ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ফেসবুকের ভয়ংকর দিক দেখাল ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব, সেই সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশও। পৃথিবীব্যাপী সবাই এখন সামাজিক মাধ্যমে বুঁদ। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় সামাজিক মাধ্যমে না ঢু মারলে অথবা একটি স্ট্যাটাস বা ছবি শেয়ার না করলে যেন হবেই না।

সবার হাতেই স্মার্টফোন, আর তাতেই ভয়ঙ্কর ডুব! কোনো নটিফিকেশন না থাকলেও স্ক্রলিং যেন এক রোগে পরিণত হয়েছে। ফেসবুকের ভয়ঙ্কর দিকগুলো নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে ভিডিও স্ট্রিমিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স।

‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ সিনেমাকে ব্যঙ্গ করতে ডকুমেন্টারির নাম রাখা হয়- ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’। এমি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত পরিচালক জেফ ওরোলস্কি এটি পরিচালনা করেন। প্রযুক্তি বিশ্বের অনেক নামি-দামি প্রযুক্তিবিদ এতে সাক্ষাৎকার দেন।

তাদের মূল বক্তব্য, ফেসবুক অর্থ আয় করছে মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে। ব্যবহারকারীকে অ্যাপে কয়েক ঘণ্টা ধরে রাখতে পারলে, অনেক বিজ্ঞাপন দেখান যায়। আর এ বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য প্রত্যেকের নিউজফিড সাজান হয় আলাদাভাবে।

দু’জন ব্যক্তির মধ্যে খুব মিল থাকলেও তাদের ফেসবুকের নিউজফিড হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা বিজ্ঞাপন, পোস্ট ও নিউজ দিয়ে নিউজফিড সাজায় ফেসবুকের অ্যালগরিদম।

ফেসবুকের কারণে সামাজিক বন্ধনেও এসেছে বিশাল পরিবর্তন- সেসবও তুলে ধরা হয়েছে দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’য়। ভুয়া খবরের জন্য তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার জন্যও দায়ী করা হয়েছে ফেসবুককে।

ডকুমেন্টারিতে ফেসবুক, গুগল, টুইটার ও পিন্টারেস্টের অনেক সাবেক কর্মী জানিয়েছেন, ব্যবহারকারীকে টুল হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি তারা মেনে নিতে পারেননি। তাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তবে অনেকেই স্বীকার করে নিয়েছেন, নিজেদের পরিবারের সদস্যদের ফেসবুক ব্যবহারের খারাপ দিকগুলো বোঝাতে পারছেন না। এমন কি, সব কিছু জেনে নিজেরাও ফেসবুক ব্যবহার না করে থাকতে পারছেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ফেসবুকের ভয়ংকর দিক দেখাল ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’

আপডেট সময় ০৯:২০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব, সেই সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশও। পৃথিবীব্যাপী সবাই এখন সামাজিক মাধ্যমে বুঁদ। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় সামাজিক মাধ্যমে না ঢু মারলে অথবা একটি স্ট্যাটাস বা ছবি শেয়ার না করলে যেন হবেই না।

সবার হাতেই স্মার্টফোন, আর তাতেই ভয়ঙ্কর ডুব! কোনো নটিফিকেশন না থাকলেও স্ক্রলিং যেন এক রোগে পরিণত হয়েছে। ফেসবুকের ভয়ঙ্কর দিকগুলো নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে ভিডিও স্ট্রিমিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স।

‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ সিনেমাকে ব্যঙ্গ করতে ডকুমেন্টারির নাম রাখা হয়- ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’। এমি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত পরিচালক জেফ ওরোলস্কি এটি পরিচালনা করেন। প্রযুক্তি বিশ্বের অনেক নামি-দামি প্রযুক্তিবিদ এতে সাক্ষাৎকার দেন।

তাদের মূল বক্তব্য, ফেসবুক অর্থ আয় করছে মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে। ব্যবহারকারীকে অ্যাপে কয়েক ঘণ্টা ধরে রাখতে পারলে, অনেক বিজ্ঞাপন দেখান যায়। আর এ বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য প্রত্যেকের নিউজফিড সাজান হয় আলাদাভাবে।

দু’জন ব্যক্তির মধ্যে খুব মিল থাকলেও তাদের ফেসবুকের নিউজফিড হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা বিজ্ঞাপন, পোস্ট ও নিউজ দিয়ে নিউজফিড সাজায় ফেসবুকের অ্যালগরিদম।

ফেসবুকের কারণে সামাজিক বন্ধনেও এসেছে বিশাল পরিবর্তন- সেসবও তুলে ধরা হয়েছে দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’য়। ভুয়া খবরের জন্য তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার জন্যও দায়ী করা হয়েছে ফেসবুককে।

ডকুমেন্টারিতে ফেসবুক, গুগল, টুইটার ও পিন্টারেস্টের অনেক সাবেক কর্মী জানিয়েছেন, ব্যবহারকারীকে টুল হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি তারা মেনে নিতে পারেননি। তাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তবে অনেকেই স্বীকার করে নিয়েছেন, নিজেদের পরিবারের সদস্যদের ফেসবুক ব্যবহারের খারাপ দিকগুলো বোঝাতে পারছেন না। এমন কি, সব কিছু জেনে নিজেরাও ফেসবুক ব্যবহার না করে থাকতে পারছেন না।