামনে ককটেল হামলা চালানো হয়েছে। কেউ হতাহত না হলেও ককটেলের বিকট শব্দে এলাকার লোকজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। এক পর্যায়ে তারাসহ আশপাশের লোকজন বের হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।

বগুড়ার শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় উভয়পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

বগুড়ায় শ্রমিক নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

আপডেট সময় ১০:২৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বগুড়ার শেরপুরে জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৌরসভার প্যানেল মেয়র নাজমুল আলম খোকনকে লাঞ্ছিত এবং শ্রমিক নেতা মো. কামাল হোসেনের বাড়ির সামনে কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ করেছে। এই নিয়ে থানায় পাল্টা পাল্টি অভিযোগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা রাতের পর থেকে রাত অনুমান দশটা পর্যন্ত শহরের বাসস্ট্যান্ডস্থ শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় ও টাউন কলোনী এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র নাজমুল আলম খোকন জানান, তিনি শ্রমিক সংগঠনটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য। বিগত মার্চ মাসেই এই শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। পরে ১৩ অক্টোবর শহরের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডস্থ শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভা থেকে আগামী ১৭ অক্টোবর পরবর্তী বৈঠকের দিন ধার্য করে সভা সমাপ্ত করা হয়। এতে নির্বাচনের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. কামাল হোসেন ক্ষুব্ধ হন। পরে শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় থেকে বের হওয়া মাত্রই কামাল হোসেন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। এমনকি তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন।

তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে শ্রমিক নেতা কামাল হোসেন জানান, নির্বাচন নিয়ে তার সঙ্গে কেবল কথা হয়েছে। এছাড়া তাকে লাঞ্ছিত করার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। বরং ওই কথার জের ধরে প্যানেল মেয়র নাজমুল আলম খোকনের নেতৃত্বে তার বাড়ির সামনে ককটেল হামলা চালানো হয়েছে। কেউ হতাহত না হলেও ককটেলের বিকট শব্দে এলাকার লোকজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। এক পর্যায়ে তারাসহ আশপাশের লোকজন বের হলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।

বগুড়ার শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় উভয়পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।