ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা। এর আগের বড় বড় ঘূর্ণিঝড় যেমন আয়লা, বুলবুল কিংবা ফণী যতটা শক্তিশালী ছিল আম্পান তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আম্পান উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১১০-১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

অথচ আয়লা যখন সুন্দরবনের উপকূলে আঘাত হানে তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। আর কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৯০ কিলোমিটারের মতো। কিন্তু তারপরেও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল শহর। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে। বুলবুল উপকূলে বেশি আঘাত হনে। তার তাণ্ডব সুন্দরবন এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কলকাতায় তার প্রভাব খুব একটা পড়েনি। আবার ফণী আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। কলকাতায় তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সেই বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগে কলকাতা

আপডেট সময় ০৫:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

কয়েক দশকের মাঝে সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে কলকাতা। এর আগের বড় বড় ঘূর্ণিঝড় যেমন আয়লা, বুলবুল কিংবা ফণী যতটা শক্তিশালী ছিল আম্পান তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, আম্পান উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ১১০-১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়।

অথচ আয়লা যখন সুন্দরবনের উপকূলে আঘাত হানে তখন তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। আর কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ৯০ কিলোমিটারের মতো। কিন্তু তারপরেও লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল শহর। গত বছর নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে। বুলবুল উপকূলে বেশি আঘাত হনে। তার তাণ্ডব সুন্দরবন এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। কলকাতায় তার প্রভাব খুব একটা পড়েনি। আবার ফণী আছড়ে পড়েছিল ওড়িশার উপকূলে। কলকাতায় তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলেও সেই বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছিল।