ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ কাঠামোর ওপর প্রতিমন্ত্রীর জোর ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’:চিফ প্রসিকিউটর উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল ফারাক্কার চেয়ে বড় মরণফাঁদ হচ্ছে নেতৃত্ব সংস্কারের গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থতা মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত

করোনা গবেষণায় বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

জাপানের সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’কে এবার ব্যবহার করা হবে করোনা গবেষণায়। হাই পারফরম্যান্স যুক্ত বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। এই সুপার কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়েই করোনার জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজ শুরু করা হবে।

বিশ্বের দ্রুততম ‘ফুগাকু’ সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে জাপানি টেক জায়ান্ট ফুজিৎসু ও রিকেন।

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই দুই টেকনোলজি ফার্মের তৈরি সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর মধ্যে রয়েছে দেড় লক্ষ হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসিং ইউনিট।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামিট’ সিস্টেমের থেকেও দ্রুতগতির ও উন্নত হাই-স্পিডযুক্ত সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’। মার্কিন ‘সামিট’ সিস্টেমটি তৈরি করেছে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি।

বিশ্বের সেরা ৫০০ সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমের মধ্যে দু’নম্বরে রয়েছে সামিট সিস্টেম।

রিকেন টেকের ডিরেক্টর সাতোশি মাৎসউকা বলেন, ‘মার্কিন সুপার কম্পিউটার সামিট সিস্টেমের থেকেও ২.৮ গুণ বেশি স্পিডে কাজ করতে পারে ‘ফুগাকু’। বিশ্বের আধুনিক সুপার কম্পিউটার যেমন এইচপিসিজি, এইচপিএল-এআই ও গ্রাফ ৫০০-র থেকেও এগিয়ে রয়েছে ফুগাকু।”

সাতোশির দাবি, “বিশ্বে প্রথম কোনও সিঙ্গল সিস্টেম সুপার কম্পিউটার ইতিহাস তৈরির পথে এগিয়ে চলেছে।”

জানা যায়, ছ’বছর ধরে এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ফুজিৎসু টেক গ্রুপ। তাদের আশা আগামী বছরেই এই সুপার কম্পিউটার কাজ শুরু করে দেবে। তবে করোনা গবেষণার কাজে এই প্রথম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হবে।

ভাইরাসের জিনের গঠনের বদল বা জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজে সাহায্য করবে এই কম্পিউটার। এমনকী, জনবহুল জায়গায় ভাইরাসের ড্রপলেট কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তার ডেটাও অ্যানালিসিস করবে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটারটি।

সর্বোপরি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্তির উপায়ও বার করা যাবে এই হাই-পারফরম্যান্সযুক্ত সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমকে কজে লাগিয়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ কাঠামোর ওপর প্রতিমন্ত্রীর জোর

করোনা গবেষণায় বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার

আপডেট সময় ০৯:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

জাপানের সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’কে এবার ব্যবহার করা হবে করোনা গবেষণায়। হাই পারফরম্যান্স যুক্ত বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। এই সুপার কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়েই করোনার জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজ শুরু করা হবে।

বিশ্বের দ্রুততম ‘ফুগাকু’ সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে জাপানি টেক জায়ান্ট ফুজিৎসু ও রিকেন।

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই দুই টেকনোলজি ফার্মের তৈরি সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর মধ্যে রয়েছে দেড় লক্ষ হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসিং ইউনিট।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামিট’ সিস্টেমের থেকেও দ্রুতগতির ও উন্নত হাই-স্পিডযুক্ত সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’। মার্কিন ‘সামিট’ সিস্টেমটি তৈরি করেছে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি।

বিশ্বের সেরা ৫০০ সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমের মধ্যে দু’নম্বরে রয়েছে সামিট সিস্টেম।

রিকেন টেকের ডিরেক্টর সাতোশি মাৎসউকা বলেন, ‘মার্কিন সুপার কম্পিউটার সামিট সিস্টেমের থেকেও ২.৮ গুণ বেশি স্পিডে কাজ করতে পারে ‘ফুগাকু’। বিশ্বের আধুনিক সুপার কম্পিউটার যেমন এইচপিসিজি, এইচপিএল-এআই ও গ্রাফ ৫০০-র থেকেও এগিয়ে রয়েছে ফুগাকু।”

সাতোশির দাবি, “বিশ্বে প্রথম কোনও সিঙ্গল সিস্টেম সুপার কম্পিউটার ইতিহাস তৈরির পথে এগিয়ে চলেছে।”

জানা যায়, ছ’বছর ধরে এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ফুজিৎসু টেক গ্রুপ। তাদের আশা আগামী বছরেই এই সুপার কম্পিউটার কাজ শুরু করে দেবে। তবে করোনা গবেষণার কাজে এই প্রথম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হবে।

ভাইরাসের জিনের গঠনের বদল বা জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজে সাহায্য করবে এই কম্পিউটার। এমনকী, জনবহুল জায়গায় ভাইরাসের ড্রপলেট কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তার ডেটাও অ্যানালিসিস করবে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটারটি।

সর্বোপরি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্তির উপায়ও বার করা যাবে এই হাই-পারফরম্যান্সযুক্ত সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমকে কজে লাগিয়ে।