ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি,!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বাবার থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে নিজেই নিজের অপহরণের ছক করল পড়ুয়া।‌ এমনকি, কাঁদো কাঁদো গলায় ফোন করে টাকাও চাইল এবং শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ল। শুনতে সিনেমার মতো মনে হলেও এমনটাই ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে। এক ১৪ বছরের নাবালক বাবার থেকে টাকা নিতে নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফাঁদে। তারপর বাবাকে ফোন করে টাকা চায়। যদিও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় সে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন হঠাৎ করেই ওই ছেলেটির বাবার ফোনে একটি ফোন আসে। তাতে ছেলেকে কাঁদো কাঁদো গলায় বলতে শোনেন, তাকে কেউ অপহরণ করেছে। মুক্তিপণ হিসেবে দশ লাখ টাকা দিতে হবে। এরপরই পেশায় গাড়ির যন্ত্রাংশের বিক্রেতা ওই ব্যক্তি চেন্নাইয়ের ট্রিপলিক্যানের জ্যামবাজার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশের কাছে গোটা ঘটনাটি খুলে বলেন। তিনি জানান, ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। কোচিং ক্লাসে সে যাওয়ার পরই এসেছে অপহরণের ফোন।

এরপর দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেটিকে ট্র‌্যাক করা হয়। দেখা যায় ফোনটি চিপক এলাকায় রয়েছে। এরপর চিপক রেল স্টেশনে ছেলেটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তখনও আসল ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন না খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপরই ছেলেটিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবা শুরু করেন অফিসাররা। তখনই তার কথায় অসঙ্গতি মেলে।

এরপর স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, একটি অটো রিকশা করে ওই ছাত্র এবং তার বন্ধুরা স্টেশনে নামে। এরপর অটোচালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা যায়, ওই ছেলেটি তার বন্ধুদের সঙ্গে কোচিংয়ে না গিয়ে ফোন থেকে অটো বুক করে চিপক স্টেশনে আসে। এরপরই সত্যিটা স্বীকার করে নেয় ছেলেটি। শেষ পর্যন্ত মামলা রুজু না করে সতর্ক করেই তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে বাবার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি,!

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বাবার থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে নিজেই নিজের অপহরণের ছক করল পড়ুয়া।‌ এমনকি, কাঁদো কাঁদো গলায় ফোন করে টাকাও চাইল এবং শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ল। শুনতে সিনেমার মতো মনে হলেও এমনটাই ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে। এক ১৪ বছরের নাবালক বাবার থেকে টাকা নিতে নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফাঁদে। তারপর বাবাকে ফোন করে টাকা চায়। যদিও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় সে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন হঠাৎ করেই ওই ছেলেটির বাবার ফোনে একটি ফোন আসে। তাতে ছেলেকে কাঁদো কাঁদো গলায় বলতে শোনেন, তাকে কেউ অপহরণ করেছে। মুক্তিপণ হিসেবে দশ লাখ টাকা দিতে হবে। এরপরই পেশায় গাড়ির যন্ত্রাংশের বিক্রেতা ওই ব্যক্তি চেন্নাইয়ের ট্রিপলিক্যানের জ্যামবাজার পুলিশ স্টেশনে যান। পুলিশের কাছে গোটা ঘটনাটি খুলে বলেন। তিনি জানান, ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। কোচিং ক্লাসে সে যাওয়ার পরই এসেছে অপহরণের ফোন।

এরপর দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেটিকে ট্র‌্যাক করা হয়। দেখা যায় ফোনটি চিপক এলাকায় রয়েছে। এরপর চিপক রেল স্টেশনে ছেলেটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তখনও আসল ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন না খোদ পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপরই ছেলেটিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবা শুরু করেন অফিসাররা। তখনই তার কথায় অসঙ্গতি মেলে।

এরপর স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, একটি অটো রিকশা করে ওই ছাত্র এবং তার বন্ধুরা স্টেশনে নামে। এরপর অটোচালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা যায়, ওই ছেলেটি তার বন্ধুদের সঙ্গে কোচিংয়ে না গিয়ে ফোন থেকে অটো বুক করে চিপক স্টেশনে আসে। এরপরই সত্যিটা স্বীকার করে নেয় ছেলেটি। শেষ পর্যন্ত মামলা রুজু না করে সতর্ক করেই তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।