ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্বিতীয় দফায় করোনার আশঙ্কা বরিস জনসনের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনা ঠেকাতে আরোপিত কড়াকড়ি শিথিল করলে দ্বিতীয় দফায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

সোমবার তিনি তার মন্ত্রী ও পরামর্শকদের কাছে এ আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেন। খবর বিবিসির।

বরিস জনসনের মুখপাত্র বলেন, সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি বয়ে আনবে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি খাতে।

তিনি আরও বলেন, ‘যদি আপনারা দ্রুত গতিতে চলেন তাহলে দ্বিতীয় দফার ঝুঁকি তৈরি হবে। এ ভাইরাস ফিরে এলে শুধু জনস্বাস্থ্যই নয়, দ্বিতীয়বারের মতো লকডাউন আরোপ করায় অর্থনীতির ক্ষতিও করতে পারে।’

যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ২৪ হাজার ৭৪৩ এবং মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ৫০৯ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যেসব ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের রক্ত ব্যবহার করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত অন্য রোগীদের চিকিৎসা করার পরিকল্পনা করছে ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা। এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় কনভালসেন্ট প্লাজমা থেরাপি।

তারা বলছেন, এই রোগ থেকে সেরে উঠা ব্যক্তিদের রক্ত দেয়ার আহবান জানিয়েছে। এনএইচএস ব্লাড এন্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট বলছে, এই রক্ত দিয়ে চিকিৎসার বিষয়ে তারা পরীক্ষা চালাবে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় সেটা দিয়ে তারা রোগীর শরীরে থাকা ভাইরাসটি নির্মূল করতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। এই গবেষণায় অংশ নিচ্ছে দেড় হাজারেরও বেশি হাসপাতাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয় দফায় করোনার আশঙ্কা বরিস জনসনের

আপডেট সময় ১১:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনা ঠেকাতে আরোপিত কড়াকড়ি শিথিল করলে দ্বিতীয় দফায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

সোমবার তিনি তার মন্ত্রী ও পরামর্শকদের কাছে এ আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেন। খবর বিবিসির।

বরিস জনসনের মুখপাত্র বলেন, সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি বয়ে আনবে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি খাতে।

তিনি আরও বলেন, ‘যদি আপনারা দ্রুত গতিতে চলেন তাহলে দ্বিতীয় দফার ঝুঁকি তৈরি হবে। এ ভাইরাস ফিরে এলে শুধু জনস্বাস্থ্যই নয়, দ্বিতীয়বারের মতো লকডাউন আরোপ করায় অর্থনীতির ক্ষতিও করতে পারে।’

যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ২৪ হাজার ৭৪৩ এবং মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ৫০৯ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যেসব ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের রক্ত ব্যবহার করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত অন্য রোগীদের চিকিৎসা করার পরিকল্পনা করছে ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা। এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় কনভালসেন্ট প্লাজমা থেরাপি।

তারা বলছেন, এই রোগ থেকে সেরে উঠা ব্যক্তিদের রক্ত দেয়ার আহবান জানিয়েছে। এনএইচএস ব্লাড এন্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট বলছে, এই রক্ত দিয়ে চিকিৎসার বিষয়ে তারা পরীক্ষা চালাবে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় সেটা দিয়ে তারা রোগীর শরীরে থাকা ভাইরাসটি নির্মূল করতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। এই গবেষণায় অংশ নিচ্ছে দেড় হাজারেরও বেশি হাসপাতাল।