ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা ও সীমানা প্রাচীর ভাংচুরের প্রতিবাদে বীরগঞ্জে মানববন্ধন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের উপর হামলা এবং সীমানা প্রাচীর ভাংচুরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মানববন্ধন হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের শতাধিক লোকজন উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বীরগঞ্জ উপজেলা সদরে বিজয় চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবরে একটি স্মারকলিপি দেয়।

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক কালিপদ রায়, মুক্তিযোদ্ধা এসএমএ খালেক, মুক্তিযোদ্ধা জোতিন্দ্র নাথ রায়, মুক্তিযোদ্ধা বশির আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মো. শামীম ফিরোজ আলম, উপজেলা উদিচী সভাপতি প্রভাষক প্রশান্ত কুমার সেন প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবরে প্রেরিত স্মারকলিপির অনুলিপি থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোজাম্মেল হকের নামে ৫৩ শতক খাস জমি পত্তন দেয় সরকার। কিন্তু সেই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মাটিয়াকুড়া গ্রামের মোঃ সাহাবুদ্দিনের ছেলে মো. উজ্জ্বল ইসলামের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। মুক্তযোদ্ধা মো. মোজাম্মেল হকের আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে নোটিশ করে গত ১৯ আগস্ট উক্ত জমির সীমানা নির্ধারন করে দেয় সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

কিন্তু ২৭ আগস্ট উজ্জ্বল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে সীমানার বেড়া ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের স্ত্রী বাধা দিতে গেল তাদের উপর হামলা চালায়। এ ব্যাপারে মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

পরে গত ৩১ আগস্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় পাকা প্রাচীর নির্মান করা হলে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরে উজ্জ্বল ইসলামের নেতৃত্বে আবার ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক বীরগঞ্জ থানায় উজ্জ্বল ইসলামকে প্রধান করে ২৫-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরপর দুইবার মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীতে হামলা চালিয়ে জবর দখল কান্ডের প্রতিবাদে রাজপথে নামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা ও সীমানা প্রাচীর ভাংচুরের প্রতিবাদে বীরগঞ্জে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৬:১০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের উপর হামলা এবং সীমানা প্রাচীর ভাংচুরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মানববন্ধন হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের শতাধিক লোকজন উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধনে স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বীরগঞ্জ উপজেলা সদরে বিজয় চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবরে একটি স্মারকলিপি দেয়।

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক কালিপদ রায়, মুক্তিযোদ্ধা এসএমএ খালেক, মুক্তিযোদ্ধা জোতিন্দ্র নাথ রায়, মুক্তিযোদ্ধা বশির আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মো. শামীম ফিরোজ আলম, উপজেলা উদিচী সভাপতি প্রভাষক প্রশান্ত কুমার সেন প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবরে প্রেরিত স্মারকলিপির অনুলিপি থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোজাম্মেল হকের নামে ৫৩ শতক খাস জমি পত্তন দেয় সরকার। কিন্তু সেই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মাটিয়াকুড়া গ্রামের মোঃ সাহাবুদ্দিনের ছেলে মো. উজ্জ্বল ইসলামের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। মুক্তযোদ্ধা মো. মোজাম্মেল হকের আবেদনের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে নোটিশ করে গত ১৯ আগস্ট উক্ত জমির সীমানা নির্ধারন করে দেয় সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

কিন্তু ২৭ আগস্ট উজ্জ্বল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে সীমানার বেড়া ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের স্ত্রী বাধা দিতে গেল তাদের উপর হামলা চালায়। এ ব্যাপারে মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে বীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

পরে গত ৩১ আগস্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় পাকা প্রাচীর নির্মান করা হলে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরে উজ্জ্বল ইসলামের নেতৃত্বে আবার ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক বীরগঞ্জ থানায় উজ্জ্বল ইসলামকে প্রধান করে ২৫-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরপর দুইবার মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীতে হামলা চালিয়ে জবর দখল কান্ডের প্রতিবাদে রাজপথে নামে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।