ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

জিদানই পেরেজের সবচেয়ে ‘কিপটে’ কোচ

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রিয়াল মাদ্রিদ মানেই দলবদলের বাজারে অর্থের ঝনঝনানি, তারকাদের মিলনমেলায় ‘গ্যালাকটিকোস স্কোয়াড!’ এত দিন রিয়ালকে এভাবেই চিনেছে সবাই। কিন্তু দুই মৌসুম ধরে পাল্টে গেছে দলটির ট্রান্সফার-নীতি। ফুটবলার কেনা-বেচার বাজারে টানা দুই মৌসুম লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিটি রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের জমানায় সবচেয়ে ‘মিতব্যয়ী কোচ’—জিনেদিন জিদান!

২০০০ সালে প্রথমবারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ‘তারকাপুঞ্জ’ গড়েছিলেন পেরেজ। তখনকার রিয়াল কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক এ জন্য দুই মৌসুমে ঢেলেছিলেন ২০ কোটি ইউরো। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হন পেরেজ। এরপর রিয়ালে ন্যূনতম দুই মৌসুম কাটিয়েছেন, এমন কোচদের মধ্যে ট্রান্সফার বাজারে ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো খরচ করেছেন হোসে মরিনহো। ২৯ কোটি ইউরো খরচ করে তাঁকে ছাপিয়ে যান কালো আনচেলত্তি।

জিদান কোচ হয়ে আসার পর এ পর্যন্ত দুই মৌসুমে খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছেন মোট ৮ কোটি ২৫ লাখ ইউরো। এ তুলনায় ফরাসি কিংবদন্তির সাফল্যের পাল্লা মরিনহো-আনচেলত্তির চেয়ে অনেক ভারী। মাত্র দুই মৌসুমেই সাত শিরোপা জিতে জিদান এখন রিয়ালের ইতিহাসে চতুর্থ সেরা কোচ। আবার খরচের দিক থেকেও পেরেজ-জমানায় বাকি কোচদের তুলনায় মিতব্যয়ী জিদান। এমনকি, সেটা রিয়ালে মাত্র এক মৌসুম দায়িত্বে ছিলেন এমন কোচদের মধ্যেও!

২০০৫ সালে রিয়াল কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভ্যান্ডারলেই লুক্সেমবার্গ।ট্রান্সফার বাজারে ৯ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঢেলে তিনি কোনো ফল পাননি, উল্টো ছাঁটাই হয়েছিলেন। ৭ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করা রাফায়েল বেনিতেজ টিকতে পারেননি ছয় মাসের বেশি। ২০০৯ সালে খেলোয়াড় কেনায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করেও পেরেজের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি। কিন্তু জিদান কোচের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম মৌসুমে (২০১৫-১৬) খরচ করেছিলেন মাত্র ৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, রিয়ালে সভাপতি থাকাকালীন জিদানের চেয়ে মিতব্যয়ী কোচ আর পাননি পেরেজ।
সদ্যই শেষ হওয়া গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার বাজারে খেলোয়াড় বিক্রি করে ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঘরে তুলেছে রিয়াল। এর বিপরীতে দানি সেবায়োস ও থিও হার্নান্দেজকে কিনতে জিদানের মোট খরচ হয়েছে ৪ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, চলতি মৌসুমে (২০১৭-১৮) ট্রান্সফার বাজারে ৭ কোটি ৯৫ লাখ ইউরো লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। আগের মৌসুমে তাঁদের লাভের অঙ্কটা ছিল ৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। এর আগে টানা ১৭ মৌসুম ট্রান্সফার বাজারে লাভের মুখ দেখেনি রিয়াল। এর মধ্যে শুধু ২০১২-১৩ মৌসুমে তাঁদের লাভ-ক্ষতির অঙ্কটা ছিল শূন্যের কোটায়।

সূত্র: মার্কা

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

এআই ব্যবহার করে পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ অ্যাপ বানিয়ে ভাইরাল

