ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দিনাজপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের দায়ে নবীউল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ শরীফ উদ্দীন আহমেদ বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।

নবীউল ইসলাম ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কনস্টেবল (কং নং-৯১৯) ও দিনাজপুর শহরের মাতাসাগর পানুয়াপাড়া এলাকার জাফর আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল মহারাজা গিরিজানাথ স্কুলে যাওয়ার পথে দিনাজপুর শহরের বটতলী নামক এলাকা থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলাম। এরপর বিয়ের কথা বলে প্রথমে রংপুরের বদরগঞ্জ এবং পরে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে আটকে রেখে ধর্ষণে করে।

এ বিষয়ে ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল স্কুলছাত্রী নিখোঁজের বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় একটি জিডিও করে স্কুলছাত্রীর পরিবার।

পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৫ মাস পর ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ওই স্কুলছাত্রীকে ঢাকা থেকে এনে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর রেলস্টেশনে নামিয়ে দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলাম জানায়- তার সঙ্গে কোনো বিয়ে হয়নি। এরপর সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্কুলছাত্রীর চেঁচামেচিতে স্থানীয়রা এসে নবীউলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে স্কুলছাত্রীর দাদি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলামসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার আদালত পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১০:০৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দিনাজপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের দায়ে নবীউল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ শরীফ উদ্দীন আহমেদ বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।

নবীউল ইসলাম ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কনস্টেবল (কং নং-৯১৯) ও দিনাজপুর শহরের মাতাসাগর পানুয়াপাড়া এলাকার জাফর আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল মহারাজা গিরিজানাথ স্কুলে যাওয়ার পথে দিনাজপুর শহরের বটতলী নামক এলাকা থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলাম। এরপর বিয়ের কথা বলে প্রথমে রংপুরের বদরগঞ্জ এবং পরে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে আটকে রেখে ধর্ষণে করে।

এ বিষয়ে ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল স্কুলছাত্রী নিখোঁজের বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় একটি জিডিও করে স্কুলছাত্রীর পরিবার।

পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৫ মাস পর ২০১৫ সালের ১ আগস্ট ওই স্কুলছাত্রীকে ঢাকা থেকে এনে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর রেলস্টেশনে নামিয়ে দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলাম জানায়- তার সঙ্গে কোনো বিয়ে হয়নি। এরপর সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্কুলছাত্রীর চেঁচামেচিতে স্থানীয়রা এসে নবীউলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে স্কুলছাত্রীর দাদি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলামসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার আদালত পুলিশ কনস্টেবল নবীউল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন।