ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

শিশুর শীত পোশাক

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শীত মৌসুমে শিশুদের নানা রকম রোগ-বালাই দেখা যায়, যার অধিকাংশ ঠাণ্ডাজনিত কারণেই। তাই শীতে শিশুদের জন্য গরম কাপড় কেনাতে প্রাধান্য দেন অভিভাবকরা। বাজারেও বড়দের তুলনায় শিশুদের শীতের পোশাকের পসরা লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে শীত মৌসুমে পিকনিক, বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানও বেশি হয়ে থাকে। এসব অনুষ্ঠানে যেতেও শিশুদের জন্য প্রয়োজন গরম কাপড়ের মানানসই পোশাক। শীতে অনেকে পরিবার নিয়ে বের হন ভ্রমণে। সেখানেও শিশুদের জন্য বাড়তি শীত পোশাকের প্রয়োজন হয়।

এরমধ্যেই বাজারে অনেক রকম শীতের পোশাক এসেছে শিশুদের জন্য। এর মধ্যে উলের সোয়েটারও আছে। নানা রঙের এসব সোয়েটারে ওম যেমন ভালো, তেমনি দেখতেও সুন্দর। ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় এসব সোয়েটার কেনা যাবে। এ সোয়েটারের সঙ্গে কানটুপিও আছে। উলের এ কানটুপি কেনা যাবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।

কম্বল জাতীয় মখমলের কাপড়ের পোশাকও বাজারে আছে শিশুদের জন্য। একটু পাতলা কিন্তু ওম ভালো এ পোশাকে। এগুলোর চাহিদাও বেশ দেখা যাচ্ছে বাজারে। এগুলো কোনোটা টুপিসহ, আবার কোনোটা টুপি ছাড়া। টুপিসহ পোশাকগুলো হুডি নামে বেশি পরিচিত। হুডি কোনোটা পাতলা কাপড়ের আছে, আবার কোনোটা মোটা কাপড়েরও আছে। এগুলো কেনা যাবে ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।

উল আর মখমল ছাড়া বাজারে শিশুদের জন্য পাওয়া যায় ফোম জাতীয় কাপড়ের পোশাক। এগুলোকে জ্যাকেট বলা চলে। অবশ্য একটু ভারি শীতের জন্যই এ জাতীয় পোশাকের প্রয়োজন হয় বেশি। বিশেষ করে বেড়াতে গেলে ভ্রমণের সময় শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করতে এ জাতীয় পোশাকের ব্যবহার ভালো। এ জাতীয় জ্যাকেট কেনা যাবে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।

হালকা শীতে শিশুদের জন্য ফুলস্লিভ টি-শার্টও সুন্দর। এগুলো কেনা যাবে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

পল্টনের বায়তুল মোকাররম মার্কেটে নিজের সন্তানের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা আমেনা বেগম বলেন, প্রতি বছরই শিশুদের শীত পোশাক কিনতে হচ্ছে। কারণ দিন দিন বড় হচ্ছে। এক বছরের পোশাক তারা অন্য বছর পরতে পারে না। তাই এ বছরও তাদের জন্য নতুন শীতের পোশাক দরকার। তবে দিন দিন পোশাকের দাম বাড়ছেই।

এখানকার একটি দোকানের শীতের পোশাক বিক্রেতা আরিফ বলেন, প্রতি বছরই শীত মৌসুম এলে বড়দের চেয়ে শিশুদের শীতের পোশাক বেশি চলে। যদিও শীত এখনও তেমন পড়ছে না, তবে বিক্রি কম হচ্ছে না।

এসব পোশাকের পাশাপাশি শীতে শিশুদের জন্য ব্লেজার স্যুট বা কোটি-পাঞ্জাবি পার্টিড্রেস হিসেবে বেশ মানানসই। বাজারে এসব পোশাক কিনতে পাওয়া যায়। চাইলে বানিয়ে নিতেও পারেন। কোটি-পাঞ্জাবি বা ব্লেজার স্যুট কেনা যাবে ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

তবে শিশুদের শীতের পোশাক কেনার আগে ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে যেন শিশুটি পোশাক পরে আরাম পায়। কারণ ওমের জন্য শিশুদের গায়ে মোটা কাপড় চাপিয়ে দিয়ে তাকে কষ্ট দেয়া যাবে না। অন্যদিকে শীতের পোশাক পরে শিশুর উসখুশ যেন না হয় সেদিকও খেয়াল রাখতে হবে। মোটকথা শিশু যেন শীতের পোশাক পরে আরাম পায় সেদিকটায় নজর দিতে হবে বেশি।

শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে আসতে পারেন যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, ঢাকা নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, পলওয়েল মার্কেট, গাজী ভবন। এছাড়া বিভিন্ন শপিংমলে শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

