ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

এবার করোনার জিন রহস্য নির্ণয় করল এনআইবি

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

করোনাভাইরাসের সম্পূর্ণ জীবন রহস্য নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় যাকে জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় বলা হয়।

স্যাঙ্গার পদ্ধতিতে করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ।

দেশের তৃতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করল প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার রাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে করোনার জীবন রহস্য নির্ণইয়ে এনআইবির সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, এনআইবির উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্স গোল্ডেন স্ট্যান্ডার্ড ম্যাথড স্যাঙ্গার ডাইডিওক্সি পদ্ধতিতে করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে নির্ণীত জিনোম সিকোয়েন্স প্রায় শতভাগ নির্ভুল।

১টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আরও ৭টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

ড. মো. সলিমুল্লাহ তথ্য দেন, এনআইবির সিকোয়েন্স করা জিনোম যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ইতালির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সিকোয়েন্সে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে এবং অধিকতর এনালাইসিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

কম খরচে করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর নির্ভর কিট উদ্ভাবনে এনআইবির গবেষকদল কাজ করছেন বলে জানান ড. মো. সলিমুল্লাহ।

তিনি বলে, এ পর্যায়ে পরীক্ষাকৃত ৭টি নমুনায় আমাদের উদ্ভাবিত কিটের শতভাগ সাফল্য পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১২ মে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) দেশে প্রথমবারের মতো করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করে। এরপর ১৭ মে আর্ন্তজাতিক জিন ডাটা ব্যাংক- জিআইএসএআইডি করোনার পাঁচটি জিনোম সিকোয়েন্স জমা দেয় বাংলাদেশের ডিএনএ সল্যুশন।

করোনা মহামারীর কার্যকর মোকাবেলার অংশ হিসেবে দেশে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

এবার করোনার জিন রহস্য নির্ণয় করল এনআইবি

আপডেট সময় ০৯:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

করোনাভাইরাসের সম্পূর্ণ জীবন রহস্য নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)।

বৈজ্ঞানিক ভাষায় যাকে জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় বলা হয়।

স্যাঙ্গার পদ্ধতিতে করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনআইবির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ।

দেশের তৃতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করল প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার রাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে করোনার জীবন রহস্য নির্ণইয়ে এনআইবির সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. সলিমুল্লাহ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, এনআইবির উন্মোচিত জিনোম সিকোয়েন্স গোল্ডেন স্ট্যান্ডার্ড ম্যাথড স্যাঙ্গার ডাইডিওক্সি পদ্ধতিতে করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে নির্ণীত জিনোম সিকোয়েন্স প্রায় শতভাগ নির্ভুল।

১টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আরও ৭টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয়ের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

ড. মো. সলিমুল্লাহ তথ্য দেন, এনআইবির সিকোয়েন্স করা জিনোম যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ইতালির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সিকোয়েন্সে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে এবং অধিকতর এনালাইসিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

কম খরচে করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর নির্ভর কিট উদ্ভাবনে এনআইবির গবেষকদল কাজ করছেন বলে জানান ড. মো. সলিমুল্লাহ।

তিনি বলে, এ পর্যায়ে পরীক্ষাকৃত ৭টি নমুনায় আমাদের উদ্ভাবিত কিটের শতভাগ সাফল্য পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ১২ মে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) দেশে প্রথমবারের মতো করোনার জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় করে। এরপর ১৭ মে আর্ন্তজাতিক জিন ডাটা ব্যাংক- জিআইএসএআইডি করোনার পাঁচটি জিনোম সিকোয়েন্স জমা দেয় বাংলাদেশের ডিএনএ সল্যুশন।

করোনা মহামারীর কার্যকর মোকাবেলার অংশ হিসেবে দেশে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নির্ণয় অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।