ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জিদানই পেরেজের সবচেয়ে ‘কিপটে’ কোচ

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রিয়াল মাদ্রিদ মানেই দলবদলের বাজারে অর্থের ঝনঝনানি, তারকাদের মিলনমেলায় ‘গ্যালাকটিকোস স্কোয়াড!’ এত দিন রিয়ালকে এভাবেই চিনেছে সবাই। কিন্তু দুই মৌসুম ধরে পাল্টে গেছে দলটির ট্রান্সফার-নীতি। ফুটবলার কেনা-বেচার বাজারে টানা দুই মৌসুম লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিটি রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের জমানায় সবচেয়ে ‘মিতব্যয়ী কোচ’—জিনেদিন জিদান!

২০০০ সালে প্রথমবারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ‘তারকাপুঞ্জ’ গড়েছিলেন পেরেজ। তখনকার রিয়াল কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক এ জন্য দুই মৌসুমে ঢেলেছিলেন ২০ কোটি ইউরো। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হন পেরেজ। এরপর রিয়ালে ন্যূনতম দুই মৌসুম কাটিয়েছেন, এমন কোচদের মধ্যে ট্রান্সফার বাজারে ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো খরচ করেছেন হোসে মরিনহো। ২৯ কোটি ইউরো খরচ করে তাঁকে ছাপিয়ে যান কালো আনচেলত্তি।

জিদান কোচ হয়ে আসার পর এ পর্যন্ত দুই মৌসুমে খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছেন মোট ৮ কোটি ২৫ লাখ ইউরো। এ তুলনায় ফরাসি কিংবদন্তির সাফল্যের পাল্লা মরিনহো-আনচেলত্তির চেয়ে অনেক ভারী। মাত্র দুই মৌসুমেই সাত শিরোপা জিতে জিদান এখন রিয়ালের ইতিহাসে চতুর্থ সেরা কোচ। আবার খরচের দিক থেকেও পেরেজ-জমানায় বাকি কোচদের তুলনায় মিতব্যয়ী জিদান। এমনকি, সেটা রিয়ালে মাত্র এক মৌসুম দায়িত্বে ছিলেন এমন কোচদের মধ্যেও!

২০০৫ সালে রিয়াল কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভ্যান্ডারলেই লুক্সেমবার্গ।ট্রান্সফার বাজারে ৯ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঢেলে তিনি কোনো ফল পাননি, উল্টো ছাঁটাই হয়েছিলেন। ৭ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করা রাফায়েল বেনিতেজ টিকতে পারেননি ছয় মাসের বেশি। ২০০৯ সালে খেলোয়াড় কেনায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করেও পেরেজের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি। কিন্তু জিদান কোচের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম মৌসুমে (২০১৫-১৬) খরচ করেছিলেন মাত্র ৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, রিয়ালে সভাপতি থাকাকালীন জিদানের চেয়ে মিতব্যয়ী কোচ আর পাননি পেরেজ।
সদ্যই শেষ হওয়া গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার বাজারে খেলোয়াড় বিক্রি করে ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঘরে তুলেছে রিয়াল। এর বিপরীতে দানি সেবায়োস ও থিও হার্নান্দেজকে কিনতে জিদানের মোট খরচ হয়েছে ৪ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, চলতি মৌসুমে (২০১৭-১৮) ট্রান্সফার বাজারে ৭ কোটি ৯৫ লাখ ইউরো লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। আগের মৌসুমে তাঁদের লাভের অঙ্কটা ছিল ৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। এর আগে টানা ১৭ মৌসুম ট্রান্সফার বাজারে লাভের মুখ দেখেনি রিয়াল। এর মধ্যে শুধু ২০১২-১৩ মৌসুমে তাঁদের লাভ-ক্ষতির অঙ্কটা ছিল শূন্যের কোটায়।

সূত্র: মার্কা

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

জিদানই পেরেজের সবচেয়ে ‘কিপটে’ কোচ

আপডেট সময় ১২:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রিয়াল মাদ্রিদ মানেই দলবদলের বাজারে অর্থের ঝনঝনানি, তারকাদের মিলনমেলায় ‘গ্যালাকটিকোস স্কোয়াড!’ এত দিন রিয়ালকে এভাবেই চিনেছে সবাই। কিন্তু দুই মৌসুম ধরে পাল্টে গেছে দলটির ট্রান্সফার-নীতি। ফুটবলার কেনা-বেচার বাজারে টানা দুই মৌসুম লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিটি রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের জমানায় সবচেয়ে ‘মিতব্যয়ী কোচ’—জিনেদিন জিদান!

২০০০ সালে প্রথমবারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ‘তারকাপুঞ্জ’ গড়েছিলেন পেরেজ। তখনকার রিয়াল কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক এ জন্য দুই মৌসুমে ঢেলেছিলেন ২০ কোটি ইউরো। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হন পেরেজ। এরপর রিয়ালে ন্যূনতম দুই মৌসুম কাটিয়েছেন, এমন কোচদের মধ্যে ট্রান্সফার বাজারে ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো খরচ করেছেন হোসে মরিনহো। ২৯ কোটি ইউরো খরচ করে তাঁকে ছাপিয়ে যান কালো আনচেলত্তি।

জিদান কোচ হয়ে আসার পর এ পর্যন্ত দুই মৌসুমে খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছেন মোট ৮ কোটি ২৫ লাখ ইউরো। এ তুলনায় ফরাসি কিংবদন্তির সাফল্যের পাল্লা মরিনহো-আনচেলত্তির চেয়ে অনেক ভারী। মাত্র দুই মৌসুমেই সাত শিরোপা জিতে জিদান এখন রিয়ালের ইতিহাসে চতুর্থ সেরা কোচ। আবার খরচের দিক থেকেও পেরেজ-জমানায় বাকি কোচদের তুলনায় মিতব্যয়ী জিদান। এমনকি, সেটা রিয়ালে মাত্র এক মৌসুম দায়িত্বে ছিলেন এমন কোচদের মধ্যেও!

২০০৫ সালে রিয়াল কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভ্যান্ডারলেই লুক্সেমবার্গ।ট্রান্সফার বাজারে ৯ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঢেলে তিনি কোনো ফল পাননি, উল্টো ছাঁটাই হয়েছিলেন। ৭ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করা রাফায়েল বেনিতেজ টিকতে পারেননি ছয় মাসের বেশি। ২০০৯ সালে খেলোয়াড় কেনায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করেও পেরেজের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি। কিন্তু জিদান কোচের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম মৌসুমে (২০১৫-১৬) খরচ করেছিলেন মাত্র ৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, রিয়ালে সভাপতি থাকাকালীন জিদানের চেয়ে মিতব্যয়ী কোচ আর পাননি পেরেজ।
সদ্যই শেষ হওয়া গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার বাজারে খেলোয়াড় বিক্রি করে ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঘরে তুলেছে রিয়াল। এর বিপরীতে দানি সেবায়োস ও থিও হার্নান্দেজকে কিনতে জিদানের মোট খরচ হয়েছে ৪ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, চলতি মৌসুমে (২০১৭-১৮) ট্রান্সফার বাজারে ৭ কোটি ৯৫ লাখ ইউরো লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। আগের মৌসুমে তাঁদের লাভের অঙ্কটা ছিল ৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। এর আগে টানা ১৭ মৌসুম ট্রান্সফার বাজারে লাভের মুখ দেখেনি রিয়াল। এর মধ্যে শুধু ২০১২-১৩ মৌসুমে তাঁদের লাভ-ক্ষতির অঙ্কটা ছিল শূন্যের কোটায়।

সূত্র: মার্কা