ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

নেদারল্যান্ডসে দূতাবাস উৎসবে বাংলাদেশ স্টলে উপচেপড়া ভিড়

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নেদারল্যান্ডসে ৬২টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘দূতাবাস উৎসবে’ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ছিল উপচেপড়া ভিড়। এতে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা হয়। গত শনিবার নেদারল্যান্ডস আয়োজিত এ উসবে দিনব্যাপী বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড় লেগে ছিল ক্রেতা আর দর্শনার্থীদের।এ উৎসবে দ্বিতীয় বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হয় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন। এতে অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাজে সেজে আসা বাংলাদেশি শিশু-কিশোরীরা। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দূতাবাসের বছরব্যাপী ব্যাপক প্রচারণার ফলশ্রুতিতে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় স্থানীয় অধিবাসী ও হেগের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিবার-পরিচন ও বন্ধুবান্ধবসহ এ উৎসবে অংশ নেয়।

বাংলাদেশের লোক-সংস্কৃতি আর হস্তশিল্পকে মূল থিম হিসেবে বিবেচনা করে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন সাজানো হয় নকশী কাঁথা ও অন্যান্য হস্তশিল্পকর্ম দিয়ে। বাংলাদেশের মুখরোচক বিভিন্ন খাবারের স্বাদ সবার কাছে পৌঁছে দিতে আয়োজন করা হয় চটপটি, সিঙারা, পেঁয়াজু, চপ, তেহারি, পাটিসাপটা ও নারকেল পুলির। দেশি-বিদেশি সব শ্রেণির দর্শণার্থীদের কাছে এসবের ছিল বিশেষ চাহিদা।

এ ছাড়া প্যাভিলিয়নে উপস্থাপন করা হয় গ্রাম বাংলার নারীদের তৈরি হস্তশিল্প- নকশী কাঁথা, মৃৎশিল্প পণ্য, ঢাকাই জামদামি, পাটজাত দ্রব্য, পিতলের তৈজসপত্র প্রভৃতি। এসব হস্তশিল্প পণ্য দর্শণার্থীদের কাছে দারুণ প্রশংসিত হয় এবং অনেককেই তাঁদের পছন্দসই হস্তশিল্প পণ্য সংগ্রহ করেন।

এ ছাড়া গ্রামীণ খেলনা বিনামূল্যে শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।সেইসঙ্গে কিশোরীদের লাল শাড়ি, রেশমী চুড়ি, মালা ও ফুলেল গয়নাসহ রঙিন বাংলাদেশি সাজ সবাইকে আকৃষ্ট করে। দর্শণার্থীদের অনেককেই বাংলাদেশি শিল্পীদের সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করতে দেখা যায়।

নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল ও তার স্ত্রী ড. দিলরুবা নাসরিন প্রায় সারাদিন বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে উপস্থিত থেকে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান এবং তাদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। প্যাভিলিয়নে ব্যাপক লোক সমাগমের সুযোগে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়নকাজ ও অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে তৈরি করা পোস্টার ও লিফলেট ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।

প্যাভিলিয়নে বিভিন্ন পণ্য থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দেশে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণকাজে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

নেদারল্যান্ডসে দূতাবাস উৎসবে বাংলাদেশ স্টলে উপচেপড়া ভিড়

আপডেট সময় ১১:৫১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নেদারল্যান্ডসে ৬২টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘দূতাবাস উৎসবে’ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ছিল উপচেপড়া ভিড়। এতে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা হয়। গত শনিবার নেদারল্যান্ডস আয়োজিত এ উসবে দিনব্যাপী বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড় লেগে ছিল ক্রেতা আর দর্শনার্থীদের।এ উৎসবে দ্বিতীয় বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হয় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন। এতে অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাজে সেজে আসা বাংলাদেশি শিশু-কিশোরীরা। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন দূতাবাসের বছরব্যাপী ব্যাপক প্রচারণার ফলশ্রুতিতে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় স্থানীয় অধিবাসী ও হেগের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিবার-পরিচন ও বন্ধুবান্ধবসহ এ উৎসবে অংশ নেয়।

বাংলাদেশের লোক-সংস্কৃতি আর হস্তশিল্পকে মূল থিম হিসেবে বিবেচনা করে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন সাজানো হয় নকশী কাঁথা ও অন্যান্য হস্তশিল্পকর্ম দিয়ে। বাংলাদেশের মুখরোচক বিভিন্ন খাবারের স্বাদ সবার কাছে পৌঁছে দিতে আয়োজন করা হয় চটপটি, সিঙারা, পেঁয়াজু, চপ, তেহারি, পাটিসাপটা ও নারকেল পুলির। দেশি-বিদেশি সব শ্রেণির দর্শণার্থীদের কাছে এসবের ছিল বিশেষ চাহিদা।

এ ছাড়া প্যাভিলিয়নে উপস্থাপন করা হয় গ্রাম বাংলার নারীদের তৈরি হস্তশিল্প- নকশী কাঁথা, মৃৎশিল্প পণ্য, ঢাকাই জামদামি, পাটজাত দ্রব্য, পিতলের তৈজসপত্র প্রভৃতি। এসব হস্তশিল্প পণ্য দর্শণার্থীদের কাছে দারুণ প্রশংসিত হয় এবং অনেককেই তাঁদের পছন্দসই হস্তশিল্প পণ্য সংগ্রহ করেন।

এ ছাড়া গ্রামীণ খেলনা বিনামূল্যে শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।সেইসঙ্গে কিশোরীদের লাল শাড়ি, রেশমী চুড়ি, মালা ও ফুলেল গয়নাসহ রঙিন বাংলাদেশি সাজ সবাইকে আকৃষ্ট করে। দর্শণার্থীদের অনেককেই বাংলাদেশি শিল্পীদের সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করতে দেখা যায়।

নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল ও তার স্ত্রী ড. দিলরুবা নাসরিন প্রায় সারাদিন বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে উপস্থিত থেকে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান এবং তাদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। প্যাভিলিয়নে ব্যাপক লোক সমাগমের সুযোগে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়নকাজ ও অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে তৈরি করা পোস্টার ও লিফলেট ইত্যাদি বিতরণ করা হয়।

প্যাভিলিয়নে বিভিন্ন পণ্য থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দেশে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণকাজে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।