ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা। এর আগের বড় বড় ঘূর্ণিঝড় যেমন আয়লা, বুলবুল কিংবা ফণী যতটা শক্তিশালী ছিল আম্পান তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আম্পান উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১১০-১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

অথচ আয়লা যখন সুন্দরবনের উপকূলে আঘাত হানে তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। আর কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৯০ কিলোমিটারের মতো। কিন্তু তারপরেও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল শহর। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে। বুলবুল উপকূলে বেশি আঘাত হনে। তার তাণ্ডব সুন্দরবন এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কলকাতায় তার প্রভাব খুব একটা পড়েনি। আবার ফণী আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। কলকাতায় তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সেই বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

আপডেট সময় ০৫:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা। এর আগের বড় বড় ঘূর্ণিঝড় যেমন আয়লা, বুলবুল কিংবা ফণী যতটা শক্তিশালী ছিল আম্পান তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আম্পান উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১১০-১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

অথচ আয়লা যখন সুন্দরবনের উপকূলে আঘাত হানে তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। আর কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৯০ কিলোমিটারের মতো। কিন্তু তারপরেও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল শহর। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে। বুলবুল উপকূলে বেশি আঘাত হনে। তার তাণ্ডব সুন্দরবন এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কলকাতায় তার প্রভাব খুব একটা পড়েনি। আবার ফণী আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। কলকাতায় তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সেই বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছিল।