ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা আবু তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ফোকরাকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর সোয়া ১টার দিকে র‌্যাব-১২ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ফোকরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নওগার বদলগাছী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ফোকরাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১২’র সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রাথমিকভাবে তালেব হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ফোকরাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে র‌্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালি-বনানী দ্বিতীয় বাইপাস সড়কের কর্ণপুর পূর্বপাড়া গ্রামের একটি ঝোপ থেকে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র (চাকু), ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি মোবাইল ও ৩টি সিমকার্ড উদ্ধার করে।

গত ১৪ জুন রোববার দুপুর পৌনে ২টার দিকে যুবলীগ নেতা আবু তালেবকে (৩০) সদর উপজেলার আকাশতারা জুট মিলের সামনে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। তিনি সাবগ্রাম বাজার ইউনিট যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত তালেবের স্ত্রী বাদি হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

ঘটনার পর গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ বারপুর এলাকা থেকে রক্তমাখা পোশাকে চাঁন মিয়া ও বাপ্পা নামে দুই আসামিকে আটক করে। সেই সঙ্গে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত চাকুও উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়ানোর কারণে আসামিরা রক্তমাখা পোশাক পরিবর্তন করতে পারেননি বলে জানান।

র‌্যাব-১২-এর স্কোয়াড কমান্ডার (সহকারী পুরিশ সুপার) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, র‌্যাবের এ ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধ বিরোধী আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে। আইনশৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আবু তালেব হত্যার প্রধান আসামি ফোকরাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:৩০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা আবু তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ফোকরাকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর সোয়া ১টার দিকে র‌্যাব-১২ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ফোকরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নওগার বদলগাছী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ফোকরাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১২’র সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রাথমিকভাবে তালেব হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ফোকরাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে র‌্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালি-বনানী দ্বিতীয় বাইপাস সড়কের কর্ণপুর পূর্বপাড়া গ্রামের একটি ঝোপ থেকে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র (চাকু), ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি মোবাইল ও ৩টি সিমকার্ড উদ্ধার করে।

গত ১৪ জুন রোববার দুপুর পৌনে ২টার দিকে যুবলীগ নেতা আবু তালেবকে (৩০) সদর উপজেলার আকাশতারা জুট মিলের সামনে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। তিনি সাবগ্রাম বাজার ইউনিট যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত তালেবের স্ত্রী বাদি হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

ঘটনার পর গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ বারপুর এলাকা থেকে রক্তমাখা পোশাকে চাঁন মিয়া ও বাপ্পা নামে দুই আসামিকে আটক করে। সেই সঙ্গে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত চাকুও উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়ানোর কারণে আসামিরা রক্তমাখা পোশাক পরিবর্তন করতে পারেননি বলে জানান।

র‌্যাব-১২-এর স্কোয়াড কমান্ডার (সহকারী পুরিশ সুপার) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, র‌্যাবের এ ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধ বিরোধী আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে। আইনশৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আবু তালেব হত্যার প্রধান আসামি ফোকরাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।