টঙ্গীতে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা, আটক ১

154

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী ৭ বছরের চাঁদনীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে এক কিশোরকে ঘটনার ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর র‌্যাব ১ এর সদস্যরা। তার নাম নিলয় (১৫)। তার পিতার নাম ওমর ফারুক। টঙ্গীর মধুমিতা রেললাইন এলাকায় সবার বাসা। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। রবিবার গভীর রাতে টঙ্গীর মধুমিতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক হত্যাকারী এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব কমান্ডার মামুন ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে জানান, দু’ কিশোর মিলে ধর্ষণ শেষে চাঁদনীকে গলা টিপে ও পা দিয়ে মুড়িয়ে হত্যা করে লাশ রেললাইনের ঝোপঝাড়ের ময়লার স্তুপের মধ্যে ফেলে রাখে। ঘটনায় জড়িত অপর কিশোর পলাতক রয়েছে বলে র‌্যাব জানায। তিনি আরো জানান আসামী নিলয় পরিবার এবং ভিকটিম চাঁদনীর পরিবার একই ভবনে বসবাস করতো। সেই সুবাদে আসামী নিলয় এবং ভিকটিম চাদনী পূর্ব পরিচিত। ১৫ মে চাঁদনী বাসার সামনের মাঠে বান্ধবীদের সঙ্গে খেলা করতে আসলে আসামী নিলয় এবং এই ঘটনার অন্যতম হোতা পলাতক সহযোগী মিলে চাদনীকে চোখে চোখে রাখে এবং খেলা চলাকালীন নিলয় তাকে কৃষ্ণচূড়া গাছ থেকে ফুল পেড়ে দেয়।

চাঁদনী বাসায় ফেরার পথে বৃষ্টি নামায় আশেপাশে কোন মানুষ না থাকায় আসামী নিলয় ও তার সহযোগী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চাঁদনীকে চকলেট কিনে দেয়ার নাম করে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী টঙ্গীস্থ মধুমিতা রেলগেট এলাকায় সজীবের ইটের স্তুপের আড়ালে নিয়ে যায়। প্রথমে আসামী নিলয় ভিকটিমের দুই হাত মুখ চেপে ধরে রাখে এবং তার সহযোগী শিশু চাদনীকে ধর্ষণ করে।

এভাবে তারা দুই জনে ভিকটিমকে জোড়পূর্বক পালাক্রমে একাধিক বার গণধর্ষণ করে। পরবর্তীতে চাঁদনী কান্নাকাটি করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এ সময় ধর্ষণকারীরা আশংকা করে এই ঘটনা চাঁদনী তার পরিবারের কাছে প্রকাশ করে দিবে এইভেবে এক ধর্ষণকারী চাদনীর গলা টিপে ধরে এবং নিলয় চাঁদনীর বুকে পা দিয়ে আঘাত করে ও গলা টিপে নির্মমভাবে হত্যা করে।