ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি হাত–মুখ বেঁধে জামায়াত নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহের মাঝেই চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ মহড়া মোংলায় চাঁদা না পেয়ে গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার ৩ ১৮ বছরের নির্যাতনের পর অস্থিরতা স্বাভাবিক, তবে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে হবে: দুদু পুলিশের ৩৩ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে পেটে গুলি লেগেছিল মন্নাস আলীর, ৫৫ বছর পর অস্ত্রোপচারে অপসারণ মেয়েকে তুলে নিয়ে বিয়ের পর ২০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ, হুমকি-অপমানে বাবার ‘আত্মহত্যা’

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ গুম করতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ গুম করতে গিয়ে আটক হয়েছেন পুলিশের এক সদস্য।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ী ক্যাম্পে। আটককৃত ওই পুলিশ সদস্যের নাম সাদ্দাম হোসেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনী এলাকায়।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান জানান, শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন জোসনা বেগম (৩০) নামে বাচ্চাসহ স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। সেই জোসনা বেগমকে নিয়ে বাগেরহাটের শরণখোলার তাফালবাড়ী পুলিশ ফাঁড়িসংলগ্ন ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন সাদ্দাম। রাতে জোসনার আগের ঘরের বাচ্চা নিয়ে কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদ্দাম স্বীকার করেছেন। নিহত জোসনা বেগমের বাড়ি খুলনার রূপসা উপজেলায়।

হত্যার পর জোসনার লাশ টুকরা টুকরা করে কেটে বস্তায় ভরে গভীর রাতে মাটিতে পুতে ফেলার চেষ্টা করেন সাদ্দাম। এ সময়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনা টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে সাদ্দামকে আটক করে, যোগ করেন তিনি।

খবর পেয়ে রাতেই বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করন। পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বড়ধাল গ্রামের আব্দুল লতিফ গাজীর ছেলে।

প্রথম স্ত্রী সাতক্ষীরায় গ্রামের বাড়িতে থাকে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, ঘাতক পুলিশ সদস্য সাদ্দামকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকৃত ঘটনার বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাপন আমলের রেকর্ডপত্র চেয়ে বিসিবিতে দুদকের ৩ চিঠি

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ গুম করতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক

আপডেট সময় ১২:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ গুম করতে গিয়ে আটক হয়েছেন পুলিশের এক সদস্য।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ী ক্যাম্পে। আটককৃত ওই পুলিশ সদস্যের নাম সাদ্দাম হোসেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনী এলাকায়।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান জানান, শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন জোসনা বেগম (৩০) নামে বাচ্চাসহ স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। সেই জোসনা বেগমকে নিয়ে বাগেরহাটের শরণখোলার তাফালবাড়ী পুলিশ ফাঁড়িসংলগ্ন ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন সাদ্দাম। রাতে জোসনার আগের ঘরের বাচ্চা নিয়ে কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদ্দাম স্বীকার করেছেন। নিহত জোসনা বেগমের বাড়ি খুলনার রূপসা উপজেলায়।

হত্যার পর জোসনার লাশ টুকরা টুকরা করে কেটে বস্তায় ভরে গভীর রাতে মাটিতে পুতে ফেলার চেষ্টা করেন সাদ্দাম। এ সময়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনা টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে সাদ্দামকে আটক করে, যোগ করেন তিনি।

খবর পেয়ে রাতেই বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করন। পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বড়ধাল গ্রামের আব্দুল লতিফ গাজীর ছেলে।

প্রথম স্ত্রী সাতক্ষীরায় গ্রামের বাড়িতে থাকে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, ঘাতক পুলিশ সদস্য সাদ্দামকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রকৃত ঘটনার বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।