ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কয়েক বছরে উষ্ণতায় পৃথিবী হবে আগুনের গোলায়

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

পৃখিবীর যেমন বয়স বাড়ছে তেমনি বাড়ছে তার উষ্ণতা। এর ফলে খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে জলবায়ুর।কখনো পৃথিবীর কোন দেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব, কখনো তীব্র ভূমিকম্প, কখনো ভারী বৃষ্টিপাত আবার কখনো ভয়ঙ্কর দাবানলের থাবা- জলবায়ুর পরিবর্তনে প্রকৃতির এমন পরিস্থিতি শুধুমাত্র বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্যই হয়েছে। এর কারণ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং শক্তির ব্যয়কে দায়ী করা হয়েছে। তবে মানব জাতির অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবী ধ্বংসের মুখের দিকে এগোচ্ছে। এটাই এখন এক ভয়ের কারণ।

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে প্রায় পাঁচ কোটি গুণ। আর এর জন্য বিজ্ঞানীরা ফের সতর্কবাণী দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। আর এর ফলে বদলে যাবে আবহাওয়া। সাধারণ মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে এতটা উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে।

পৃথিবী এতদিন ধরে আইস হাউজ স্তরে ছিল, তারপর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবার ফলে এটি ওয়ার্ম হাউজ–এ পরিণত হয়েছে। এখনও যদি এভাবে আরও গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রকোপ চলতে থাকে তাহলে ধীরে ধীরে এটি হট হাউসে পরিণত হবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এর ফলে এখন যে আবহাওয়া আছে, তার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তীকালের আবহাওয়া। আর এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী এভাবে চলতে থাকলে আগুনের গোলায় পরিণত হবে।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নিচে খুঁড়ে একটি জীবাশ্ম বের করে সেই ফসলের নানা গবেষণা করে দেখেছেন যে ডাইনোসরের সময় কিরকম পৃথিবীতে উষ্ণতা ছিল এবং তারপর কিভাবে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা দেখেছেন যে এখনও পর্যন্ত পৃথিবী মোট চার রকম ভাগে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখেছে। তার মধ্যে রয়েছে ‘‌হট হাউস’‌, ‘‌ওয়ার্ম হাউস’‌ ‘‌কুল হাউজ’ ও‌ ‘‌আইস হাউস’‌‌।

পৃথিবীতে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে পারে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত অর্থাৎ কিনা ৯ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে যে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্র থেকে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হয় তা যদি সমান ভাবে চলতে থাকে তাহলে এক শতক অর্থাৎ ২৩০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা এমন জায়গায় পৌঁছে যাবে, গত পাঁচ কোটি বছর এই পৃথিবী দেখেনি।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এ ক্ষেত্রে বর্তমান আবহাওয়ার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তী কালের আবহাওয়া। যাকে বলে আমূল পরিবর্তন। সে ক্ষেত্রে উষ্ণতার প্রভাব বৃদ্ধি হতে পারে এবং এই ক্লাইমেট চেঞ্জ–এর কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তনের মতো এই পরিবর্তন হবে না। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কয়েক বছরে উষ্ণতায় পৃথিবী হবে আগুনের গোলায়

আপডেট সময় ০৯:২৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

পৃখিবীর যেমন বয়স বাড়ছে তেমনি বাড়ছে তার উষ্ণতা। এর ফলে খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে জলবায়ুর।কখনো পৃথিবীর কোন দেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব, কখনো তীব্র ভূমিকম্প, কখনো ভারী বৃষ্টিপাত আবার কখনো ভয়ঙ্কর দাবানলের থাবা- জলবায়ুর পরিবর্তনে প্রকৃতির এমন পরিস্থিতি শুধুমাত্র বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্যই হয়েছে। এর কারণ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং শক্তির ব্যয়কে দায়ী করা হয়েছে। তবে মানব জাতির অস্তিত্ব সঙ্কটের মুখে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবী ধ্বংসের মুখের দিকে এগোচ্ছে। এটাই এখন এক ভয়ের কারণ।

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে প্রায় পাঁচ কোটি গুণ। আর এর জন্য বিজ্ঞানীরা ফের সতর্কবাণী দিয়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। আর এর ফলে বদলে যাবে আবহাওয়া। সাধারণ মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে এতটা উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে।

পৃথিবী এতদিন ধরে আইস হাউজ স্তরে ছিল, তারপর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবার ফলে এটি ওয়ার্ম হাউজ–এ পরিণত হয়েছে। এখনও যদি এভাবে আরও গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রকোপ চলতে থাকে তাহলে ধীরে ধীরে এটি হট হাউসে পরিণত হবে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এর ফলে এখন যে আবহাওয়া আছে, তার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তীকালের আবহাওয়া। আর এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী এভাবে চলতে থাকলে আগুনের গোলায় পরিণত হবে।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি সঠিক সময়ে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ পৃথিবীতে না কমে, তাহলে এই উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কেউ আটকাতে পারবে না। তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নিচে খুঁড়ে একটি জীবাশ্ম বের করে সেই ফসলের নানা গবেষণা করে দেখেছেন যে ডাইনোসরের সময় কিরকম পৃথিবীতে উষ্ণতা ছিল এবং তারপর কিভাবে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা দেখেছেন যে এখনও পর্যন্ত পৃথিবী মোট চার রকম ভাগে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখেছে। তার মধ্যে রয়েছে ‘‌হট হাউস’‌, ‘‌ওয়ার্ম হাউস’‌ ‘‌কুল হাউজ’ ও‌ ‘‌আইস হাউস’‌‌।

পৃথিবীতে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে পারে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত অর্থাৎ কিনা ৯ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে যে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্র থেকে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন হয় তা যদি সমান ভাবে চলতে থাকে তাহলে এক শতক অর্থাৎ ২৩০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা এমন জায়গায় পৌঁছে যাবে, গত পাঁচ কোটি বছর এই পৃথিবী দেখেনি।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এ ক্ষেত্রে বর্তমান আবহাওয়ার থেকে একেবারে বদলে যেতে পারে পরবর্তী কালের আবহাওয়া। যাকে বলে আমূল পরিবর্তন। সে ক্ষেত্রে উষ্ণতার প্রভাব বৃদ্ধি হতে পারে এবং এই ক্লাইমেট চেঞ্জ–এর কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তনের মতো এই পরিবর্তন হবে না। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।