ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ফেসবুক হ্যাক হলে আইনি সহায়তা দেবে আইসিটি বিভাগ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

কারো ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ থেকে ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আইসিটি বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘সাইবার সিকিউরিটি হেল্প ডেস্ক’ থেকে এই সহায়তা পাওয়া যাবে বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নাটোরের সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক ওয়েবিনারে যুক্ত হন জুনাইদ আহমেদ পলক।

‘ডিজিটাল নিরাপত্তায় মেয়েদের সচেতনতা’ শীর্ষক ওই ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক বলেন, এখন দেশে যত সাইবার ক্রাইম হয় তার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ কিশোরী শিকার হচ্ছে।

সাইবার অপরাধে শিকার হওয়া কিশোরীদের মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, কেউ যদি এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয় তাহলে ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সহায়তা নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কারো ফেসবুক হ্যাক হলে তাদের প্রযুক্তি ও আইনগত সহায়তা দিতে আইসিটি বিভাগের অধীন ‘সাইবার সিকিউরিটি হেল্প ডেস্ক’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারে আরও সচেতন এবং সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে পলক বলেন, শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ও ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দেওয়া ও সামাজিক মাধ্যমে কিছু শেয়ার করার বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। তা না হলে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে। পরিচয় যাচাই না করে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করা যাবে না। সাইবার স্পেসকে নিরাপদ রাখতে মূলত যে চারটি পূর্বশর্ত নিশ্চিত করতে হয়, সেগুলো হচ্ছে- প্রথমত, ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি। দ্বিতীয়ত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদান। তৃতীয়ত, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। চতুর্থত, আইনের কঠোর প্রয়োগ।

সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে ইন্টারনেটে কোনো কন্টেন্ট শেয়ার না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বানও জানান প্রতিমন্ত্রী।

ওয়েবিনারে অন্যন্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, সিসিএ নিয়ন্ত্রক আবু সাঈদ চৌধুরী, সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার ইসলাম আনু।

ওয়েবিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিসিএ উপ-নিয়ন্ত্রক হাসিনা বেগম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ফেসবুক হ্যাক হলে আইনি সহায়তা দেবে আইসিটি বিভাগ

আপডেট সময় ০৬:০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

কারো ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ থেকে ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আইসিটি বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘সাইবার সিকিউরিটি হেল্প ডেস্ক’ থেকে এই সহায়তা পাওয়া যাবে বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নাটোরের সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক ওয়েবিনারে যুক্ত হন জুনাইদ আহমেদ পলক।

‘ডিজিটাল নিরাপত্তায় মেয়েদের সচেতনতা’ শীর্ষক ওই ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক বলেন, এখন দেশে যত সাইবার ক্রাইম হয় তার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ কিশোরী শিকার হচ্ছে।

সাইবার অপরাধে শিকার হওয়া কিশোরীদের মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, কেউ যদি এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয় তাহলে ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সহায়তা নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কারো ফেসবুক হ্যাক হলে তাদের প্রযুক্তি ও আইনগত সহায়তা দিতে আইসিটি বিভাগের অধীন ‘সাইবার সিকিউরিটি হেল্প ডেস্ক’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারে আরও সচেতন এবং সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে পলক বলেন, শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ও ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দেওয়া ও সামাজিক মাধ্যমে কিছু শেয়ার করার বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। তা না হলে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে। পরিচয় যাচাই না করে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করা যাবে না। সাইবার স্পেসকে নিরাপদ রাখতে মূলত যে চারটি পূর্বশর্ত নিশ্চিত করতে হয়, সেগুলো হচ্ছে- প্রথমত, ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি। দ্বিতীয়ত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদান। তৃতীয়ত, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা। চতুর্থত, আইনের কঠোর প্রয়োগ।

সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে ইন্টারনেটে কোনো কন্টেন্ট শেয়ার না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বানও জানান প্রতিমন্ত্রী।

ওয়েবিনারে অন্যন্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, সিসিএ নিয়ন্ত্রক আবু সাঈদ চৌধুরী, সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার ইসলাম আনু।

ওয়েবিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিসিএ উপ-নিয়ন্ত্রক হাসিনা বেগম।