ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

ধর্ষক রাম রহিমের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত শুক্রবার পাচকুলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর গুরমিত রাম রহিম আদালতের কাছে তার ‘লাল ব্যাগ’টি চান, সিরসায় ডেরা সাচ্চা সওদার মূল আশ্রম থেকে যেটি তিনি নিয়ে এসেছিলেন। পুলিশ বলছে, ওই লাল ব্যাগ চাওয়াটা আদতে সমর্থকদের উসকে দেওয়ার সংকেত।

ভারতের ধর্ষক ধর্মগুরু রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করার দিন তার সমর্থকরা তাকে মুক্ত করতে এই চেষ্টা চালায় বলে বুধবার হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে।

“ডেরাপ্রধান ওই ব্যাগটি চেয়ে বলেন সেখানে তার পোশাক আছে। আসলে এটা ছিল একটা সংকেত যার মাধ্যমে সমর্থকদের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর এবং একইসঙ্গে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে উসকানি দেন তিনি,” বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেন হরিয়ান পুলিশের মহাপরিদর্শক কে কে রাও।

ধর্মগুরুর এসইউভি থেকে যখন ব্যাগটি বের করা হয়, তখন আদালতের ২-৩ কিলোমিটার দূরে কাঁদানে গ্যাসের শেলের শব্দ শোনা যায় বলে জানান এই কর্মকর্তা।

রাম রহিম এবং তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রিত ইনসান যখন আদালত চত্বরেও অহেতুক সময় নষ্ট করছিলেন তখন পুলিশের সন্দেহ বেড়ে যায় বলেও জানান রাও। সবসময়ের সঙ্গী হানিপ্রীত ডেরাপ্রধানের সঙ্গে আদালত থেকে রোহতাক জেল পর্যন্ত যান।

তখনই আমরা বুঝতে পারি এটা একটা সংকেতের যার কোনো একটা মানে আছে। “২-৩ কিলোমিটার দূরেই ছিল উন্মত্ত জনতা, তারা কাছেও চলে আসতে পারতো। আমরা কখনোই সহিংসতা চাইনি, হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারতো,” বলেন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে রাম রহিমকে তার এসইউভির পরিবর্তে পুলিশ কর্মকর্তা সুমিত কুমারের গাড়িতে তোলা হয়। গাড়ি চলতে শুরু করলে স্বঘোষিত ধর্মগুরুর নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে। “ওই পরিস্থিতি আমরা ভালোই সামলেছি, কেননা কোনো গুলি ছোড়া লাগে নি,” বলেন রাও।

সেখানে থাকা সমর্থকদের কাছে অস্ত্র থাকতে পারে এবং তারা পুলিশ এসকর্টকে আক্রমণ করতে পারে এই চিন্তায় তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রাপথ ও পরিকল্পনা বদলে সেনানিবাস এলাকার ভেতর দিয়ে রাম রহিমকে নিয়ে যাওয়া হয়।

“আমরা যখন সেনানিবাসের পথ ধরি তখন ডেরাপ্রধানের ব্যক্তিগত কমান্ডোরা পুলিশের গাড়িগুলোকে জোরপূর্বক আটকানোর চেষ্টা করে; ওই কমান্ডোদের সরিয়ে পরে হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়,” বলেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষক রাম রহিমের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ

আপডেট সময় ০৫:১২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত শুক্রবার পাচকুলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর গুরমিত রাম রহিম আদালতের কাছে তার ‘লাল ব্যাগ’টি চান, সিরসায় ডেরা সাচ্চা সওদার মূল আশ্রম থেকে যেটি তিনি নিয়ে এসেছিলেন। পুলিশ বলছে, ওই লাল ব্যাগ চাওয়াটা আদতে সমর্থকদের উসকে দেওয়ার সংকেত।

ভারতের ধর্ষক ধর্মগুরু রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করার দিন তার সমর্থকরা তাকে মুক্ত করতে এই চেষ্টা চালায় বলে বুধবার হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে।

“ডেরাপ্রধান ওই ব্যাগটি চেয়ে বলেন সেখানে তার পোশাক আছে। আসলে এটা ছিল একটা সংকেত যার মাধ্যমে সমর্থকদের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর এবং একইসঙ্গে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে উসকানি দেন তিনি,” বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেন হরিয়ান পুলিশের মহাপরিদর্শক কে কে রাও।

ধর্মগুরুর এসইউভি থেকে যখন ব্যাগটি বের করা হয়, তখন আদালতের ২-৩ কিলোমিটার দূরে কাঁদানে গ্যাসের শেলের শব্দ শোনা যায় বলে জানান এই কর্মকর্তা।

রাম রহিম এবং তার ‘দত্তক কন্যা’ হানিপ্রিত ইনসান যখন আদালত চত্বরেও অহেতুক সময় নষ্ট করছিলেন তখন পুলিশের সন্দেহ বেড়ে যায় বলেও জানান রাও। সবসময়ের সঙ্গী হানিপ্রীত ডেরাপ্রধানের সঙ্গে আদালত থেকে রোহতাক জেল পর্যন্ত যান।

তখনই আমরা বুঝতে পারি এটা একটা সংকেতের যার কোনো একটা মানে আছে। “২-৩ কিলোমিটার দূরেই ছিল উন্মত্ত জনতা, তারা কাছেও চলে আসতে পারতো। আমরা কখনোই সহিংসতা চাইনি, হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারতো,” বলেন তিনি।

তাৎক্ষণিকভাবে রাম রহিমকে তার এসইউভির পরিবর্তে পুলিশ কর্মকর্তা সুমিত কুমারের গাড়িতে তোলা হয়। গাড়ি চলতে শুরু করলে স্বঘোষিত ধর্মগুরুর নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে। “ওই পরিস্থিতি আমরা ভালোই সামলেছি, কেননা কোনো গুলি ছোড়া লাগে নি,” বলেন রাও।

সেখানে থাকা সমর্থকদের কাছে অস্ত্র থাকতে পারে এবং তারা পুলিশ এসকর্টকে আক্রমণ করতে পারে এই চিন্তায় তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রাপথ ও পরিকল্পনা বদলে সেনানিবাস এলাকার ভেতর দিয়ে রাম রহিমকে নিয়ে যাওয়া হয়।

“আমরা যখন সেনানিবাসের পথ ধরি তখন ডেরাপ্রধানের ব্যক্তিগত কমান্ডোরা পুলিশের গাড়িগুলোকে জোরপূর্বক আটকানোর চেষ্টা করে; ওই কমান্ডোদের সরিয়ে পরে হাজতে নিয়ে যাওয়া হয়,” বলেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।