ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণচেষ্টার বিচার চাইতে নাতনিকে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে দাদা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গত ৩ সেপ্টেম্বর ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় বিচার চাইতে নাতনিকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন দাদা মোগল ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এক মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখনও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কোনো তৎপরতা দেখছি না।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাদা-নাতনি দাঁড়িয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।

মোগল ভূঁইয়া বলেন, আমার নাতনি দ্বিতীয় শ্রেণিতে (৮) পড়ে। তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় সে আমার কাছেই থাকে। আমার ছেলে প্রবাসী। এক প্রতিবেশী ভাতিজা শামীম ভূঁইয়া (২০) গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে আমার নাতনিকে আম-পেয়ারার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে একটি কাঁকরোলের টালে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় আমার ছোট বোন বিষয়টি দেখে আগে এগিয়ে গেলে ধর্ষণের চেষ্টায়কারী শামীম পালিয়ে যায়। এরপর নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে নাতনির চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নরসিংদীর শিবপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করি। এক মাসেও পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগকারীকে গ্রেফতার করার কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে এখানে এসেছি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিবপুর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেন বলেন, তদন্ত চলছে। আসামি পলাতক আছেন। এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মামলার কার্যক্রম ঠিকমতোই চলছে। আসামি একজন হওয়ায় গ্রেফতার করা একটু কঠিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ধর্ষণচেষ্টার বিচার চাইতে নাতনিকে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে দাদা

আপডেট সময় ০৫:৪১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গত ৩ সেপ্টেম্বর ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় বিচার চাইতে নাতনিকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন দাদা মোগল ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এক মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখনও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কোনো তৎপরতা দেখছি না।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাদা-নাতনি দাঁড়িয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।

মোগল ভূঁইয়া বলেন, আমার নাতনি দ্বিতীয় শ্রেণিতে (৮) পড়ে। তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হওয়ায় সে আমার কাছেই থাকে। আমার ছেলে প্রবাসী। এক প্রতিবেশী ভাতিজা শামীম ভূঁইয়া (২০) গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে আমার নাতনিকে আম-পেয়ারার লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে একটি কাঁকরোলের টালে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় আমার ছোট বোন বিষয়টি দেখে আগে এগিয়ে গেলে ধর্ষণের চেষ্টায়কারী শামীম পালিয়ে যায়। এরপর নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে নাতনির চিকিৎসার ব্যবস্থা করি।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নরসিংদীর শিবপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করি। এক মাসেও পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগকারীকে গ্রেফতার করার কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে এখানে এসেছি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিবপুর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেন বলেন, তদন্ত চলছে। আসামি পলাতক আছেন। এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মামলার কার্যক্রম ঠিকমতোই চলছে। আসামি একজন হওয়ায় গ্রেফতার করা একটু কঠিন।