ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনাকে হারাতে দায়িত্বে অবিচল ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই পুলিশকর্মী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘আমার স্বামীও পুলিশে কর্মরত। পরিবারের সকলেই আমরা যোদ্ধা। তাই এই দুঃসময়ের আমরা সকলে মিলে লড়ছি সুস্থ পরিবেশের জন্যে। কঠিন সময়ে কর্তব্য করে যেতে চাই। যাতে আমার শিশু সুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে’। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশের পরিষেবা দিতে দিতে এই কথা জানালেন ভারতের রাজস্থানের পুলিশকর্মী সন্তোষ জাঠ।

রাজস্থানের আজমেরের এই পুলিশ সদস্যের লড়াইয়ের কথা জানাজানি হলে প্রশংসা করছেন সবাই।

গত কয়েকমাস ধরে করোনার প্রকোপে মৃত্যু মিছিল চলছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে। চোখের সামনে প্রতিদিনই জমছে লাশের পাহাড়। আর এই সময় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবেলা করছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা।
আর তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন এই পুলিশকর্মী। যদিও নিজের এই কাজকে খুব বড় করে দেখতে চাইছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন সহকর্মীদের। কিন্তু তারা তাকে কন্ট্রোলরুমের দ্বায়িত্বে রেখেছেন। সেখান থেকেই দ্বায়িত্ব পালন করছেন সন্তোষ।

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থান পুলিশকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এই অবস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ অখুশিই হয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু সন্তোষ তাদের ভরসা দেন। এখন তার পরিবার তার এই কাজে গর্ববোধ করেন। তবে, দেশের পাশাপাশি নিজের শরীরের প্রতিও যত্নবান সন্তোষ। রোজই হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। সেই সঙ্গে সুষম খাবারও খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ভারতে। গত ২৪ মার্চ ২১ দিনের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। এ বার তা বাড়িয়ে ১৭ মে পর্যন্ত করা হলো।

ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৫৪ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

করোনাকে হারাতে দায়িত্বে অবিচল ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই পুলিশকর্মী

আপডেট সময় ০৬:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘আমার স্বামীও পুলিশে কর্মরত। পরিবারের সকলেই আমরা যোদ্ধা। তাই এই দুঃসময়ের আমরা সকলে মিলে লড়ছি সুস্থ পরিবেশের জন্যে। কঠিন সময়ে কর্তব্য করে যেতে চাই। যাতে আমার শিশু সুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে’। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশের পরিষেবা দিতে দিতে এই কথা জানালেন ভারতের রাজস্থানের পুলিশকর্মী সন্তোষ জাঠ।

রাজস্থানের আজমেরের এই পুলিশ সদস্যের লড়াইয়ের কথা জানাজানি হলে প্রশংসা করছেন সবাই।

গত কয়েকমাস ধরে করোনার প্রকোপে মৃত্যু মিছিল চলছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে। চোখের সামনে প্রতিদিনই জমছে লাশের পাহাড়। আর এই সময় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবেলা করছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা।
আর তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন এই পুলিশকর্মী। যদিও নিজের এই কাজকে খুব বড় করে দেখতে চাইছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন সহকর্মীদের। কিন্তু তারা তাকে কন্ট্রোলরুমের দ্বায়িত্বে রেখেছেন। সেখান থেকেই দ্বায়িত্ব পালন করছেন সন্তোষ।

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থান পুলিশকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এই অবস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ অখুশিই হয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু সন্তোষ তাদের ভরসা দেন। এখন তার পরিবার তার এই কাজে গর্ববোধ করেন। তবে, দেশের পাশাপাশি নিজের শরীরের প্রতিও যত্নবান সন্তোষ। রোজই হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। সেই সঙ্গে সুষম খাবারও খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ভারতে। গত ২৪ মার্চ ২১ দিনের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। এ বার তা বাড়িয়ে ১৭ মে পর্যন্ত করা হলো।

ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৫৪ জন।