ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

করোনা গবেষণায় বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

জাপানের সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’কে এবার ব্যবহার করা হবে করোনা গবেষণায়। হাই পারফরম্যান্স যুক্ত বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। এই সুপার কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়েই করোনার জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজ শুরু করা হবে।

বিশ্বের দ্রুততম ‘ফুগাকু’ সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে জাপানি টেক জায়ান্ট ফুজিৎসু ও রিকেন।

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই দুই টেকনোলজি ফার্মের তৈরি সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর মধ্যে রয়েছে দেড় লক্ষ হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসিং ইউনিট।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামিট’ সিস্টেমের থেকেও দ্রুতগতির ও উন্নত হাই-স্পিডযুক্ত সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’। মার্কিন ‘সামিট’ সিস্টেমটি তৈরি করেছে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি।

বিশ্বের সেরা ৫০০ সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমের মধ্যে দু’নম্বরে রয়েছে সামিট সিস্টেম।

রিকেন টেকের ডিরেক্টর সাতোশি মাৎসউকা বলেন, ‘মার্কিন সুপার কম্পিউটার সামিট সিস্টেমের থেকেও ২.৮ গুণ বেশি স্পিডে কাজ করতে পারে ‘ফুগাকু’। বিশ্বের আধুনিক সুপার কম্পিউটার যেমন এইচপিসিজি, এইচপিএল-এআই ও গ্রাফ ৫০০-র থেকেও এগিয়ে রয়েছে ফুগাকু।”

সাতোশির দাবি, “বিশ্বে প্রথম কোনও সিঙ্গল সিস্টেম সুপার কম্পিউটার ইতিহাস তৈরির পথে এগিয়ে চলেছে।”

জানা যায়, ছ’বছর ধরে এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ফুজিৎসু টেক গ্রুপ। তাদের আশা আগামী বছরেই এই সুপার কম্পিউটার কাজ শুরু করে দেবে। তবে করোনা গবেষণার কাজে এই প্রথম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হবে।

ভাইরাসের জিনের গঠনের বদল বা জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজে সাহায্য করবে এই কম্পিউটার। এমনকী, জনবহুল জায়গায় ভাইরাসের ড্রপলেট কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তার ডেটাও অ্যানালিসিস করবে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটারটি।

সর্বোপরি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্তির উপায়ও বার করা যাবে এই হাই-পারফরম্যান্সযুক্ত সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমকে কজে লাগিয়ে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

করোনা গবেষণায় বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটার

আপডেট সময় ০৯:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

জাপানের সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’কে এবার ব্যবহার করা হবে করোনা গবেষণায়। হাই পারফরম্যান্স যুক্ত বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত। এই সুপার কম্পিউটারকে কাজে লাগিয়েই করোনার জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজ শুরু করা হবে।

বিশ্বের দ্রুততম ‘ফুগাকু’ সুপার কম্পিউটারটি তৈরি করেছে জাপানি টেক জায়ান্ট ফুজিৎসু ও রিকেন।

সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত এই দুই টেকনোলজি ফার্মের তৈরি সুপার কম্পিউটার ফুগাকুর মধ্যে রয়েছে দেড় লক্ষ হাই-পারফরম্যান্স প্রসেসিং ইউনিট।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামিট’ সিস্টেমের থেকেও দ্রুতগতির ও উন্নত হাই-স্পিডযুক্ত সুপার কম্পিউটার ‘ফুগাকু’। মার্কিন ‘সামিট’ সিস্টেমটি তৈরি করেছে ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি।

বিশ্বের সেরা ৫০০ সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমের মধ্যে দু’নম্বরে রয়েছে সামিট সিস্টেম।

রিকেন টেকের ডিরেক্টর সাতোশি মাৎসউকা বলেন, ‘মার্কিন সুপার কম্পিউটার সামিট সিস্টেমের থেকেও ২.৮ গুণ বেশি স্পিডে কাজ করতে পারে ‘ফুগাকু’। বিশ্বের আধুনিক সুপার কম্পিউটার যেমন এইচপিসিজি, এইচপিএল-এআই ও গ্রাফ ৫০০-র থেকেও এগিয়ে রয়েছে ফুগাকু।”

সাতোশির দাবি, “বিশ্বে প্রথম কোনও সিঙ্গল সিস্টেম সুপার কম্পিউটার ইতিহাস তৈরির পথে এগিয়ে চলেছে।”

জানা যায়, ছ’বছর ধরে এই সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ফুজিৎসু টেক গ্রুপ। তাদের আশা আগামী বছরেই এই সুপার কম্পিউটার কাজ শুরু করে দেবে। তবে করোনা গবেষণার কাজে এই প্রথম সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হবে।

ভাইরাসের জিনের গঠনের বদল বা জেনেটিক মিউটেশন বিশ্লেষণের কাজে সাহায্য করবে এই কম্পিউটার। এমনকী, জনবহুল জায়গায় ভাইরাসের ড্রপলেট কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে তার ডেটাও অ্যানালিসিস করবে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটারটি।

সর্বোপরি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্তির উপায়ও বার করা যাবে এই হাই-পারফরম্যান্সযুক্ত সুপার কম্পিউটিং সিস্টেমকে কজে লাগিয়ে।