ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন

নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি,!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বাবার থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে নিজেই নিজের অপহরণের ছক করল পড়ুয়া।‌ এমনকি, কাঁদো কাঁদো গলায় ফোন করে টাকাও চাইল এবং শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ল। শুনতে সিনেমার মতো মনে হলেও এমনটাই ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে। এক ১৪ বছরের নাবালক বাবার থেকে টাকা নিতে নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফাঁদে। তারপর বাবাকে ফোন করে টাকা চায়। যদিও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় সে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন হঠাৎ করেই ওই ছেলেটির বাবার ফোনে একটি ফোন আসে। তাতে ছেলেকে কাঁদো কাঁদো গলায় বলতে শোনেন, তাকে কেউ অপহরণ করেছে। মুক্তিপণ হিসেবে দশ লাখ টাকা দিতে হবে। এরপরই পেশায় গাড়ির যন্ত্রাংশের বিক্রেতা ওই ব্যক্তি চেন্নাইয়ের ট্রিপলিক্যানের জ্যামবাজার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশের কাছে গোটা ঘটনাটি খুলে বলেন। তিনি জানান, ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। কোচিং ক্লাসে সে যাওয়ার পরই এসেছে অপহরণের ফোন।

এরপর দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেটিকে ট্র‌্যাক করা হয়। দেখা যায় ফোনটি চিপক এলাকায় রয়েছে। এরপর চিপক রেল স্টেশনে ছেলেটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তখনও আসল ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন না খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপরই ছেলেটিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবা শুরু করেন অফিসাররা। তখনই তার কথায় অসঙ্গতি মেলে।

এরপর স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, একটি অটো রিকশা করে ওই ছাত্র এবং তার বন্ধুরা স্টেশনে নামে। এরপর অটোচালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা যায়, ওই ছেলেটি তার বন্ধুদের সঙ্গে কোচিংয়ে না গিয়ে ফোন থেকে অটো বুক করে চিপক স্টেশনে আসে। এরপরই সত্যিটা স্বীকার করে নেয় ছেলেটি। শেষ পর্যন্ত মামলা রুজু না করে সতর্ক করেই তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ

নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি,!

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বাবার থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে নিজেই নিজের অপহরণের ছক করল পড়ুয়া।‌ এমনকি, কাঁদো কাঁদো গলায় ফোন করে টাকাও চাইল এবং শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ল। শুনতে সিনেমার মতো মনে হলেও এমনটাই ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে। এক ১৪ বছরের নাবালক বাবার থেকে টাকা নিতে নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফাঁদে। তারপর বাবাকে ফোন করে টাকা চায়। যদিও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় সে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন হঠাৎ করেই ওই ছেলেটির বাবার ফোনে একটি ফোন আসে। তাতে ছেলেকে কাঁদো কাঁদো গলায় বলতে শোনেন, তাকে কেউ অপহরণ করেছে। মুক্তিপণ হিসেবে দশ লাখ টাকা দিতে হবে। এরপরই পেশায় গাড়ির যন্ত্রাংশের বিক্রেতা ওই ব্যক্তি চেন্নাইয়ের ট্রিপলিক্যানের জ্যামবাজার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশের কাছে গোটা ঘটনাটি খুলে বলেন। তিনি জানান, ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। কোচিং ক্লাসে সে যাওয়ার পরই এসেছে অপহরণের ফোন।

এরপর দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেটিকে ট্র‌্যাক করা হয়। দেখা যায় ফোনটি চিপক এলাকায় রয়েছে। এরপর চিপক রেল স্টেশনে ছেলেটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তখনও আসল ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন না খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপরই ছেলেটিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবা শুরু করেন অফিসাররা। তখনই তার কথায় অসঙ্গতি মেলে।

এরপর স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, একটি অটো রিকশা করে ওই ছাত্র এবং তার বন্ধুরা স্টেশনে নামে। এরপর অটোচালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা যায়, ওই ছেলেটি তার বন্ধুদের সঙ্গে কোচিংয়ে না গিয়ে ফোন থেকে অটো বুক করে চিপক স্টেশনে আসে। এরপরই সত্যিটা স্বীকার করে নেয় ছেলেটি। শেষ পর্যন্ত মামলা রুজু না করে সতর্ক করেই তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।