ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগের কথা জানালেন হান্নান মাসুদ কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ ১৮টি দেশে কর্মী পাঠানোর চুক্তি হয়েছে: নুরুল হক পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: তারেক রহমান

খুলনার কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত করবে সেনাবাহিনী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে খুলনার উপকূলীয় কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। আজ শুক্রবার দুপুর থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্স কোরের সদস্যরা কয়রার দক্ষিণ বেদকাশির গোলখালি, সদর ইউনিয়নে হরিণখোলা ও উত্তর বেদকাশির রতনাঘেরি কাটকাটা এলাকায় বাঁধে মাটি, বালু ভরাট কাজ শুরু করে। এতে দুর্ভোগে পড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। বাঁধ সংস্কারে যুক্ত সেনাবাহিনীর অধিকাংশ সদস্য রোজা রেখেই কাজ করছেন।

জানা যায়, গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কয়রার জোড়শিং বাজার, গোলখালী, গাজীপাড়া, ঘাটাখালিসহ ১১টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তির্ন ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর বাঁধ সংস্কারের নামে অর্থ লুটপাট হয়। কিন্তু টেকসই বাঁধ নির্মান না হওয়ায় দুর্ভোগ এলেই ভোগান্তিতে পড়ে এখানকার মানুষ।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কয়েকটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখনই বাঁধে মেরামত কাজ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে কয়রায় তিনটি পয়েন্টে বাঁধ মেরামত কাজ করবে সেনাবাহিনী।

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আকতারুজ্জামান বাবু বলেন, নদীতে জোয়ারের সময় লবন পানি থেকে জমির ফসল রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কার কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তবে সেনাবাহিনী বাঁধ নির্মান কাজ শুরু করায় মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেনবাহিনীকে একই সাথে উত্তর বেতকাশির গাজিপাড়া ও মহারাজপুর দশালিয়া এলাকার বাঁধ মেরামতের জন্য বলা হয়েছে। ঘূর্নিঝড়ের আঘাতে এখানে প্রায় ৩০ ফুট গভীরতার খালের মতো তৈরি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী

খুলনার কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত করবে সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০৫:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে খুলনার উপকূলীয় কয়রায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। আজ শুক্রবার দুপুর থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার্স কোরের সদস্যরা কয়রার দক্ষিণ বেদকাশির গোলখালি, সদর ইউনিয়নে হরিণখোলা ও উত্তর বেদকাশির রতনাঘেরি কাটকাটা এলাকায় বাঁধে মাটি, বালু ভরাট কাজ শুরু করে। এতে দুর্ভোগে পড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। বাঁধ সংস্কারে যুক্ত সেনাবাহিনীর অধিকাংশ সদস্য রোজা রেখেই কাজ করছেন।

জানা যায়, গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কয়রার জোড়শিং বাজার, গোলখালী, গাজীপাড়া, ঘাটাখালিসহ ১১টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তির্ন ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর বাঁধ সংস্কারের নামে অর্থ লুটপাট হয়। কিন্তু টেকসই বাঁধ নির্মান না হওয়ায় দুর্ভোগ এলেই ভোগান্তিতে পড়ে এখানকার মানুষ।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে কয়েকটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখনই বাঁধে মেরামত কাজ করতে পারছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে কয়রায় তিনটি পয়েন্টে বাঁধ মেরামত কাজ করবে সেনাবাহিনী।

খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আকতারুজ্জামান বাবু বলেন, নদীতে জোয়ারের সময় লবন পানি থেকে জমির ফসল রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কার কাজ এরই মধ্যে শুরু করেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তবে সেনাবাহিনী বাঁধ নির্মান কাজ শুরু করায় মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেনবাহিনীকে একই সাথে উত্তর বেতকাশির গাজিপাড়া ও মহারাজপুর দশালিয়া এলাকার বাঁধ মেরামতের জন্য বলা হয়েছে। ঘূর্নিঝড়ের আঘাতে এখানে প্রায় ৩০ ফুট গভীরতার খালের মতো তৈরি হয়েছে।