ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে গলায় রশি বেধে শ্যালিকাকে ধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে গলায় রশি বেধে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের খাসেরচর লাঙ্গুলিয়া গ্রামে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

ভিকটিম (১৫) বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুলাভাই হাফিজ উদ্দিনের (৩০) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত হাফিজ ওই গ্রামের ফেলুর ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

ভিকটিম ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত হাফিজ উদ্দিন তার স্ত্রীর ছোট বোনকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। শ্যালিকার বিয়ের প্রস্তাব আসলেও তারসাথে প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে প্রচার করে বিয়ে ভেঙে দিতেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশও হয়েছিল। সর্বশেষ প্রায় ৬ মাস পূর্বে সালিশী বৈঠকে স্থানীয় আজিম উদ্দিন, নুরুল হক মাতাব্বর, বোরহান উদ্দিন, আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ, আউয়াল, তাছের মোল্লা ও নাজিম উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে হাফিজকে চড়-থাপ্পর দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে শাসিয়ে দেয়া হয়। তারপরও তিনি শ্যালিকাকে সুযোগ পেলেই কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন।

গত শুক্রবার দুপুরের দিকে ভিকটিম নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সুযোগে হাফিজ ঘরে ঢুকে রশি দিয়ে শ্যালিকার গলা বেঁধে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ভিকটিমের বড় বোন স্বামী হাফিজকে খুঁজতে পার্শ্ববর্তী বাবার বাড়িতে গিয়ে বোনকে এ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন।

লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযুক্ত হাফিজ উদ্দিনকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা হাফেজা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকজন সালিশ বৈঠক বসে মিমাংসা হওয়ার কথা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান আলী বলেন, ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শণে গিয়েছিলাম। ওসি স্যারের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে গলায় রশি বেধে শ্যালিকাকে ধর্ষণ

আপডেট সময় ০৭:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে গলায় রশি বেধে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের খাসেরচর লাঙ্গুলিয়া গ্রামে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

ভিকটিম (১৫) বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুলাভাই হাফিজ উদ্দিনের (৩০) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত হাফিজ ওই গ্রামের ফেলুর ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

ভিকটিম ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত হাফিজ উদ্দিন তার স্ত্রীর ছোট বোনকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। শ্যালিকার বিয়ের প্রস্তাব আসলেও তারসাথে প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে প্রচার করে বিয়ে ভেঙে দিতেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশও হয়েছিল। সর্বশেষ প্রায় ৬ মাস পূর্বে সালিশী বৈঠকে স্থানীয় আজিম উদ্দিন, নুরুল হক মাতাব্বর, বোরহান উদ্দিন, আব্দুল কাদের, আব্দুল আজিজ, আউয়াল, তাছের মোল্লা ও নাজিম উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে হাফিজকে চড়-থাপ্পর দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে শাসিয়ে দেয়া হয়। তারপরও তিনি শ্যালিকাকে সুযোগ পেলেই কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন।

গত শুক্রবার দুপুরের দিকে ভিকটিম নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সুযোগে হাফিজ ঘরে ঢুকে রশি দিয়ে শ্যালিকার গলা বেঁধে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ভিকটিমের বড় বোন স্বামী হাফিজকে খুঁজতে পার্শ্ববর্তী বাবার বাড়িতে গিয়ে বোনকে এ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন।

লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযুক্ত হাফিজ উদ্দিনকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তবে তার মা হাফেজা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকজন সালিশ বৈঠক বসে মিমাংসা হওয়ার কথা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান আলী বলেন, ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শণে গিয়েছিলাম। ওসি স্যারের সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যাবস্থা নেয়া হবে।