ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

করোনাকে হারাতে দায়িত্বে অবিচল ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই পুলিশকর্মী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘আমার স্বামীও পুলিশে কর্মরত। পরিবারের সকলেই আমরা যোদ্ধা। তাই এই দুঃসময়ের আমরা সকলে মিলে লড়ছি সুস্থ পরিবেশের জন্যে। কঠিন সময়ে কর্তব্য করে যেতে চাই। যাতে আমার শিশু সুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে’। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশের পরিষেবা দিতে দিতে এই কথা জানালেন ভারতের রাজস্থানের পুলিশকর্মী সন্তোষ জাঠ।

রাজস্থানের আজমেরের এই পুলিশ সদস্যের লড়াইয়ের কথা জানাজানি হলে প্রশংসা করছেন সবাই।

গত কয়েকমাস ধরে করোনার প্রকোপে মৃত্যু মিছিল চলছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে। চোখের সামনে প্রতিদিনই জমছে লাশের পাহাড়। আর এই সময় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবেলা করছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা।
আর তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন এই পুলিশকর্মী। যদিও নিজের এই কাজকে খুব বড় করে দেখতে চাইছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন সহকর্মীদের। কিন্তু তারা তাকে কন্ট্রোলরুমের দ্বায়িত্বে রেখেছেন। সেখান থেকেই দ্বায়িত্ব পালন করছেন সন্তোষ।

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থান পুলিশকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এই অবস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ অখুশিই হয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু সন্তোষ তাদের ভরসা দেন। এখন তার পরিবার তার এই কাজে গর্ববোধ করেন। তবে, দেশের পাশাপাশি নিজের শরীরের প্রতিও যত্নবান সন্তোষ। রোজই হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। সেই সঙ্গে সুষম খাবারও খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ভারতে। গত ২৪ মার্চ ২১ দিনের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। এ বার তা বাড়িয়ে ১৭ মে পর্যন্ত করা হলো।

ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৫৪ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

করোনাকে হারাতে দায়িত্বে অবিচল ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই পুলিশকর্মী

আপডেট সময় ০৬:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘আমার স্বামীও পুলিশে কর্মরত। পরিবারের সকলেই আমরা যোদ্ধা। তাই এই দুঃসময়ের আমরা সকলে মিলে লড়ছি সুস্থ পরিবেশের জন্যে। কঠিন সময়ে কর্তব্য করে যেতে চাই। যাতে আমার শিশু সুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে’। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশের পরিষেবা দিতে দিতে এই কথা জানালেন ভারতের রাজস্থানের পুলিশকর্মী সন্তোষ জাঠ।

রাজস্থানের আজমেরের এই পুলিশ সদস্যের লড়াইয়ের কথা জানাজানি হলে প্রশংসা করছেন সবাই।

গত কয়েকমাস ধরে করোনার প্রকোপে মৃত্যু মিছিল চলছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে। চোখের সামনে প্রতিদিনই জমছে লাশের পাহাড়। আর এই সময় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবেলা করছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা।
আর তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন এই পুলিশকর্মী। যদিও নিজের এই কাজকে খুব বড় করে দেখতে চাইছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন সহকর্মীদের। কিন্তু তারা তাকে কন্ট্রোলরুমের দ্বায়িত্বে রেখেছেন। সেখান থেকেই দ্বায়িত্ব পালন করছেন সন্তোষ।

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থান পুলিশকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এই অবস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ অখুশিই হয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু সন্তোষ তাদের ভরসা দেন। এখন তার পরিবার তার এই কাজে গর্ববোধ করেন। তবে, দেশের পাশাপাশি নিজের শরীরের প্রতিও যত্নবান সন্তোষ। রোজই হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। সেই সঙ্গে সুষম খাবারও খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ভারতে। গত ২৪ মার্চ ২১ দিনের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। এ বার তা বাড়িয়ে ১৭ মে পর্যন্ত করা হলো।

ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৫৪ জন।