ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা আবু তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ফোকরাকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর সোয়া ১টার দিকে র‌্যাব-১২ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ফোকরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নওগার বদলগাছী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ফোকরাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১২’র সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রাথমিকভাবে তালেব হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ফোকরাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে র‌্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালি-বনানী দ্বিতীয় বাইপাস সড়কের কর্ণপুর পূর্বপাড়া গ্রামের একটি ঝোপ থেকে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র (চাকু), ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি মোবাইল ও ৩টি সিমকার্ড উদ্ধার করে।

গত ১৪ জুন রোববার দুপুর পৌনে ২টার দিকে যুবলীগ নেতা আবু তালেবকে (৩০) সদর উপজেলার আকাশতারা জুট মিলের সামনে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। তিনি সাবগ্রাম বাজার ইউনিট যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত তালেবের স্ত্রী বাদি হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

ঘটনার পর গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ বারপুর এলাকা থেকে রক্তমাখা পোশাকে চাঁন মিয়া ও বাপ্পা নামে দুই আসামিকে আটক করে। সেই সঙ্গে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত চাকুও উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়ানোর কারণে আসামিরা রক্তমাখা পোশাক পরিবর্তন করতে পারেননি বলে জানান।

র‌্যাব-১২-এর স্কোয়াড কমান্ডার (সহকারী পুরিশ সুপার) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, র‌্যাবের এ ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধ বিরোধী আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে। আইনশৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আবু তালেব হত্যার প্রধান আসামি ফোকরাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৪:৩০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় যুবলীগ নেতা আবু তালেব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ফোকরাকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর সোয়া ১টার দিকে র‌্যাব-১২ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ফোকরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নওগার বদলগাছী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ফোকরাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১২’র সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রাথমিকভাবে তালেব হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ফোকরাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে র‌্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালি-বনানী দ্বিতীয় বাইপাস সড়কের কর্ণপুর পূর্বপাড়া গ্রামের একটি ঝোপ থেকে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র (চাকু), ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি মোবাইল ও ৩টি সিমকার্ড উদ্ধার করে।

গত ১৪ জুন রোববার দুপুর পৌনে ২টার দিকে যুবলীগ নেতা আবু তালেবকে (৩০) সদর উপজেলার আকাশতারা জুট মিলের সামনে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। তিনি সাবগ্রাম বাজার ইউনিট যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত তালেবের স্ত্রী বাদি হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়।

ঘটনার পর গত শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ বারপুর এলাকা থেকে রক্তমাখা পোশাকে চাঁন মিয়া ও বাপ্পা নামে দুই আসামিকে আটক করে। সেই সঙ্গে তালেব হত্যায় ব্যবহৃত চাকুও উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়ানোর কারণে আসামিরা রক্তমাখা পোশাক পরিবর্তন করতে পারেননি বলে জানান।

র‌্যাব-১২-এর স্কোয়াড কমান্ডার (সহকারী পুরিশ সুপার) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, র‌্যাবের এ ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধ বিরোধী আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে। আইনশৃংখলা বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা বাংলাদেশকে একটি অপরাধমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আবু তালেব হত্যার প্রধান আসামি ফোকরাকে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।