ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে মহাসড়কের পাশে পাইপলাইনে লিকেজ, বের হচ্ছে গ্যাস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ফেনী সদর উপজেলার মহিপাল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে গ্যাসের পাইপলাইনে লিকেজ হয়ে অনবরত গ্যাস নির্গত হচ্ছে। দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালালেই তাতে ধরে যাচ্ছে আগুন। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তাদের বার বার অবহিত করেও এর সমাধান পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। তবে দ্রুত গ্যাস লাইনে লিকেজ সংস্কার করা হবে বলে শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জানিয়েছেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শংকর মজুমদার।

লিকেজের ওই স্থান পরিদর্শনে গিয়ে শংকর মজুমদার সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এ সময় প্রধান কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিযারিং সার্ভিস) আবুল বাশার, নোয়াখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম (বিক্রয়) মো. সোলায়মান, ডিজিএম (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) সাগির আহমেদ, ফেনী এরিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. সাহাবুদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান ও নুরুল করিম প্রমুখ তার সঙ্গে ছিলেন।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী সড়কের শাহীন হোটেলের সামনের ওই স্থানে কয়েকমাস ধরেই অনবরত গ্যাস নির্গত হচ্ছে। ওই সড়কে হাঁটলে গ্যাসের গন্ধ নাকে লাগে। কখনও কখনও আগুন ধরে যায়।

বিষয়টি নজরে এলে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই গ্যাস লাইনের লিকেজ সংস্কার করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে লিখিতভাবে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বাখরাবাদের নোয়াখালী অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাগির আহমেদ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন আহমেদসহ উভয় বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শুক্রবার বাখরাবাদের সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান টেকনেশিয়ানদের নিয়ে সেখানে ছুটে যান। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রাথমিকভাবে ১০ বস্তা বালু ফেলা হয়।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শংকর মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি সওজ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এটি জাতীয় মহাসড়ক হওয়ায় সওজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সহযোগিতার বিষয় রয়েছে। তাদের কাছ থেকে সাড়া পেলে ব্যবস্থা নিতে পারবো। আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটির সমাধান হবে।

এছাড়া এ গ্যাস লাইন স্থাপন কাজে কোনো গাফিলতি ছিলো কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

বন্ধ থাকা সব টেক্সটাইল ও জুটমিল পর্যায়ক্রমে চালু হবে: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

ফেনীতে মহাসড়কের পাশে পাইপলাইনে লিকেজ, বের হচ্ছে গ্যাস

আপডেট সময় ০১:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ফেনী সদর উপজেলার মহিপাল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে গ্যাসের পাইপলাইনে লিকেজ হয়ে অনবরত গ্যাস নির্গত হচ্ছে। দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালালেই তাতে ধরে যাচ্ছে আগুন। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তাদের বার বার অবহিত করেও এর সমাধান পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। তবে দ্রুত গ্যাস লাইনে লিকেজ সংস্কার করা হবে বলে শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জানিয়েছেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শংকর মজুমদার।

লিকেজের ওই স্থান পরিদর্শনে গিয়ে শংকর মজুমদার সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এ সময় প্রধান কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিযারিং সার্ভিস) আবুল বাশার, নোয়াখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম (বিক্রয়) মো. সোলায়মান, ডিজিএম (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) সাগির আহমেদ, ফেনী এরিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. সাহাবুদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান ও নুরুল করিম প্রমুখ তার সঙ্গে ছিলেন।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী সড়কের শাহীন হোটেলের সামনের ওই স্থানে কয়েকমাস ধরেই অনবরত গ্যাস নির্গত হচ্ছে। ওই সড়কে হাঁটলে গ্যাসের গন্ধ নাকে লাগে। কখনও কখনও আগুন ধরে যায়।

বিষয়টি নজরে এলে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই গ্যাস লাইনের লিকেজ সংস্কার করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে লিখিতভাবে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বাখরাবাদের নোয়াখালী অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাগির আহমেদ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন আহমেদসহ উভয় বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শুক্রবার বাখরাবাদের সহকারী প্রকৌশলী কামরুল হাসান টেকনেশিয়ানদের নিয়ে সেখানে ছুটে যান। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রাথমিকভাবে ১০ বস্তা বালু ফেলা হয়।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শংকর মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি সওজ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এটি জাতীয় মহাসড়ক হওয়ায় সওজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সহযোগিতার বিষয় রয়েছে। তাদের কাছ থেকে সাড়া পেলে ব্যবস্থা নিতে পারবো। আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটির সমাধান হবে।

এছাড়া এ গ্যাস লাইন স্থাপন কাজে কোনো গাফিলতি ছিলো কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।