ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ৩৫ লাখ টাকা লুট দোষারোপের সময় নয়, দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলন: গোলাম পরওয়ার অনলাইনে মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস জাপা নেতার বাসায় নাহিদ ও হাসনাতের ডিনার-রাতযাপন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য গঠনে কাজ করবে এবি পার্টি বিরোধী দলের ওয়াকআউট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

দেশেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের ভেন্টিলেটর: পলক

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে বিশ্বমানের ভেন্টিলেটর তৈরি করছে বাংলাদেশ। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে বিশ্বখ্যাত মেডিকেল যন্ত্রপাতি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিক্স ও ওয়ালটনের কারিগরি সহযোগিতায় দেশেই তৈরি হচ্ছে এই ভেন্টিলেটর।

মঙ্গলবার বিকালে জুম ডিজিটাল সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন এই তথ্য।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে তৈরি ভেন্টিলেটরের তিন মডেলের ফাংশনাল প্রোটোটাইপ শিগগির ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে পাঠানো হবে। তাদের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই ওয়ালটন পরীক্ষামূলক ও বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারবে।

পলক বলেন, ফাংশনাল প্রোটোটাইপের তিনটি ভেন্টিলেটরের মধ্যে একটি ওয়ালটন মেডট্রনিক্সের সাথে তৈরি করেছে। অন্য দুটি ওয়ালটনের নিজস্ব উদ্ভাবনী। মেডট্রনিক্সের সাথে তৈরিকৃত এভেন্টিলেটরের নাম দেওয়া হয়েছে ডব্লিউপিবি ৫৬০। আর ওয়লটনের নিজস্ব উদ্ভাবনে তৈরি করা ভেন্টিলেটরের নাম ‘ওয়ালটন কোভিড বিল্ডভেন্টিলেটর ২০২০’ বা ডব্লিউসিভি-২০ এবং ডব্লিউএবি-২০।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি করোনা মহামারি খুব দ্রুতই শেষ হবে। কিন্তু মহামারি দীর্ঘ হলে আমরা দেশে তৈরি মানসম্মত ভেন্টিলেটরের দ্বারা চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো। ইতিমধ্যে এ আইইনোভেশন ল্যাব থেকে ১৮টি ভেন্টিলেটর তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর মান যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

আইসিটি বিভাগের উদ্যোগকে এগিয়ে নেয়ার জন্য মেডট্রনিক্স এবং ওয়ালটনের সাথে সমন্বয় করার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের এলআই সিটি প্রকল্পকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী পলক।

আইসিটি সচিব এন এম জিয়াউল আলম, এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি- আইটিইএসপলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, ওয়ালটনের ভেন্টিলেটর প্রকল্প প্রধান প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ, ওয়ালটনের পরিচালক লিয়াকত আলী, মেডট্রনিক্সের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন।

ওয়ালটনের প্রতিনিধি গোলাম মোর্শেদ বলেন, এফডিএ সার্টিফাইড এভেন্টিটেরটির যন্ত্রাংশের যোগান দিচ্ছে মেডট্রনিক। তারা পাঁচটি দেশের পাঁচটি কোম্পানির সাথে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদনে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হন। ‘মেইডইন বাংলাদেশ’ট্যাগযুক্ত এভেনিটলেটরের সংযোজন হবে ওয়ালটনের কারখানায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণে বাড়তি তিন বছর সময় নেওয়া বিলাসিতা নয়: তিতুমীর

দেশেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের ভেন্টিলেটর: পলক

আপডেট সময় ০৯:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে বিশ্বমানের ভেন্টিলেটর তৈরি করছে বাংলাদেশ। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে বিশ্বখ্যাত মেডিকেল যন্ত্রপাতি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিক্স ও ওয়ালটনের কারিগরি সহযোগিতায় দেশেই তৈরি হচ্ছে এই ভেন্টিলেটর।

মঙ্গলবার বিকালে জুম ডিজিটাল সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন এই তথ্য।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে তৈরি ভেন্টিলেটরের তিন মডেলের ফাংশনাল প্রোটোটাইপ শিগগির ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে পাঠানো হবে। তাদের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই ওয়ালটন পরীক্ষামূলক ও বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারবে।

পলক বলেন, ফাংশনাল প্রোটোটাইপের তিনটি ভেন্টিলেটরের মধ্যে একটি ওয়ালটন মেডট্রনিক্সের সাথে তৈরি করেছে। অন্য দুটি ওয়ালটনের নিজস্ব উদ্ভাবনী। মেডট্রনিক্সের সাথে তৈরিকৃত এভেন্টিলেটরের নাম দেওয়া হয়েছে ডব্লিউপিবি ৫৬০। আর ওয়লটনের নিজস্ব উদ্ভাবনে তৈরি করা ভেন্টিলেটরের নাম ‘ওয়ালটন কোভিড বিল্ডভেন্টিলেটর ২০২০’ বা ডব্লিউসিভি-২০ এবং ডব্লিউএবি-২০।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি করোনা মহামারি খুব দ্রুতই শেষ হবে। কিন্তু মহামারি দীর্ঘ হলে আমরা দেশে তৈরি মানসম্মত ভেন্টিলেটরের দ্বারা চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো। ইতিমধ্যে এ আইইনোভেশন ল্যাব থেকে ১৮টি ভেন্টিলেটর তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর মান যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

আইসিটি বিভাগের উদ্যোগকে এগিয়ে নেয়ার জন্য মেডট্রনিক্স এবং ওয়ালটনের সাথে সমন্বয় করার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের এলআই সিটি প্রকল্পকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী পলক।

আইসিটি সচিব এন এম জিয়াউল আলম, এলআইসিটি প্রকল্পের আইটি- আইটিইএসপলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, ওয়ালটনের ভেন্টিলেটর প্রকল্প প্রধান প্রকৌশলী গোলাম মোর্শেদ, ওয়ালটনের পরিচালক লিয়াকত আলী, মেডট্রনিক্সের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন।

ওয়ালটনের প্রতিনিধি গোলাম মোর্শেদ বলেন, এফডিএ সার্টিফাইড এভেন্টিটেরটির যন্ত্রাংশের যোগান দিচ্ছে মেডট্রনিক। তারা পাঁচটি দেশের পাঁচটি কোম্পানির সাথে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদনে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হন। ‘মেইডইন বাংলাদেশ’ট্যাগযুক্ত এভেনিটলেটরের সংযোজন হবে ওয়ালটনের কারখানায়।