ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শিশুর শীত পোশাক

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শীত মৌসুমে শিশুদের নানা রকম রোগ-বালাই দেখা যায়, যার অধিকাংশ ঠাণ্ডাজনিত কারণেই। তাই শীতে শিশুদের জন্য গরম কাপড় কেনাতে প্রাধান্য দেন অভিভাবকরা। বাজারেও বড়দের তুলনায় শিশুদের শীতের পোশাকের পসরা লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে শীত মৌসুমে পিকনিক, বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানও বেশি হয়ে থাকে। এসব অনুষ্ঠানে যেতেও শিশুদের জন্য প্রয়োজন গরম কাপড়ের মানানসই পোশাক। শীতে অনেকে পরিবার নিয়ে বের হন ভ্রমণে। সেখানেও শিশুদের জন্য বাড়তি শীত পোশাকের প্রয়োজন হয়।

এরমধ্যেই বাজারে অনেক রকম শীতের পোশাক এসেছে শিশুদের জন্য। এর মধ্যে উলের সোয়েটারও আছে। নানা রঙের এসব সোয়েটারে ওম যেমন ভালো, তেমনি দেখতেও সুন্দর। ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় এসব সোয়েটার কেনা যাবে। এ সোয়েটারের সঙ্গে কানটুপিও আছে। উলের এ কানটুপি কেনা যাবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।

কম্বল জাতীয় মখমলের কাপড়ের পোশাকও বাজারে আছে শিশুদের জন্য। একটু পাতলা কিন্তু ওম ভালো এ পোশাকে। এগুলোর চাহিদাও বেশ দেখা যাচ্ছে বাজারে। এগুলো কোনোটা টুপিসহ, আবার কোনোটা টুপি ছাড়া। টুপিসহ পোশাকগুলো হুডি নামে বেশি পরিচিত। হুডি কোনোটা পাতলা কাপড়ের আছে, আবার কোনোটা মোটা কাপড়েরও আছে। এগুলো কেনা যাবে ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।

উল আর মখমল ছাড়া বাজারে শিশুদের জন্য পাওয়া যায় ফোম জাতীয় কাপড়ের পোশাক। এগুলোকে জ্যাকেট বলা চলে। অবশ্য একটু ভারি শীতের জন্যই এ জাতীয় পোশাকের প্রয়োজন হয় বেশি। বিশেষ করে বেড়াতে গেলে ভ্রমণের সময় শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করতে এ জাতীয় পোশাকের ব্যবহার ভালো। এ জাতীয় জ্যাকেট কেনা যাবে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।

হালকা শীতে শিশুদের জন্য ফুলস্লিভ টি-শার্টও সুন্দর। এগুলো কেনা যাবে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

পল্টনের বায়তুল মোকাররম মার্কেটে নিজের সন্তানের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা আমেনা বেগম বলেন, প্রতি বছরই শিশুদের শীত পোশাক কিনতে হচ্ছে। কারণ দিন দিন বড় হচ্ছে। এক বছরের পোশাক তারা অন্য বছর পরতে পারে না। তাই এ বছরও তাদের জন্য নতুন শীতের পোশাক দরকার। তবে দিন দিন পোশাকের দাম বাড়ছেই।

এখানকার একটি দোকানের শীতের পোশাক বিক্রেতা আরিফ বলেন, প্রতি বছরই শীত মৌসুম এলে বড়দের চেয়ে শিশুদের শীতের পোশাক বেশি চলে। যদিও শীত এখনও তেমন পড়ছে না, তবে বিক্রি কম হচ্ছে না।

এসব পোশাকের পাশাপাশি শীতে শিশুদের জন্য ব্লেজার স্যুট বা কোটি-পাঞ্জাবি পার্টিড্রেস হিসেবে বেশ মানানসই। বাজারে এসব পোশাক কিনতে পাওয়া যায়। চাইলে বানিয়ে নিতেও পারেন। কোটি-পাঞ্জাবি বা ব্লেজার স্যুট কেনা যাবে ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

তবে শিশুদের শীতের পোশাক কেনার আগে ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে যেন শিশুটি পোশাক পরে আরাম পায়। কারণ ওমের জন্য শিশুদের গায়ে মোটা কাপড় চাপিয়ে দিয়ে তাকে কষ্ট দেয়া যাবে না। অন্যদিকে শীতের পোশাক পরে শিশুর উসখুশ যেন না হয় সেদিকও খেয়াল রাখতে হবে। মোটকথা শিশু যেন শীতের পোশাক পরে আরাম পায় সেদিকটায় নজর দিতে হবে বেশি।

শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে আসতে পারেন যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, ঢাকা নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, পলওয়েল মার্কেট, গাজী ভবন। এছাড়া বিভিন্ন শপিংমলে শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শিশুর শীত পোশাক