জিদানই পেরেজের সবচেয়ে ‘কিপটে’ কোচ

আপডেট সময় ১২:৫৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রিয়াল মাদ্রিদ মানেই দলবদলের বাজারে অর্থের ঝনঝনানি, তারকাদের মিলনমেলায় ‘গ্যালাকটিকোস স্কোয়াড!’ এত দিন রিয়ালকে এভাবেই চিনেছে সবাই। কিন্তু দুই মৌসুম ধরে পাল্টে গেছে দলটির ট্রান্সফার-নীতি। ফুটবলার কেনা-বেচার বাজারে টানা দুই মৌসুম লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। এর নেপথ্যে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিটি রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের জমানায় সবচেয়ে ‘মিতব্যয়ী কোচ’—জিনেদিন জিদান!

২০০০ সালে প্রথমবারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ‘তারকাপুঞ্জ’ গড়েছিলেন পেরেজ। তখনকার রিয়াল কোচ ভিসেন্তে দেল বস্ক এ জন্য দুই মৌসুমে ঢেলেছিলেন ২০ কোটি ইউরো। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো রিয়াল সভাপতি নির্বাচিত হন পেরেজ। এরপর রিয়ালে ন্যূনতম দুই মৌসুম কাটিয়েছেন, এমন কোচদের মধ্যে ট্রান্সফার বাজারে ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো খরচ করেছেন হোসে মরিনহো। ২৯ কোটি ইউরো খরচ করে তাঁকে ছাপিয়ে যান কালো আনচেলত্তি।

জিদান কোচ হয়ে আসার পর এ পর্যন্ত দুই মৌসুমে খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছেন মোট ৮ কোটি ২৫ লাখ ইউরো। এ তুলনায় ফরাসি কিংবদন্তির সাফল্যের পাল্লা মরিনহো-আনচেলত্তির চেয়ে অনেক ভারী। মাত্র দুই মৌসুমেই সাত শিরোপা জিতে জিদান এখন রিয়ালের ইতিহাসে চতুর্থ সেরা কোচ। আবার খরচের দিক থেকেও পেরেজ-জমানায় বাকি কোচদের তুলনায় মিতব্যয়ী জিদান। এমনকি, সেটা রিয়ালে মাত্র এক মৌসুম দায়িত্বে ছিলেন এমন কোচদের মধ্যেও!

২০০৫ সালে রিয়াল কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভ্যান্ডারলেই লুক্সেমবার্গ।ট্রান্সফার বাজারে ৯ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঢেলে তিনি কোনো ফল পাননি, উল্টো ছাঁটাই হয়েছিলেন। ৭ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করা রাফায়েল বেনিতেজ টিকতে পারেননি ছয় মাসের বেশি। ২০০৯ সালে খেলোয়াড় কেনায় ২৫ কোটি ৪০ লাখ ইউরো খরচ করেও পেরেজের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি। কিন্তু জিদান কোচের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম মৌসুমে (২০১৫-১৬) খরচ করেছিলেন মাত্র ৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, রিয়ালে সভাপতি থাকাকালীন জিদানের চেয়ে মিতব্যয়ী কোচ আর পাননি পেরেজ।
সদ্যই শেষ হওয়া গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার বাজারে খেলোয়াড় বিক্রি করে ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো ঘরে তুলেছে রিয়াল। এর বিপরীতে দানি সেবায়োস ও থিও হার্নান্দেজকে কিনতে জিদানের মোট খরচ হয়েছে ৪ কোটি ৬৫ লাখ ইউরো। অর্থাৎ, চলতি মৌসুমে (২০১৭-১৮) ট্রান্সফার বাজারে ৭ কোটি ৯৫ লাখ ইউরো লাভের মুখ দেখেছে রিয়াল। আগের মৌসুমে তাঁদের লাভের অঙ্কটা ছিল ৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। এর আগে টানা ১৭ মৌসুম ট্রান্সফার বাজারে লাভের মুখ দেখেনি রিয়াল। এর মধ্যে শুধু ২০১২-১৩ মৌসুমে তাঁদের লাভ-ক্ষতির অঙ্কটা ছিল শূন্যের কোটায়।

সূত্র: মার্কা