ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কলেজছাত্রীর মাথার চুল কেটে দেয়া আরও এক নারী আটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নওগাঁর নিয়ামতপুরে কলেজছাত্রীর শ্লীলতাহানি ও আপত্তিকর ছবি তোলাসহ মাথার চুল কেটে ফেলার ভিডিও ধারণের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এক নারী আসামিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত নারী রূপা (২০) এ মামলার প্রধান আসামি রায়হানের স্ত্রী। মঙ্গলবার গভীর রাতে মান্দা উপজেলার পরানপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে কলেজছাত্রীর বাবার করা মামলায় সোমবার ঝাঝিরা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলেকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।

এ নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর ‘নিয়ামতপুরে কলেজছাত্রীর চুল কেটে শ্লীলতাহানি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ পায়। এরপর ঘটনাটি জানাজানি হলে ঝড় উঠে এলাকায় ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তোড়জোড় শুরু হয় প্রশাসনে। ছুটে আসে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরাও।

উল্লেখ্য, নির্যাতনের শিকার ওই কলেজছাত্রীকে রোববার কয়েক ঘণ্টা ধরে একটি কক্ষে আটকে রেখে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি তুলে বখাটেরা। এ সময় ওই কলেজছাত্রীর মাথার চুল কাটে এক নারী এবং চুল কাটার দৃশ্যটি ভিডিও করা হয়।

পরে কলেজছাত্রীকে ঘটনাটি কাউকে না বলার ও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাড়িতে ফিরে পুরো ঘটনাটি বললে পরদিন ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর সোমবার ঘটনার মূলহোতা রায়হানকে আটক করে পুলিশ। এরপর কলেছাত্রীর চুল কাটার এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ভিডিও ফুটেজ দেখে চুলা কাটার ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই আটককৃত নারী রুপা মান্দা উপজেলার পরানপুর গ্রামে তার ফুফুর বাড়িতে আত্মগোপন করেছিল।

নারী আসামি আটক হওয়ার পরপরই বুধবার নিয়ামতপুর থানায় ছুটে আসেন পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় মামলার পরপরই আমরা মূলহোতা রায়হানকে আটক করেছি। এরপর এক দিনের মধ্যেই অপর নারী আসামি রুপাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন, আমরা সব অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কলেজছাত্রীর মাথার চুল কেটে দেয়া আরও এক নারী আটক

আপডেট সময় ০৬:১৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নওগাঁর নিয়ামতপুরে কলেজছাত্রীর শ্লীলতাহানি ও আপত্তিকর ছবি তোলাসহ মাথার চুল কেটে ফেলার ভিডিও ধারণের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এক নারী আসামিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত নারী রূপা (২০) এ মামলার প্রধান আসামি রায়হানের স্ত্রী। মঙ্গলবার গভীর রাতে মান্দা উপজেলার পরানপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে কলেজছাত্রীর বাবার করা মামলায় সোমবার ঝাঝিরা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলেকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।

এ নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর ‘নিয়ামতপুরে কলেজছাত্রীর চুল কেটে শ্লীলতাহানি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ পায়। এরপর ঘটনাটি জানাজানি হলে ঝড় উঠে এলাকায় ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তোড়জোড় শুরু হয় প্রশাসনে। ছুটে আসে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরাও।

উল্লেখ্য, নির্যাতনের শিকার ওই কলেজছাত্রীকে রোববার কয়েক ঘণ্টা ধরে একটি কক্ষে আটকে রেখে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি তুলে বখাটেরা। এ সময় ওই কলেজছাত্রীর মাথার চুল কাটে এক নারী এবং চুল কাটার দৃশ্যটি ভিডিও করা হয়।

পরে কলেজছাত্রীকে ঘটনাটি কাউকে না বলার ও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাড়িতে ফিরে পুরো ঘটনাটি বললে পরদিন ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর সোমবার ঘটনার মূলহোতা রায়হানকে আটক করে পুলিশ। এরপর কলেছাত্রীর চুল কাটার এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ভিডিও ফুটেজ দেখে চুলা কাটার ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই আটককৃত নারী রুপা মান্দা উপজেলার পরানপুর গ্রামে তার ফুফুর বাড়িতে আত্মগোপন করেছিল।

নারী আসামি আটক হওয়ার পরপরই বুধবার নিয়ামতপুর থানায় ছুটে আসেন পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় মামলার পরপরই আমরা মূলহোতা রায়হানকে আটক করেছি। এরপর এক দিনের মধ্যেই অপর নারী আসামি রুপাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন, আমরা সব অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।