ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফেসবুকের ভয়ংকর দিক দেখাল ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব, সেই সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশও। পৃথিবীব্যাপী সবাই এখন সামাজিক মাধ্যমে বুঁদ। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় সামাজিক মাধ্যমে না ঢু মারলে অথবা একটি স্ট্যাটাস বা ছবি শেয়ার না করলে যেন হবেই না।

সবার হাতেই স্মার্টফোন, আর তাতেই ভয়ঙ্কর ডুব! কোনো নটিফিকেশন না থাকলেও স্ক্রলিং যেন এক রোগে পরিণত হয়েছে। ফেসবুকের ভয়ঙ্কর দিকগুলো নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে ভিডিও স্ট্রিমিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স।

‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ সিনেমাকে ব্যঙ্গ করতে ডকুমেন্টারির নাম রাখা হয়- ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’। এমি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত পরিচালক জেফ ওরোলস্কি এটি পরিচালনা করেন। প্রযুক্তি বিশ্বের অনেক নামি-দামি প্রযুক্তিবিদ এতে সাক্ষাৎকার দেন।

তাদের মূল বক্তব্য, ফেসবুক অর্থ আয় করছে মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে। ব্যবহারকারীকে অ্যাপে কয়েক ঘণ্টা ধরে রাখতে পারলে, অনেক বিজ্ঞাপন দেখান যায়। আর এ বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য প্রত্যেকের নিউজফিড সাজান হয় আলাদাভাবে।

দু’জন ব্যক্তির মধ্যে খুব মিল থাকলেও তাদের ফেসবুকের নিউজফিড হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা বিজ্ঞাপন, পোস্ট ও নিউজ দিয়ে নিউজফিড সাজায় ফেসবুকের অ্যালগরিদম।

ফেসবুকের কারণে সামাজিক বন্ধনেও এসেছে বিশাল পরিবর্তন- সেসবও তুলে ধরা হয়েছে দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’য়। ভুয়া খবরের জন্য তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার জন্যও দায়ী করা হয়েছে ফেসবুককে।

ডকুমেন্টারিতে ফেসবুক, গুগল, টুইটার ও পিন্টারেস্টের অনেক সাবেক কর্মী জানিয়েছেন, ব্যবহারকারীকে টুল হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি তারা মেনে নিতে পারেননি। তাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তবে অনেকেই স্বীকার করে নিয়েছেন, নিজেদের পরিবারের সদস্যদের ফেসবুক ব্যবহারের খারাপ দিকগুলো বোঝাতে পারছেন না। এমন কি, সব কিছু জেনে নিজেরাও ফেসবুক ব্যবহার না করে থাকতে পারছেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ফেসবুকের ভয়ংকর দিক দেখাল ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’

আপডেট সময় ০৯:২০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব, সেই সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশও। পৃথিবীব্যাপী সবাই এখন সামাজিক মাধ্যমে বুঁদ। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় সামাজিক মাধ্যমে না ঢু মারলে অথবা একটি স্ট্যাটাস বা ছবি শেয়ার না করলে যেন হবেই না।

সবার হাতেই স্মার্টফোন, আর তাতেই ভয়ঙ্কর ডুব! কোনো নটিফিকেশন না থাকলেও স্ক্রলিং যেন এক রোগে পরিণত হয়েছে। ফেসবুকের ভয়ঙ্কর দিকগুলো নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করেছে ভিডিও স্ট্রিমিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স।

‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক’ সিনেমাকে ব্যঙ্গ করতে ডকুমেন্টারির নাম রাখা হয়- ‘দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’। এমি অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত পরিচালক জেফ ওরোলস্কি এটি পরিচালনা করেন। প্রযুক্তি বিশ্বের অনেক নামি-দামি প্রযুক্তিবিদ এতে সাক্ষাৎকার দেন।

তাদের মূল বক্তব্য, ফেসবুক অর্থ আয় করছে মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে। ব্যবহারকারীকে অ্যাপে কয়েক ঘণ্টা ধরে রাখতে পারলে, অনেক বিজ্ঞাপন দেখান যায়। আর এ বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য প্রত্যেকের নিউজফিড সাজান হয় আলাদাভাবে।

দু’জন ব্যক্তির মধ্যে খুব মিল থাকলেও তাদের ফেসবুকের নিউজফিড হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা বিজ্ঞাপন, পোস্ট ও নিউজ দিয়ে নিউজফিড সাজায় ফেসবুকের অ্যালগরিদম।

ফেসবুকের কারণে সামাজিক বন্ধনেও এসেছে বিশাল পরিবর্তন- সেসবও তুলে ধরা হয়েছে দ্য সোশ্যাল ডিলেমা’য়। ভুয়া খবরের জন্য তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার জন্যও দায়ী করা হয়েছে ফেসবুককে।

ডকুমেন্টারিতে ফেসবুক, গুগল, টুইটার ও পিন্টারেস্টের অনেক সাবেক কর্মী জানিয়েছেন, ব্যবহারকারীকে টুল হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি তারা মেনে নিতে পারেননি। তাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তবে অনেকেই স্বীকার করে নিয়েছেন, নিজেদের পরিবারের সদস্যদের ফেসবুক ব্যবহারের খারাপ দিকগুলো বোঝাতে পারছেন না। এমন কি, সব কিছু জেনে নিজেরাও ফেসবুক ব্যবহার না করে থাকতে পারছেন না।