ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ঈদে নতুন জামা না কিনে মাস্ক বিতরণ করল ৫ম শ্রেণির ছাত্র

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আবদুর রহিম, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। করোনাকালীন মুখে মাস্ক পরে না অনেকে। এমনটা দেখে কষ্ট পায়। ঈদের নতুন জামা লাগবে না। ওই টাকায় মাস্ক কিনে বিতরণ করার বায়না ধরে বাবার কাছে। যারা মাস্ক পড়ে না তাদের সে মাস্ক দিবে। তার মতো বয়সী ছেলেদের সচেতন করবে।

বাধ্য হয়ে রাজমিস্ত্রি বাবা মাকসুদুর রহমান এক হাজার মাস্ক কিনে দেন। মঙ্গলবার ওই মাস্ক নিয়ে আবদুর রহিম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের কাছে আসে। একই সঙ্গে তার ইচ্ছের কথা বলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার্থী আবদুর রহিমের কথা শুনে খুশি হয়ে ওকে নিয়ে বেড় হন মাস্ক বিতরণ করতে। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বিতরণ করা হয় ওই মাস্ক।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এমন প্রশংসিত উদ্যোগকে স্বাগত জানান, স্থানীয়রা।

আবদুর রহিমের পিতা পেশায় রাজমিস্ত্রি। থাকেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। পতেঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবদুর রহিম। ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার তালতলী এলাকায় বাড়ি।

ঈদে বাড়ি এসে এলাকায় ছোট-বড় সবাইকে মাস্ক ছাড়া পথেঘাটে চলাচল করতে দেখে কষ্ট পায় আবদুর রহিম। এদের সচেতন করতে তার এই উদ্যোগ। বেশিরভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন নয়। এরা মাস্ক ব্যবহার করে না। করোনা আতংককে অবহেলা করে। এদের সচেতন করতেই মাস্ক বিতরণ করে আবদুর রহিম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদে নতুন জামা না কিনে মাস্ক বিতরণ করল ৫ম শ্রেণির ছাত্র

আপডেট সময় ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আবদুর রহিম, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। করোনাকালীন মুখে মাস্ক পরে না অনেকে। এমনটা দেখে কষ্ট পায়। ঈদের নতুন জামা লাগবে না। ওই টাকায় মাস্ক কিনে বিতরণ করার বায়না ধরে বাবার কাছে। যারা মাস্ক পড়ে না তাদের সে মাস্ক দিবে। তার মতো বয়সী ছেলেদের সচেতন করবে।

বাধ্য হয়ে রাজমিস্ত্রি বাবা মাকসুদুর রহমান এক হাজার মাস্ক কিনে দেন। মঙ্গলবার ওই মাস্ক নিয়ে আবদুর রহিম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের কাছে আসে। একই সঙ্গে তার ইচ্ছের কথা বলে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিক্ষার্থী আবদুর রহিমের কথা শুনে খুশি হয়ে ওকে নিয়ে বেড় হন মাস্ক বিতরণ করতে। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বিতরণ করা হয় ওই মাস্ক।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এমন প্রশংসিত উদ্যোগকে স্বাগত জানান, স্থানীয়রা।

আবদুর রহিমের পিতা পেশায় রাজমিস্ত্রি। থাকেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। পতেঙ্গা আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবদুর রহিম। ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার তালতলী এলাকায় বাড়ি।

ঈদে বাড়ি এসে এলাকায় ছোট-বড় সবাইকে মাস্ক ছাড়া পথেঘাটে চলাচল করতে দেখে কষ্ট পায় আবদুর রহিম। এদের সচেতন করতে তার এই উদ্যোগ। বেশিরভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন নয়। এরা মাস্ক ব্যবহার করে না। করোনা আতংককে অবহেলা করে। এদের সচেতন করতেই মাস্ক বিতরণ করে আবদুর রহিম।