ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সমুদ্রের গভীরে ৩০টি নতুন প্রজাতির সন্ধান, অবাক বিজ্ঞানীরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

‘গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ’ নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নীল সমুদ্রের সীমাহীন জলরাশির ছবি। বেশ কিছু আগ্নেয় দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এটি একটি দ্বীপপুঞ্জ।

প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুব রেখার দুই পাশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই দ্বীপগুলো মহাদেশীয় ইকুয়েডর থেকে ৯৭২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। বর্তমানে এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত পেয়েছে, মূলত তার অনন্য সাধারণ জীববৈচিত্র্যের কারণে।

ইকুয়েডরের গালাপাগোস প্রদেশের অন্তর্গত এবং দেশটির জাতীয় পার্ক সিস্টেমের অংশ। এই দ্বীপপুঞ্জের মানুষদের প্রধান ভাষা স্পেনীয়।
দ্বীপগুলোতে প্রচুর এন্ডেমিক তথা বিরল প্রজাতি আছে। এই প্রজাতিগুলো গালাপাগোস ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না। শুধু তাই নয়, বিবর্তন তত্ত্বের জনক চার্লস ডারউইন তার বিগল ডাত্রার সময় এই দ্বীপে এসেছিলেন।

এবার অপার সৌন্দর্যে ভরা এই দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৩০ টি বিরল প্রজাতির প্রাণের সন্ধান আবিষ্কার করেছেন একদল সমুদ্র বিজ্ঞানীরা।

এই বিষয়ে ইকুয়াডোরা দ্বীপপুঞ্জের জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছেন যে, গালাপাগোসের চারপাশের গভীর জলে ৩০ টি নতুন প্রজাতির ইনভারটেট্রেটস আবিষ্কার করেছেন সমুদ্র বিজ্ঞানীরা। গভীর সমুদ্র থেকে বিশেষজ্ঞরা ১০টি বাঁশের প্রবাল, চারটি অষ্টকোষ, একটি সহ ভঙ্গুর প্রবাল এবং স্পঞ্জ গোত্রীয় জিনিসের আবিষ্কার করেছেন। এছাড়াও ভঙ্গুর তারকা এবং ১১ টি স্পঞ্জ পাশাপাশি স্কোয়াট-লবস্টার্স নামে পরিচিত চারটি নতুন প্রজাতির ক্রাস্টাসিয়ান লবস্টার্সের আবিষ্কার করেছেন তারা।

“এই আবিষ্কারগুলোর মধ্যে ক্রান্তীয় পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিশালাকার একাকী একটি নরম প্রবাল রয়েছে। কাঁচের মতো স্বচ্ছ স্পঞ্জের একটি নতুন জিনিস আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। যেটি প্রস্থে এক মিটারেরও বেশি।

গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে সিডিএফের বিজ্ঞানীরা জাতীয় উদ্যান অধিদফতর এবং ওশান এক্সপ্লোরেশন ট্রাস্টের সহযোগিতায় অত্যাধুনিক রিমোট অপারেটেড জিনিসপত্র(আরওভি) ব্যবহার করে ৩,৪০০ মিটার গভীরতায় গভীর সমুদ্রের বাস্তুসংস্থান অনুসন্ধানে নেমেছিলেন। আর সেখান থেকেই বিরল ৩০টি প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ইকুয়েডর থেকে ১০০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জটি। এটি একটি ভঙ্গুর বাস্তুসংস্থান। যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রজাতির বৃহত্তম সংখ্যক জীবেরা আশ্রয় নেয়। শুধু তাই নয়, দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয় এই জায়গাটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সমুদ্রের গভীরে ৩০টি নতুন প্রজাতির সন্ধান, অবাক বিজ্ঞানীরা

আপডেট সময় ০৯:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

‘গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ’ নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নীল সমুদ্রের সীমাহীন জলরাশির ছবি। বেশ কিছু আগ্নেয় দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এটি একটি দ্বীপপুঞ্জ।

প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুব রেখার দুই পাশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই দ্বীপগুলো মহাদেশীয় ইকুয়েডর থেকে ৯৭২ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। বর্তমানে এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত পেয়েছে, মূলত তার অনন্য সাধারণ জীববৈচিত্র্যের কারণে।

ইকুয়েডরের গালাপাগোস প্রদেশের অন্তর্গত এবং দেশটির জাতীয় পার্ক সিস্টেমের অংশ। এই দ্বীপপুঞ্জের মানুষদের প্রধান ভাষা স্পেনীয়।
দ্বীপগুলোতে প্রচুর এন্ডেমিক তথা বিরল প্রজাতি আছে। এই প্রজাতিগুলো গালাপাগোস ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না। শুধু তাই নয়, বিবর্তন তত্ত্বের জনক চার্লস ডারউইন তার বিগল ডাত্রার সময় এই দ্বীপে এসেছিলেন।

এবার অপার সৌন্দর্যে ভরা এই দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৩০ টি বিরল প্রজাতির প্রাণের সন্ধান আবিষ্কার করেছেন একদল সমুদ্র বিজ্ঞানীরা।

এই বিষয়ে ইকুয়াডোরা দ্বীপপুঞ্জের জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছেন যে, গালাপাগোসের চারপাশের গভীর জলে ৩০ টি নতুন প্রজাতির ইনভারটেট্রেটস আবিষ্কার করেছেন সমুদ্র বিজ্ঞানীরা। গভীর সমুদ্র থেকে বিশেষজ্ঞরা ১০টি বাঁশের প্রবাল, চারটি অষ্টকোষ, একটি সহ ভঙ্গুর প্রবাল এবং স্পঞ্জ গোত্রীয় জিনিসের আবিষ্কার করেছেন। এছাড়াও ভঙ্গুর তারকা এবং ১১ টি স্পঞ্জ পাশাপাশি স্কোয়াট-লবস্টার্স নামে পরিচিত চারটি নতুন প্রজাতির ক্রাস্টাসিয়ান লবস্টার্সের আবিষ্কার করেছেন তারা।

“এই আবিষ্কারগুলোর মধ্যে ক্রান্তীয় পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিশালাকার একাকী একটি নরম প্রবাল রয়েছে। কাঁচের মতো স্বচ্ছ স্পঞ্জের একটি নতুন জিনিস আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। যেটি প্রস্থে এক মিটারেরও বেশি।

গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে সিডিএফের বিজ্ঞানীরা জাতীয় উদ্যান অধিদফতর এবং ওশান এক্সপ্লোরেশন ট্রাস্টের সহযোগিতায় অত্যাধুনিক রিমোট অপারেটেড জিনিসপত্র(আরওভি) ব্যবহার করে ৩,৪০০ মিটার গভীরতায় গভীর সমুদ্রের বাস্তুসংস্থান অনুসন্ধানে নেমেছিলেন। আর সেখান থেকেই বিরল ৩০টি প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ইকুয়েডর থেকে ১০০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জটি। এটি একটি ভঙ্গুর বাস্তুসংস্থান। যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রজাতির বৃহত্তম সংখ্যক জীবেরা আশ্রয় নেয়। শুধু তাই নয়, দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয় এই জায়গাটি।