আপডেট সময় ০১:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শীত মৌসুমে শিশুদের নানা রকম রোগ-বালাই দেখা যায়, যার অধিকাংশ ঠাণ্ডাজনিত কারণেই। তাই শীতে শিশুদের জন্য গরম কাপড় কেনাতে প্রাধান্য দেন অভিভাবকরা। বাজারেও বড়দের তুলনায় শিশুদের শীতের পোশাকের পসরা লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে শীত মৌসুমে পিকনিক, বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানও বেশি হয়ে থাকে। এসব অনুষ্ঠানে যেতেও শিশুদের জন্য প্রয়োজন গরম কাপড়ের মানানসই পোশাক। শীতে অনেকে পরিবার নিয়ে বের হন ভ্রমণে। সেখানেও শিশুদের জন্য বাড়তি শীত পোশাকের প্রয়োজন হয়।

এরমধ্যেই বাজারে অনেক রকম শীতের পোশাক এসেছে শিশুদের জন্য। এর মধ্যে উলের সোয়েটারও আছে। নানা রঙের এসব সোয়েটারে ওম যেমন ভালো, তেমনি দেখতেও সুন্দর। ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় এসব সোয়েটার কেনা যাবে। এ সোয়েটারের সঙ্গে কানটুপিও আছে। উলের এ কানটুপি কেনা যাবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়।

কম্বল জাতীয় মখমলের কাপড়ের পোশাকও বাজারে আছে শিশুদের জন্য। একটু পাতলা কিন্তু ওম ভালো এ পোশাকে। এগুলোর চাহিদাও বেশ দেখা যাচ্ছে বাজারে। এগুলো কোনোটা টুপিসহ, আবার কোনোটা টুপি ছাড়া। টুপিসহ পোশাকগুলো হুডি নামে বেশি পরিচিত। হুডি কোনোটা পাতলা কাপড়ের আছে, আবার কোনোটা মোটা কাপড়েরও আছে। এগুলো কেনা যাবে ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়।

উল আর মখমল ছাড়া বাজারে শিশুদের জন্য পাওয়া যায় ফোম জাতীয় কাপড়ের পোশাক। এগুলোকে জ্যাকেট বলা চলে। অবশ্য একটু ভারি শীতের জন্যই এ জাতীয় পোশাকের প্রয়োজন হয় বেশি। বিশেষ করে বেড়াতে গেলে ভ্রমণের সময় শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করতে এ জাতীয় পোশাকের ব্যবহার ভালো। এ জাতীয় জ্যাকেট কেনা যাবে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।

হালকা শীতে শিশুদের জন্য ফুলস্লিভ টি-শার্টও সুন্দর। এগুলো কেনা যাবে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

পল্টনের বায়তুল মোকাররম মার্কেটে নিজের সন্তানের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা আমেনা বেগম বলেন, প্রতি বছরই শিশুদের শীত পোশাক কিনতে হচ্ছে। কারণ দিন দিন বড় হচ্ছে। এক বছরের পোশাক তারা অন্য বছর পরতে পারে না। তাই এ বছরও তাদের জন্য নতুন শীতের পোশাক দরকার। তবে দিন দিন পোশাকের দাম বাড়ছেই।

এখানকার একটি দোকানের শীতের পোশাক বিক্রেতা আরিফ বলেন, প্রতি বছরই শীত মৌসুম এলে বড়দের চেয়ে শিশুদের শীতের পোশাক বেশি চলে। যদিও শীত এখনও তেমন পড়ছে না, তবে বিক্রি কম হচ্ছে না।

এসব পোশাকের পাশাপাশি শীতে শিশুদের জন্য ব্লেজার স্যুট বা কোটি-পাঞ্জাবি পার্টিড্রেস হিসেবে বেশ মানানসই। বাজারে এসব পোশাক কিনতে পাওয়া যায়। চাইলে বানিয়ে নিতেও পারেন। কোটি-পাঞ্জাবি বা ব্লেজার স্যুট কেনা যাবে ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

তবে শিশুদের শীতের পোশাক কেনার আগে ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে যেন শিশুটি পোশাক পরে আরাম পায়। কারণ ওমের জন্য শিশুদের গায়ে মোটা কাপড় চাপিয়ে দিয়ে তাকে কষ্ট দেয়া যাবে না। অন্যদিকে শীতের পোশাক পরে শিশুর উসখুশ যেন না হয় সেদিকও খেয়াল রাখতে হবে। মোটকথা শিশু যেন শীতের পোশাক পরে আরাম পায় সেদিকটায় নজর দিতে হবে বেশি।

শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে আসতে পারেন যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, ঢাকা নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, পলওয়েল মার্কেট, গাজী ভবন। এছাড়া বিভিন্ন শপিংমলে শিশুদের শীতের পোশাক কিনতে পারবেন।