ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

স্ত্রী নিয়ে সংঘর্ষে প্রথম স্বামীর মৃত্যু, দ্বিতীয় স্বামীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর সংঘর্ষে প্রাণ গেল প্রথম স্বামী মো. শাহ আলম বিশ্বাসের (৫০)। সংঘর্ষ হওয়ার ১০ দিনের মাথায় গত শনিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহ আলম। দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমান হাওলাদারের (৪৮) অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

সোমবার সকালে শাহ আলমের লাশ তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে থানা পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় দুই যুগ আগে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামের আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে শাহ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মেয়ে নূপুর বেগমের (৩৫)। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল দাম্পত্য কলহ। এ কারণে শাহ আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দ্বিতীয় বিয়ে করেন নূপুর বেগম। এ নিয়ে দুই স্বামীর মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে প্রথম স্বামী শাহ আলম বিশ্বাস চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানকে। এসময় রহমানের আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসে শাহ আলমকেও আটকে বেদম মারধর করে।

প্রথম পর্যায়ে গুরুতর আহত দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছিল। যার ফলে, প্রথম স্বামী শাহ আলমকে মারধরের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। ভীতসন্ত্রস্ত স্বজনরা শাহ আলমকে ওই রাতে গোপনে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত খুলনা মেডিক্যালে (খুমেক) রেফার্ড করান। পরবর্তীতে খুমেকে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় শাহ আলমকে। ঘটনার ১০ দিনের মাথায় গত শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, শাহ আলমের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে মারামারির ঘটনার আ. রহমানের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

স্ত্রী নিয়ে সংঘর্ষে প্রথম স্বামীর মৃত্যু, দ্বিতীয় স্বামীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর সংঘর্ষে প্রাণ গেল প্রথম স্বামী মো. শাহ আলম বিশ্বাসের (৫০)। সংঘর্ষ হওয়ার ১০ দিনের মাথায় গত শনিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহ আলম। দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমান হাওলাদারের (৪৮) অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

সোমবার সকালে শাহ আলমের লাশ তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে থানা পুলিশ জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় দুই যুগ আগে উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামের আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে শাহ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মেয়ে নূপুর বেগমের (৩৫)। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল দাম্পত্য কলহ। এ কারণে শাহ আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দ্বিতীয় বিয়ে করেন নূপুর বেগম। এ নিয়ে দুই স্বামীর মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে প্রথম স্বামী শাহ আলম বিশ্বাস চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানকে। এসময় রহমানের আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসে শাহ আলমকেও আটকে বেদম মারধর করে।

প্রথম পর্যায়ে গুরুতর আহত দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছিল। যার ফলে, প্রথম স্বামী শাহ আলমকে মারধরের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। ভীতসন্ত্রস্ত স্বজনরা শাহ আলমকে ওই রাতে গোপনে শরণখোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত খুলনা মেডিক্যালে (খুমেক) রেফার্ড করান। পরবর্তীতে খুমেকে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয় শাহ আলমকে। ঘটনার ১০ দিনের মাথায় গত শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, শাহ আলমের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে মারামারির ঘটনার আ. রহমানের পক্ষে একটি মামলা দায়ের করা হয়।