ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

বাজেটে ইন্টারনেট খরচ বাড়তে পারে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আগামী ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল কলরেট শুল্ক এবং ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। ফলে মোবাইল কল রেটের পাশাপাশি ইন্টারনেট খরচও বাড়তে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মনে করছে করোনাভাইরাসের প্রভাবে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও টেলিকম খাত ঠিকই টিকে আছে। বেড়েছে কল ও ইন্টারনেটের ব্যবহার। তাই এই খাত থেকে রাজস্ব আহোরণ বাড়াতে চায় সরকার।

এনবিআরের একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশে করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরও মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। সে হিসেবে এ খাত থেকে বেশি আয় হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোবাইল কল রেটে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা আছে। যা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হতে পারে। অন্যদিকে ইন্টারনেটের উপর বর্তমানে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা আছে। যা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।

২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ আরোপ করা হয়েছিল। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক অনেক সংগঠন এই ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানায়। শেষে চূড়ান্ত বাজেটে ইন্টারনেটের উপর থেকে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

এনবিআরের একটি সূত্র বলছে, গতবার ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট না বাড়ালেও এবারের বাজেটে বাড়ানো হবে। তবে সেটা ১৫ শতাংশ না করে ১০ শতাংশ করা হবে।

২০১৯-২০ সালের চলতি বাজেটেও মোবাইল ফোন কল রেট, সিম কার্ড ট্যাক্স, এবং এই সংক্রান্ত সেবায় শুল্ক বাড়ানো হয়েছিল। ফলে গত বছরই বেড়েছিল কল রেট।

২০১৮-২০১৯ সালের বাজেটে মোবাইল ফোন কল রেটের উপর ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপিত ছিল। ২০১৯-২০ সালের বাজেটে তা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। এবার আগামী বাজেটে অথার্ৎ ২০২০-২১ সালের বাজেটে এই খাতে ১০ শতাংশ থেকে শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হচ্ছে।

বর্তমানে মোবাইল ফোনে কথা বলা এবং বার্তা পাঠানোয় খরচ হয় ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১ শতাংশ সারচার্জ, ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ইত্যাদি মিলে মোট খরচ ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ফলে ১০০ টাকা মোবাইল ফোনে রিচার্জ করলে সরকার ২২ টাকা কেটে নেয়। আগামী বাজেটে খরচটা আরো বাড়বে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

বাজেটে ইন্টারনেট খরচ বাড়তে পারে

আপডেট সময় ০৮:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

আগামী ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল কলরেট শুল্ক এবং ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। ফলে মোবাইল কল রেটের পাশাপাশি ইন্টারনেট খরচও বাড়তে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মনে করছে করোনাভাইরাসের প্রভাবে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও টেলিকম খাত ঠিকই টিকে আছে। বেড়েছে কল ও ইন্টারনেটের ব্যবহার। তাই এই খাত থেকে রাজস্ব আহোরণ বাড়াতে চায় সরকার।

এনবিআরের একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশে করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরও মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। সে হিসেবে এ খাত থেকে বেশি আয় হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোবাইল কল রেটে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা আছে। যা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হতে পারে। অন্যদিকে ইন্টারনেটের উপর বর্তমানে ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা আছে। যা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।

২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ আরোপ করা হয়েছিল। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক অনেক সংগঠন এই ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানায়। শেষে চূড়ান্ত বাজেটে ইন্টারনেটের উপর থেকে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

এনবিআরের একটি সূত্র বলছে, গতবার ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট না বাড়ালেও এবারের বাজেটে বাড়ানো হবে। তবে সেটা ১৫ শতাংশ না করে ১০ শতাংশ করা হবে।

২০১৯-২০ সালের চলতি বাজেটেও মোবাইল ফোন কল রেট, সিম কার্ড ট্যাক্স, এবং এই সংক্রান্ত সেবায় শুল্ক বাড়ানো হয়েছিল। ফলে গত বছরই বেড়েছিল কল রেট।

২০১৮-২০১৯ সালের বাজেটে মোবাইল ফোন কল রেটের উপর ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপিত ছিল। ২০১৯-২০ সালের বাজেটে তা বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। এবার আগামী বাজেটে অথার্ৎ ২০২০-২১ সালের বাজেটে এই খাতে ১০ শতাংশ থেকে শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হচ্ছে।

বর্তমানে মোবাইল ফোনে কথা বলা এবং বার্তা পাঠানোয় খরচ হয় ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১ শতাংশ সারচার্জ, ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ইত্যাদি মিলে মোট খরচ ২৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ফলে ১০০ টাকা মোবাইল ফোনে রিচার্জ করলে সরকার ২২ টাকা কেটে নেয়। আগামী বাজেটে খরচটা আরো বাড়বে।