ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঋণখেলাপি বলে জাতির কাছে ছোট করা হয়েছে: সংসদে এমপি সারোয়ার ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড পাবে দেড় কোটির বেশি পরিবার উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি জুলাই শহীদদের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে: আমানউল্লাহ আমান যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু’ রাষ্ট্রে পরিণত হবে: লুলা সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে, আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর ‘আমি কে তুমি কে, ফার্মের মুরগি ফার্মের মুরগি’ জানুয়ারিতে এসএসসি ও জুনে এইচএসসি পরীক্ষা

করোনাকে হারাতে দায়িত্বে অবিচল ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই পুলিশকর্মী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘আমার স্বামীও পুলিশে কর্মরত। পরিবারের সকলেই আমরা যোদ্ধা। তাই এই দুঃসময়ের আমরা সকলে মিলে লড়ছি সুস্থ পরিবেশের জন্যে। কঠিন সময়ে কর্তব্য করে যেতে চাই। যাতে আমার শিশু সুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে’। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশের পরিষেবা দিতে দিতে এই কথা জানালেন ভারতের রাজস্থানের পুলিশকর্মী সন্তোষ জাঠ।

রাজস্থানের আজমেরের এই পুলিশ সদস্যের লড়াইয়ের কথা জানাজানি হলে প্রশংসা করছেন সবাই।

গত কয়েকমাস ধরে করোনার প্রকোপে মৃত্যু মিছিল চলছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে। চোখের সামনে প্রতিদিনই জমছে লাশের পাহাড়। আর এই সময় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবেলা করছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা।
আর তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন এই পুলিশকর্মী। যদিও নিজের এই কাজকে খুব বড় করে দেখতে চাইছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন সহকর্মীদের। কিন্তু তারা তাকে কন্ট্রোলরুমের দ্বায়িত্বে রেখেছেন। সেখান থেকেই দ্বায়িত্ব পালন করছেন সন্তোষ।

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থান পুলিশকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এই অবস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ অখুশিই হয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু সন্তোষ তাদের ভরসা দেন। এখন তার পরিবার তার এই কাজে গর্ববোধ করেন। তবে, দেশের পাশাপাশি নিজের শরীরের প্রতিও যত্নবান সন্তোষ। রোজই হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। সেই সঙ্গে সুষম খাবারও খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ভারতে। গত ২৪ মার্চ ২১ দিনের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। এ বার তা বাড়িয়ে ১৭ মে পর্যন্ত করা হলো।

ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৫৪ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

করোনাকে হারাতে দায়িত্বে অবিচল ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই পুলিশকর্মী

আপডেট সময় ০৬:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

‘আমার স্বামীও পুলিশে কর্মরত। পরিবারের সকলেই আমরা যোদ্ধা। তাই এই দুঃসময়ের আমরা সকলে মিলে লড়ছি সুস্থ পরিবেশের জন্যে। কঠিন সময়ে কর্তব্য করে যেতে চাই। যাতে আমার শিশু সুস্থ পৃথিবীতে জন্ম নিতে পারে’। সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দেশের পরিষেবা দিতে দিতে এই কথা জানালেন ভারতের রাজস্থানের পুলিশকর্মী সন্তোষ জাঠ।

রাজস্থানের আজমেরের এই পুলিশ সদস্যের লড়াইয়ের কথা জানাজানি হলে প্রশংসা করছেন সবাই।

গত কয়েকমাস ধরে করোনার প্রকোপে মৃত্যু মিছিল চলছে সমগ্র বিশ্বজুড়ে। চোখের সামনে প্রতিদিনই জমছে লাশের পাহাড়। আর এই সময় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবেলা করছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ ও সাফাইকর্মীরা।
আর তারই এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন এই পুলিশকর্মী। যদিও নিজের এই কাজকে খুব বড় করে দেখতে চাইছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন সহকর্মীদের। কিন্তু তারা তাকে কন্ট্রোলরুমের দ্বায়িত্বে রেখেছেন। সেখান থেকেই দ্বায়িত্ব পালন করছেন সন্তোষ।

২০১৩ সাল থেকে রাজস্থান পুলিশকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এই অবস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বেশ অখুশিই হয়েছিলেন স্বজনরা। কিন্তু সন্তোষ তাদের ভরসা দেন। এখন তার পরিবার তার এই কাজে গর্ববোধ করেন। তবে, দেশের পাশাপাশি নিজের শরীরের প্রতিও যত্নবান সন্তোষ। রোজই হাসপাতালে চেকআপ করাতে যান। সেই সঙ্গে সুষম খাবারও খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

নোভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে ভারতে। গত ২৪ মার্চ ২১ দিনের জন্য দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করা হয়। এ বার তা বাড়িয়ে ১৭ মে পর্যন্ত করা হলো।

ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ১৫৪ জন।