ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিএনসিসির অভিযানে জরিমানা ৩ লাখ ৭ হাজার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে টানা সপ্তম দিনের মতো বিশেষ অভিযান তথা চিরুনি অভিযান অব্যাহত রেখেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এদিন মোট ১৩ হাজার ৭৭৩টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৪৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এই অভিযোগে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় তিন লাখ সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও ধার্য করা হয়।

শুক্রবার (১২ জুন) ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ১৪৭টি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা ছাড়াও নয় হাজার ৭৬২টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

চিরুনি অভিযান চলাকালে যেসব বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা কিংবা এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে, তার ছবি ও ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি অ্যাপে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে চিরুনি অভিযান শেষে ডিএনসিসির কোন কোন এলাকায় এডিস মশা বংশবিস্তার করে তার একটি ডাটাবেস তৈরি হবে। ডাটাবেস অনুযায়ী পরবর্তীতেও তাদেরকে মনিটর করা সহজ হবে বলে দাবি উত্তর সিটি করপোরেশনের।

আজ উত্তরা এলাকায় মোট এক হাজার ৮৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৭টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৮১৮টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জুলকার নায়নের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উত্তরা ৬ ও ৮ নম্বর সেক্টরের পাঁচটি স্থাপনার মালিককে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মিরপুর-২ অঞ্চলে তিন হাজার ৩১৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৬টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং দুই হাজার ২৬৯টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময়ে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিউল আজম মিরপুর ২ ও ১৩ নম্বর সেকশন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় আটটি মামলায় মোট দুই লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এর মধ্যে মৈত্রী প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিজ, এমবিএম গার্মেন্টস, এশিউর ডেভেলাপার্সকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মহাখালী অঞ্চলে এক হাজার ৫৪৭টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ৪৬টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৯৬৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মীর নাহিদ আহসান মেরুল বাড্ডা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় ছয়টি মামলায় মোট ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

মিরপুর-১০ অঞ্চলে এক হাজার ৫৩১টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে সাতটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৮৮৭টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

কারওয়ান বাজার অঞ্চলে এক হাজার ৮০৫টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৫টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং এক হাজার ৩৮৯টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর অঞ্চলে মোট এক হাজার ৬৩৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৪টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং এক হাজার ২০৩টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

দক্ষিণখান অঞ্চলে মোট ৮৪৫টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে আটটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৬৯৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

উত্তরখান অঞ্চলে মোট ৬৬৭টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে পাঁচটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৪৪৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

ভাটারা অঞ্চলে আজ ৪৭১টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ১১টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৩৩৮টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

সাতারকুল অঞ্চলে আজ ৮৭০টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে আটটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৭৫০টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

ডিএনসিসির অভিযানে জরিমানা ৩ লাখ ৭ হাজার

আপডেট সময় ০৬:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে টানা সপ্তম দিনের মতো বিশেষ অভিযান তথা চিরুনি অভিযান অব্যাহত রেখেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এদিন মোট ১৩ হাজার ৭৭৩টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৪৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এই অভিযোগে ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় তিন লাখ সাত হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও ধার্য করা হয়।

শুক্রবার (১২ জুন) ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়। ১৪৭টি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা ছাড়াও নয় হাজার ৭৬২টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

চিরুনি অভিযান চলাকালে যেসব বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা কিংবা এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে, তার ছবি ও ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি অ্যাপে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে চিরুনি অভিযান শেষে ডিএনসিসির কোন কোন এলাকায় এডিস মশা বংশবিস্তার করে তার একটি ডাটাবেস তৈরি হবে। ডাটাবেস অনুযায়ী পরবর্তীতেও তাদেরকে মনিটর করা সহজ হবে বলে দাবি উত্তর সিটি করপোরেশনের।

আজ উত্তরা এলাকায় মোট এক হাজার ৮৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৭টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৮১৮টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জুলকার নায়নের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উত্তরা ৬ ও ৮ নম্বর সেক্টরের পাঁচটি স্থাপনার মালিককে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মিরপুর-২ অঞ্চলে তিন হাজার ৩১৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৬টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং দুই হাজার ২৬৯টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময়ে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিউল আজম মিরপুর ২ ও ১৩ নম্বর সেকশন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় আটটি মামলায় মোট দুই লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এর মধ্যে মৈত্রী প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিজ, এমবিএম গার্মেন্টস, এশিউর ডেভেলাপার্সকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মহাখালী অঞ্চলে এক হাজার ৫৪৭টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ৪৬টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৯৬৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মীর নাহিদ আহসান মেরুল বাড্ডা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় ছয়টি মামলায় মোট ৭৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

মিরপুর-১০ অঞ্চলে এক হাজার ৫৩১টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে সাতটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৮৮৭টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

কারওয়ান বাজার অঞ্চলে এক হাজার ৮০৫টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৫টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং এক হাজার ৩৮৯টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর অঞ্চলে মোট এক হাজার ৬৩৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৪টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং এক হাজার ২০৩টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

দক্ষিণখান অঞ্চলে মোট ৮৪৫টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে আটটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৬৯৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

উত্তরখান অঞ্চলে মোট ৬৬৭টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে পাঁচটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৪৪৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

ভাটারা অঞ্চলে আজ ৪৭১টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ১১টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৩৩৮টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

সাতারকুল অঞ্চলে আজ ৮৭০টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে আটটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৭৫০টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।