ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

কয়েক বছরে উষ্ণতায় পৃথিবী হবে আগুনের গোলায়

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

পৃখিবীর যেমন বয়স বাড়ছে তেমনি বাড়ছে তার উষ্ণতা। এর ফলে খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে জলবায়ুর।কখনো পৃথিবীর কোন দেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব, কখনো তীব্র ভূমিকম্প, কখনো ভারী বৃষ্টিপাত আবার কখনো ভয়ঙ্কর দাবানলের থাবা- জলবায়ুর পরিবর্তনে প্রকৃতির এমন পরিস্থিতি শুধুমাত্র বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্যই হয়েছে। এর কারণ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং শক্তির ব্যয়কে দায়ী করা হয়েছে। তবে মানব জাতির অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবী ধ্বংসের মুখের দিকে এগোচ্ছে। এটাই এখন এক ভয়ের কারণ।

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে প্রায় পাঁচ কোটি গুণ। আর এর জন্য বিজ্ঞানীরা ফের সতর্কবাণী দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। আর এর ফলে বদলে যাবে আবহাওয়া। সাধারণ মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে এতটা উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে।

পৃথিবী এতদিন ধরে আইস হাউজ স্তরে ছিল, তারপর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবার ফলে এটি ওয়ার্ম হাউজ–এ পরিণত হয়েছে। এখনও যদি এভাবে আরও গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রকোপ চলতে থাকে তাহলে ধীরে ধীরে এটি হট হাউসে পরিণত হবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এর ফলে এখন যে আবহাওয়া আছে, তার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তীকালের আবহাওয়া। আর এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী এভাবে চলতে থাকলে আগুনের গোলায় পরিণত হবে।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নিচে খুঁড়ে একটি জীবাশ্ম বের করে সেই ফসলের নানা গবেষণা করে দেখেছেন যে ডাইনোসরের সময় কিরকম পৃথিবীতে উষ্ণতা ছিল এবং তারপর কিভাবে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা দেখেছেন যে এখনও পর্যন্ত পৃথিবী মোট চার রকম ভাগে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখেছে। তার মধ্যে রয়েছে ‘‌হট হাউস’‌, ‘‌ওয়ার্ম হাউস’‌ ‘‌কুল হাউজ’ ও‌ ‘‌আইস হাউস’‌‌।

পৃথিবীতে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে পারে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত অর্থাৎ কিনা ৯ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে যে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্র থেকে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হয় তা যদি সমান ভাবে চলতে থাকে তাহলে এক শতক অর্থাৎ ২৩০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা এমন জায়গায় পৌঁছে যাবে, গত পাঁচ কোটি বছর এই পৃথিবী দেখেনি।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এ ক্ষেত্রে বর্তমান আবহাওয়ার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তী কালের আবহাওয়া। যাকে বলে আমূল পরিবর্তন। সে ক্ষেত্রে উষ্ণতার প্রভাব বৃদ্ধি হতে পারে এবং এই ক্লাইমেট চেঞ্জ–এর কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তনের মতো এই পরিবর্তন হবে না। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

কয়েক বছরে উষ্ণতায় পৃথিবী হবে আগুনের গোলায়

আপডেট সময় ০৯:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

পৃখিবীর যেমন বয়স বাড়ছে তেমনি বাড়ছে তার উষ্ণতা। এর ফলে খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে জলবায়ুর।কখনো পৃথিবীর কোন দেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব, কখনো তীব্র ভূমিকম্প, কখনো ভারী বৃষ্টিপাত আবার কখনো ভয়ঙ্কর দাবানলের থাবা- জলবায়ুর পরিবর্তনে প্রকৃতির এমন পরিস্থিতি শুধুমাত্র বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্যই হয়েছে। এর কারণ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং শক্তির ব্যয়কে দায়ী করা হয়েছে। তবে মানব জাতির অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবী ধ্বংসের মুখের দিকে এগোচ্ছে। এটাই এখন এক ভয়ের কারণ।

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে প্রায় পাঁচ কোটি গুণ। আর এর জন্য বিজ্ঞানীরা ফের সতর্কবাণী দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। আর এর ফলে বদলে যাবে আবহাওয়া। সাধারণ মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে এতটা উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে।

পৃথিবী এতদিন ধরে আইস হাউজ স্তরে ছিল, তারপর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবার ফলে এটি ওয়ার্ম হাউজ–এ পরিণত হয়েছে। এখনও যদি এভাবে আরও গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রকোপ চলতে থাকে তাহলে ধীরে ধীরে এটি হট হাউসে পরিণত হবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এর ফলে এখন যে আবহাওয়া আছে, তার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তীকালের আবহাওয়া। আর এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী এভাবে চলতে থাকলে আগুনের গোলায় পরিণত হবে।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নিচে খুঁড়ে একটি জীবাশ্ম বের করে সেই ফসলের নানা গবেষণা করে দেখেছেন যে ডাইনোসরের সময় কিরকম পৃথিবীতে উষ্ণতা ছিল এবং তারপর কিভাবে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা দেখেছেন যে এখনও পর্যন্ত পৃথিবী মোট চার রকম ভাগে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখেছে। তার মধ্যে রয়েছে ‘‌হট হাউস’‌, ‘‌ওয়ার্ম হাউস’‌ ‘‌কুল হাউজ’ ও‌ ‘‌আইস হাউস’‌‌।

পৃথিবীতে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে পারে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত অর্থাৎ কিনা ৯ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে যে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্র থেকে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হয় তা যদি সমান ভাবে চলতে থাকে তাহলে এক শতক অর্থাৎ ২৩০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা এমন জায়গায় পৌঁছে যাবে, গত পাঁচ কোটি বছর এই পৃথিবী দেখেনি।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এ ক্ষেত্রে বর্তমান আবহাওয়ার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তী কালের আবহাওয়া। যাকে বলে আমূল পরিবর্তন। সে ক্ষেত্রে উষ্ণতার প্রভাব বৃদ্ধি হতে পারে এবং এই ক্লাইমেট চেঞ্জ–এর কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তনের মতো এই পরিবর্তন হবে না। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।