ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি বছরেই প্রতি উপজেলা হাসপাতালে স্থাপন হবে ক্যাথ ল্যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার ১ বছরে খাওয়া-দাওয়ার খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী নাটোরে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে

শীতে শিশুদের জ্বর-সর্দিকাশি থেকে যেভাবে দূরে রাখবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

শীতের সময় বয়স্কদের পাশাপাশি বাড়ির ছোটদেরও প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। এ সময় সামধান সাবধানতা অবলম্বন না করলেই জ্বর-সর্দিকাশির মত নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা। তাই শীতে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে যেসব উপায় অবলম্বন করতে হবে।

ভোরের সময় বেশি শীত অনুভূত হয়। তাই সে সময় ফ্যানের স্পিড কম করে ছোটদের গায়ে ও গলায় অবশ্যই হালকা চাদর চাপা দিয়ে দিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চা যেন ঘেমে না যায়। পরে ঘাম থেকে আবার ঠান্ডা লাগতে পারে। ভোরের সময় ঘরের জানালা বন্ধ করে রাখুন। রোদ উঠলে খুলেন।

এই সময় শীতের শাকসবজি যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম জাতীয় সবজির তরকারি প্রত্যেকের বাড়িতেই তৈরি করা। তবে এ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের রাতের খাবারে এ ধরনের সবজি এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষত সাত বছরের নিচে যাদের বয়স। অনেক সময় এই ধরনের সবজি খেয়ে পেটগরম, বদহজম হতে পারে।

এই সময় বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। এসময় ভালো ব্র্যান্ডের বেবি অয়েল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাঁচ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের ত্বকে কোনওকিছু ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ছোটদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য রোজ ভিটামিন সি যুক্ত ফল-যেমন, কমলালেবু, পাতিলেবু, আমলকী খাওয়ান। ছোটখাটো সর্দি-কাশির মতো সমস্যা এতে প্রতিরোধ হবে।

ঠান্ডা লেগে জ্বর এলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনও ওষুধ খাওয়াবেন না। দু-দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরে মুখে অরুচি হলে বাচ্চা যা খেতে চায় তাই দিন, তবে তেল-ঝাল-মশলা বেশি পরিমাণে খাওয়াবেন না। মুখরোচক কিছু খেতে চাইলে বাড়িতে বানিয়ে দিন। যেমন, স্টাফড পরোটা, এগরোল, স্যান্ডউইচ, চিঁড়ের পোলাও বাচ্চাকে দেওয়া যেতে পারে।

সর্দি-কাশি-গলা ব্যথা হলে বাচ্চাকে স্কুলে না পাঠানোই ভালো। এর থেকে অন্য বাচ্চাদের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, কিছুই খেতে পারছি না, চুলাও জ্বলছে না’

শীতে শিশুদের জ্বর-সর্দিকাশি থেকে যেভাবে দূরে রাখবেন

আপডেট সময় ১১:৩৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

শীতের সময় বয়স্কদের পাশাপাশি বাড়ির ছোটদেরও প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। এ সময় সামধান সাবধানতা অবলম্বন না করলেই জ্বর-সর্দিকাশির মত নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা। তাই শীতে আপনার শিশুকে সুস্থ রাখতে যেসব উপায় অবলম্বন করতে হবে।

ভোরের সময় বেশি শীত অনুভূত হয়। তাই সে সময় ফ্যানের স্পিড কম করে ছোটদের গায়ে ও গলায় অবশ্যই হালকা চাদর চাপা দিয়ে দিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চা যেন ঘেমে না যায়। পরে ঘাম থেকে আবার ঠান্ডা লাগতে পারে। ভোরের সময় ঘরের জানালা বন্ধ করে রাখুন। রোদ উঠলে খুলেন।

এই সময় শীতের শাকসবজি যেমন- বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম জাতীয় সবজির তরকারি প্রত্যেকের বাড়িতেই তৈরি করা। তবে এ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের রাতের খাবারে এ ধরনের সবজি এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষত সাত বছরের নিচে যাদের বয়স। অনেক সময় এই ধরনের সবজি খেয়ে পেটগরম, বদহজম হতে পারে।

এই সময় বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। এসময় ভালো ব্র্যান্ডের বেবি অয়েল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাঁচ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের ত্বকে কোনওকিছু ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ছোটদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য রোজ ভিটামিন সি যুক্ত ফল-যেমন, কমলালেবু, পাতিলেবু, আমলকী খাওয়ান। ছোটখাটো সর্দি-কাশির মতো সমস্যা এতে প্রতিরোধ হবে।

ঠান্ডা লেগে জ্বর এলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনও ওষুধ খাওয়াবেন না। দু-দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বরে মুখে অরুচি হলে বাচ্চা যা খেতে চায় তাই দিন, তবে তেল-ঝাল-মশলা বেশি পরিমাণে খাওয়াবেন না। মুখরোচক কিছু খেতে চাইলে বাড়িতে বানিয়ে দিন। যেমন, স্টাফড পরোটা, এগরোল, স্যান্ডউইচ, চিঁড়ের পোলাও বাচ্চাকে দেওয়া যেতে পারে।

সর্দি-কাশি-গলা ব্যথা হলে বাচ্চাকে স্কুলে না পাঠানোই ভালো। এর থেকে অন্য বাচ্চাদের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।