ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনাকালে শামীম ওসমানের মহানুভবতা!

এমপি শামীম ওসমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

”হ্যালো, আপনি এমপি শামীম ওসমান সাহেব।” উত্তরে ”হ্যা” বলতেই গৃহবধূর কান্নার শব্দ। কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের অভাবের কথা জানিয়ে ওই গৃহবধূ বললেন, ”আমার অভাবী ছিলাম না। আমার স্বামীর কাজ নেই। ঘরে টাকা নেই, খাবার নেই। আজকে কিছু না পেলে আমার সন্তান নিয়ে না খেয়ে থাকবো।”

কথা শেষ না হতেই শামীম ওসমান বললেন, ”কোথায় থাকেন? ঠিকানা দিন। কোন চিন্তা করবেন না।”

নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলা এলাকার ধোপাপট্রি এলাকা থেকে গৃহবধূ শুক্রবার বিকালে সাংসদকে জানায় তার অভাবে কথা। ওই গৃহবধূর স্বামী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কথা শুনেই শামীম ওসমান ওই দিন সন্ধ্যায় আমাদের জন্য ৪ প্যাকেট খাবার। যার মধ্যে তেল, আটা, চাল ও পেঁয়াজ ছিল এবং নগদ ১০ হাজার টাকা একটি লোক মারফত পাঠিয়ে দিয়েছেন। পরে আমরা খাবার ও টাকা পেয়েছি বলে শামীম ওসমান স্যারকে জানিয়েছি।

এদিকে একই দিনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের পাশে ফতুল্লার মেঘনা তেল ডিপো সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করছেন ৩৬টি পরিবার। তাদের সবাই দিন এনে দিন খাওয়া লোক। সংসারের কেউ মুচি, কেউবা রিক্সাচালক কিংবা ভ্যানচালক। আবার অনেকেই দিনমজুর। অথচ একসময় ফতুল্লায় তাদের সহায় সম্পত্তি সবই ছিল। মুনিঋষি গোত্রের এই পরিবারগুলির একসময় চামড়া ব্যবসা ছিল। ছিল ঢাক-ঢোল বাজানোর পেশা। সময়ের বিবর্তনে আজ সবই হাতছাড়া হয়েছে তাদের।

খাবার ও টাকা পৌঁছে দেয়া গণমাধ্যম কর্মী দিলিপ কুমার মন্ডল জানান, এমপি শামীম ওসমান পত্নী লিপি ওসমান গোপনে-প্রকাশ্যে যেখানে যেভাবে দেয়া দরকার খাদ্য সামগ্রী দিয়ে যাচ্ছেন। তারা বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ মোটরসাইকেল টিম দিয়ে রাতের আঁধারে খাবার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। দুজনের মোবাইলে ম্যাসেজ দিলেই পৌছে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী। শহরে জহামতলা এলাকার পরিবারটি অভাবী ছিল না। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতির শিকার।

প্রসঙ্গত, ওসমান পরিবারে সদস্যরা করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম থেকেই ত্রান বিতরণসহ নানা কর্মকান্ডে সক্রীয়। এছাড়া শামীম ওসমান ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ কোটি টাকা বিরতরণ করেছেন। তার স্ত্রী লিপি ওসমান এ পর্যন্ত ৫-৬ হাজার পরিবারের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এবং করে যাচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনাকালে শামীম ওসমানের মহানুভবতা!

আপডেট সময় ০৯:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

”হ্যালো, আপনি এমপি শামীম ওসমান সাহেব।” উত্তরে ”হ্যা” বলতেই গৃহবধূর কান্নার শব্দ। কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের অভাবের কথা জানিয়ে ওই গৃহবধূ বললেন, ”আমার অভাবী ছিলাম না। আমার স্বামীর কাজ নেই। ঘরে টাকা নেই, খাবার নেই। আজকে কিছু না পেলে আমার সন্তান নিয়ে না খেয়ে থাকবো।”

কথা শেষ না হতেই শামীম ওসমান বললেন, ”কোথায় থাকেন? ঠিকানা দিন। কোন চিন্তা করবেন না।”

নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলা এলাকার ধোপাপট্রি এলাকা থেকে গৃহবধূ শুক্রবার বিকালে সাংসদকে জানায় তার অভাবে কথা। ওই গৃহবধূর স্বামী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কথা শুনেই শামীম ওসমান ওই দিন সন্ধ্যায় আমাদের জন্য ৪ প্যাকেট খাবার। যার মধ্যে তেল, আটা, চাল ও পেঁয়াজ ছিল এবং নগদ ১০ হাজার টাকা একটি লোক মারফত পাঠিয়ে দিয়েছেন। পরে আমরা খাবার ও টাকা পেয়েছি বলে শামীম ওসমান স্যারকে জানিয়েছি।

এদিকে একই দিনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের পাশে ফতুল্লার মেঘনা তেল ডিপো সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করছেন ৩৬টি পরিবার। তাদের সবাই দিন এনে দিন খাওয়া লোক। সংসারের কেউ মুচি, কেউবা রিক্সাচালক কিংবা ভ্যানচালক। আবার অনেকেই দিনমজুর। অথচ একসময় ফতুল্লায় তাদের সহায় সম্পত্তি সবই ছিল। মুনিঋষি গোত্রের এই পরিবারগুলির একসময় চামড়া ব্যবসা ছিল। ছিল ঢাক-ঢোল বাজানোর পেশা। সময়ের বিবর্তনে আজ সবই হাতছাড়া হয়েছে তাদের।

খাবার ও টাকা পৌঁছে দেয়া গণমাধ্যম কর্মী দিলিপ কুমার মন্ডল জানান, এমপি শামীম ওসমান পত্নী লিপি ওসমান গোপনে-প্রকাশ্যে যেখানে যেভাবে দেয়া দরকার খাদ্য সামগ্রী দিয়ে যাচ্ছেন। তারা বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ মোটরসাইকেল টিম দিয়ে রাতের আঁধারে খাবার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। দুজনের মোবাইলে ম্যাসেজ দিলেই পৌছে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী। শহরে জহামতলা এলাকার পরিবারটি অভাবী ছিল না। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতির শিকার।

প্রসঙ্গত, ওসমান পরিবারে সদস্যরা করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম থেকেই ত্রান বিতরণসহ নানা কর্মকান্ডে সক্রীয়। এছাড়া শামীম ওসমান ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ কোটি টাকা বিরতরণ করেছেন। তার স্ত্রী লিপি ওসমান এ পর্যন্ত ৫-৬ হাজার পরিবারের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এবং করে যাচ্ছেন।