ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

বিল বাকি, মর্গে পড়ে ছিল মিনুর মরদেহ, শিল্পী সংঘের সহায়তায় সমাধান

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মিনু মমতাজ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর জানার পরও সারাদিন পরিবার ও স্বজনদের কেউ তার খবর নেননি। হাসপাতাল মর্গে পড়ে ছিল তার মরদেহ। কারণ হিসেবে জানা গেলো, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিল বাকি হাসপাতালে। বিল পরিশোধ করতে হবে শুনেই তার সন্তানরা কেউ এগিয়ে আসেননি।

এ বিষয়ে জানার জন্য নির্মাতা-গীতিকবি এসএ হক অলিককে ফোন দিলে তিনি বলেন, ‘ব্যাপারটা দুঃখজনক। তবে, এরই মধ্যে শিল্পী সংঘের উদ্যোগে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতেই শহীদুজ্জামান সেলিম (শিল্পী সংঘ’র সভাপতি) ভাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। এখন (বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে) আহসান হাবিব নাসিম (শিল্পী সংঘ’র সাধারণ সম্পাদক) ভাই সেখানে রয়েছেন। মিনু মমতাজের পরিবারের লোকজনেরাও এসেছেন।

‘আমাদের শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে ১ লাখ এবং অভিনেত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। শিল্পী সংঘের অনুরোধে বাকি ১ লাখ টাকা ছাড় দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ’

অলিক আরও জানান, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর মিরপুর করবস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে অভিনত্রী মিনু মমতাজকে।

জানা গেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর মিনু মমতাজকে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টেস্ট করা হলে করোনা পজিটিভ আসে। এরপর তাকে করোনা ইউনিটে বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এদিন দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

দীর্ঘদিন টিভি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করেছেন মিনু মমতাজ। কাজ করেছেন অনেক সিনেমায়ও। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

বিল বাকি, মর্গে পড়ে ছিল মিনুর মরদেহ, শিল্পী সংঘের সহায়তায় সমাধান

আপডেট সময় ১১:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মিনু মমতাজ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর জানার পরও সারাদিন পরিবার ও স্বজনদের কেউ তার খবর নেননি। হাসপাতাল মর্গে পড়ে ছিল তার মরদেহ। কারণ হিসেবে জানা গেলো, প্রায় ৩ লাখ টাকা বিল বাকি হাসপাতালে। বিল পরিশোধ করতে হবে শুনেই তার সন্তানরা কেউ এগিয়ে আসেননি।

এ বিষয়ে জানার জন্য নির্মাতা-গীতিকবি এসএ হক অলিককে ফোন দিলে তিনি বলেন, ‘ব্যাপারটা দুঃখজনক। তবে, এরই মধ্যে শিল্পী সংঘের উদ্যোগে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতেই শহীদুজ্জামান সেলিম (শিল্পী সংঘ’র সভাপতি) ভাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। এখন (বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে) আহসান হাবিব নাসিম (শিল্পী সংঘ’র সাধারণ সম্পাদক) ভাই সেখানে রয়েছেন। মিনু মমতাজের পরিবারের লোকজনেরাও এসেছেন।

‘আমাদের শিল্পী সংঘের পক্ষ থেকে ১ লাখ এবং অভিনেত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। শিল্পী সংঘের অনুরোধে বাকি ১ লাখ টাকা ছাড় দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ’

অলিক আরও জানান, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর মিরপুর করবস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে অভিনত্রী মিনু মমতাজকে।

জানা গেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর মিনু মমতাজকে করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টেস্ট করা হলে করোনা পজিটিভ আসে। এরপর তাকে করোনা ইউনিটে বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এদিন দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

দীর্ঘদিন টিভি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করেছেন মিনু মমতাজ। কাজ করেছেন অনেক সিনেমায়ও। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।