ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিশ্ব ব্যাংকের কাছে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ চাইবে বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-১৯ (আইডিএ) থেকে আগামী তিন বছরে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ চাইবে বাংলাদেশ।

এছাড়া সরকার অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) প্রভাব মোকাবিলায় চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ নিশ্চিত করার অনুরোধ করবে বিশ্ব ব্যাংকের কাছে।

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন কেনার জন্য সরকার আরও বিভিন্ন ঋণদানকারী সংস্থার কাছে প্রস্তাব দেবে।

অর্থের সংস্থান করতে এসব আবেদন বা অনুরোধ করা হবে চলতি বছরের ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ব্যাংক-আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ভার্চুয়াল বার্ষিক সভায়।

বিশ্ব ব্যাংকের বার্ষিক বৈঠকের সময় দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য পদায়নকৃত বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এ বিষয়ে অর্থনৈতিক সর্ম্পক বিভাগের (ইআরডি) একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, “বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য বিপুল বিনিয়োগ দরকার। এজন্য অর্থমন্ত্রী বিশ্ব ব্যাংকের সভায় ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার চাইবেন। ”

পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট-৩ (ডিপিসি) বাস্তবায়নের জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলারসহ নতুন বাজেটের সহায়তা হিসেবে ২৫০ মিলিয়ন ডলার চাইবেন।

তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় কম হওয়ার কারণে সরকারের এরকম ঋণ সহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে। অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রই কোভিড-১৯ মহামারি নেতিবাচকভাবে আক্রান্ত হয়েছে।

জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার এ পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ০৩ ট্রিলিয়ন টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যা মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাসে সরকার ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট-২ (ডিপিসি) বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ডলার গ্রহণ করেছে।

দেড় বছর পর সরকার জাতীয় অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাস মহামারির মারাত্মক প্রভাবের মধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি) মোট ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের দ্বিতীয় কিস্তি পেয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংক সবশেষ মার্চ মাসে কোভিড-১৯ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

সদস্য দেশগুলোতে অর্থায়নের জন্য ২০২০-২১ হতে পরবর্তী তিন (২০২৩) বছরে আন্তর্জাতিক ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের-১৯ (আইডিএ) প্যাকেজের আওতায় ৮২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠন করেছে বিশ্ব ব্যাংক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিশ্ব ব্যাংকের কাছে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ চাইবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১০:০৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন-১৯ (আইডিএ) থেকে আগামী তিন বছরে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ চাইবে বাংলাদেশ।

এছাড়া সরকার অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাসের (কভিড-১৯) প্রভাব মোকাবিলায় চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ নিশ্চিত করার অনুরোধ করবে বিশ্ব ব্যাংকের কাছে।

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন কেনার জন্য সরকার আরও বিভিন্ন ঋণদানকারী সংস্থার কাছে প্রস্তাব দেবে।

অর্থের সংস্থান করতে এসব আবেদন বা অনুরোধ করা হবে চলতি বছরের ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ব্যাংক-আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ভার্চুয়াল বার্ষিক সভায়।

বিশ্ব ব্যাংকের বার্ষিক বৈঠকের সময় দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের জন্য পদায়নকৃত বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এ বিষয়ে অর্থনৈতিক সর্ম্পক বিভাগের (ইআরডি) একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, “বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য বিপুল বিনিয়োগ দরকার। এজন্য অর্থমন্ত্রী বিশ্ব ব্যাংকের সভায় ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার চাইবেন। ”

পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট-৩ (ডিপিসি) বাস্তবায়নের জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলারসহ নতুন বাজেটের সহায়তা হিসেবে ২৫০ মিলিয়ন ডলার চাইবেন।

তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় কম হওয়ার কারণে সরকারের এরকম ঋণ সহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে। অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রই কোভিড-১৯ মহামারি নেতিবাচকভাবে আক্রান্ত হয়েছে।

জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের সংকটের মধ্যে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার এ পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ০৩ ট্রিলিয়ন টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যা মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাসে সরকার ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট-২ (ডিপিসি) বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ডলার গ্রহণ করেছে।

দেড় বছর পর সরকার জাতীয় অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাস মহামারির মারাত্মক প্রভাবের মধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি) মোট ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের দ্বিতীয় কিস্তি পেয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংক সবশেষ মার্চ মাসে কোভিড-১৯ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

সদস্য দেশগুলোতে অর্থায়নের জন্য ২০২০-২১ হতে পরবর্তী তিন (২০২৩) বছরে আন্তর্জাতিক ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের-১৯ (আইডিএ) প্যাকেজের আওতায় ৮২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠন করেছে বিশ্ব ব্যাংক।