শিশুর শীত পোশাক

আপডেট সময় ০১:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শীত মৌসুমে শিশুদের নানা রকম রোগ-বালাই দেখা যায়, যার অধিকাংশ ঠাণ্ডাজনিত কারণেই। তাই শীতে শিশুদের জন্য গরম কাপড় কেনাতে প্রাধান্য দেন অভিভাবকরা। বাজারেও বড়দের তুলনায় শিশুদের শীতের পোশাকের পসরা লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে শীত মৌসুমে পিকনিক, বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানও বেশি হয়ে থাকে। এসব অনুষ্ঠানে যেতেও শিশুদের জন্য প্রয়োজন গরম কাপড়ের মানানসই পোশাক। শীতে অনেকে পরিবার নিয়ে বের হন ভ্রমণে। সেখানেও শিশুদের জন্য বাড়তি শীত পোশাকের প্রয়োজন হয়।

এরমধ্যেই বাজারে অনেক রকম শীতের পোশাক এসেছে শিশুদের জন্য। এর মধ্যে উলের সোয়েটারও আছে। নানা রঙের এসব সোয়েটারে ওম যেমন ভালো, তেমনি দেখতেও সুন্দর। ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় এসব সোয়েটার কেনা যাবে। এ সোয়েটারের সঙ্গে কানটুপিও আছে। উলের এ কানটুপি কেনা যাবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।

কম্বল জাতীয় মখমলের কাপড়ের পোশাকও বাজারে আছে শিশুদের জন্য। একটু পাতলা কিন্তু ওম ভালো এ পোশাকে। এগুলোর চাহিদাও বেশ দেখা যাচ্ছে বাজারে। এগুলো কোনোটা টুপিসহ, আবার কোনোটা টুপি ছাড়া। টুপিসহ পোশাকগুলো হুডি নামে বেশি পরিচিত। হুডি কোনোটা পাতলা কাপড়ের আছে, আবার কোনোটা মোটা কাপড়েরও আছে। এগুলো কেনা যাবে ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।

উল আর মখমল ছাড়া বাজারে শিশুদের জন্য পাওয়া যায় ফোম জাতীয় কাপড়ের পোশাক। এগুলোকে জ্যাকেট বলা চলে। অবশ্য একটু ভারি শীতের জন্যই এ জাতীয় পোশাকের প্রয়োজন হয় বেশি। বিশেষ করে বেড়াতে গেলে ভ্রমণের সময় শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করতে এ জাতীয় পোশাকের ব্যবহার ভালো। এ জাতীয় জ্যাকেট কেনা যাবে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।

হালকা শীতে শিশুদের জন্য ফুলস্লিভ টি-শার্টও সুন্দর। এগুলো কেনা যাবে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

পল্টনের বায়তুল মোকাররম মার্কেটে নিজের সন্তানের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা আমেনা বেগম বলেন, প্রতি বছরই শিশুদের শীত পোশাক কিনতে হচ্ছে। কারণ দিন দিন বড় হচ্ছে। এক বছরের পোশাক তারা অন্য বছর পরতে পারে না। তাই এ বছরও তাদের জন্য নতুন শীতের পোশাক দরকার। তবে দিন দিন পোশাকের দাম বাড়ছেই।

এখানকার একটি দোকানের শীতের পোশাক বিক্রেতা আরিফ বলেন, প্রতি বছরই শীত মৌসুম এলে বড়দের চেয়ে শিশুদের শীতের পোশাক বেশি চলে। যদিও শীত এখনও তেমন পড়ছে না, তবে বিক্রি কম হচ্ছে না।

এসব পোশাকের পাশাপাশি শীতে শিশুদের জন্য ব্লেজার স্যুট বা কোটি-পাঞ্জাবি পার্টিড্রেস হিসেবে বেশ মানানসই। বাজারে এসব পোশাক কিনতে পাওয়া যায়। চাইলে বানিয়ে নিতেও পারেন। কোটি-পাঞ্জাবি বা ব্লেজার স্যুট কেনা যাবে ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

তবে শিশুদের শীতের পোশাক কেনার আগে ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে যেন শিশুটি পোশাক পরে আরাম পায়। কারণ ওমের জন্য শিশুদের গায়ে মোটা কাপড় চাপিয়ে দিয়ে তাকে কষ্ট দেয়া যাবে না। অন্যদিকে শীতের পোশাক পরে শিশুর উসখুশ যেন না হয় সেদিকও খেয়াল রাখতে হবে। মোটকথা শিশু যেন শীতের পোশাক পরে আরাম পায় সেদিকটায় নজর দিতে হবে বেশি।

শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে আসতে পারেন যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, ঢাকা নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, পলওয়েল মার্কেট, গাজী ভবন। এছাড়া বিভিন্ন শপিংমলে শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে পারবেন।