ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা। এর আগের বড় বড় ঘূর্ণিঝড় যেমন আয়লা, বুলবুল কিংবা ফণী যতটা শক্তিশালী ছিল আম্পান তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আম্পান উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১১০-১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

অথচ আয়লা যখন সুন্দরবনের উপকূলে আঘাত হানে তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। আর কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৯০ কিলোমিটারের মতো। কিন্তু তারপরেও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল শহর। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে। বুলবুল উপকূলে বেশি আঘাত হনে। তার তাণ্ডব সুন্দরবন এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কলকাতায় তার প্রভাব খুব একটা পড়েনি। আবার ফণী আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। কলকাতায় তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সেই বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেলুনের ভেতরেই চলছে নির্মাণকাজ, ধুলা-শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন প্রযুক্তি

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

আপডেট সময় ০৫:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা। এর আগের বড় বড় ঘূর্ণিঝড় যেমন আয়লা, বুলবুল কিংবা ফণী যতটা শক্তিশালী ছিল আম্পান তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আম্পান উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১১০-১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

অথচ আয়লা যখন সুন্দরবনের উপকূলে আঘাত হানে তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। আর কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৯০ কিলোমিটারের মতো। কিন্তু তারপরেও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল শহর। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে। বুলবুল উপকূলে বেশি আঘাত হনে। তার তাণ্ডব সুন্দরবন এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কলকাতায় তার প্রভাব খুব একটা পড়েনি। আবার ফণী আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। কলকাতায় তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সেই বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছিল।