ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোট জনসংখ্যার ৬ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী: সমাজকল্যাণমন্ত্রী চকবাজারে খাজা মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল ৫ আগস্টের অর্জন একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চট্টগ্রামকে প্রধান লজিস্টিক হাব গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনকে কটাক্ষ:অভিনেত্রী শাওন, মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বিতর্কিত কাজের সমালোচনায় মহীউদ্দীন আলমগীর, জরিপে এগিয়ে গোলাম হোসেন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফার্মার্স ব্যাংকে অস্থিরতা তৈরির নায়ক সাবেক মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার ও দলকে বিব্রত করা এই নেতাকে গ্রহণ করতে নারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ। তারা বলছেন, ব্যাংক কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির দায়ে ছেলের সাজা, বিভিন্ন সময়ে বেফাঁস মন্তব্য করা এমন প্রার্থীকে নিয়ে মাঠে নামাও বিব্রতকর। তাই ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব গোলাম হোসেনেই আস্থা রাখতে চান চাঁদপুর-১ আসনের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

চাকরিতে থাকা অবস্থায়ই এলাকার উন্নয়নে গোলাম হোসেনের নানা অবদানের বিষয়টিকে ভোট পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবেও দেখছেন তারা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া উপজেলা) আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মো. গোলাম হোসেনও পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। কৌশলগত কারণে এ আসনে আপাতত দুজনকে মনোনয়ন দিলেও খুব শিগগিরই দলের একক প্রার্থী নিশ্চিত করবে দলটি।

কচুয়ার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘আলমগীর সাহেবকে নিয়ে মাঠে নামলে মানুষের কথা শুনতে হবে। শুধু ব্যাংক নয়, সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর ওই দুর্ঘটনা নিয়ে অপ্রত্যাশিত মন্তব্যের কারণে সে সময় দলকে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পদত্যাগকারী প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গেও মহীউদ্দীন খান আলমগীরের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।’ অন্যদিকে, চাকরিতে থাকা অবস্থায় এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নিজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে বেশ জনপ্রিয় গোলাম হোসেন। মহিলা কলেজ, হাসপাতালসহ বেশ কিছু সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি।

নিয়মিত দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন সরকারী চকরিতে ছিলেন। এনবিআরের চেয়ারম্যন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। আওয়ামী লীগ ছাড়াও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে গোলাম হোসেনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তারা বলেন, তৃণমূল ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোলাম হোসেনকেই মনোনয়ন দেবেন বলেই মনে হয়। গোলাম হোসেন নির্বাচন করলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মোট জনসংখ্যার ৬ শতাংশ মানুষ প্রতিবন্ধী: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বিতর্কিত কাজের সমালোচনায় মহীউদ্দীন আলমগীর, জরিপে এগিয়ে গোলাম হোসেন

আপডেট সময় ১০:২২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফার্মার্স ব্যাংকে অস্থিরতা তৈরির নায়ক সাবেক মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের মাধ্যমে সরকার ও দলকে বিব্রত করা এই নেতাকে গ্রহণ করতে নারাজ স্থানীয় আওয়ামী লীগ। তারা বলছেন, ব্যাংক কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির দায়ে ছেলের সাজা, বিভিন্ন সময়ে বেফাঁস মন্তব্য করা এমন প্রার্থীকে নিয়ে মাঠে নামাও বিব্রতকর। তাই ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব গোলাম হোসেনেই আস্থা রাখতে চান চাঁদপুর-১ আসনের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

চাকরিতে থাকা অবস্থায়ই এলাকার উন্নয়নে গোলাম হোসেনের নানা অবদানের বিষয়টিকে ভোট পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবেও দেখছেন তারা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া উপজেলা) আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মো. গোলাম হোসেনও পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। কৌশলগত কারণে এ আসনে আপাতত দুজনকে মনোনয়ন দিলেও খুব শিগগিরই দলের একক প্রার্থী নিশ্চিত করবে দলটি।

কচুয়ার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘আলমগীর সাহেবকে নিয়ে মাঠে নামলে মানুষের কথা শুনতে হবে। শুধু ব্যাংক নয়, সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর ওই দুর্ঘটনা নিয়ে অপ্রত্যাশিত মন্তব্যের কারণে সে সময় দলকে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পদত্যাগকারী প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গেও মহীউদ্দীন খান আলমগীরের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।’ অন্যদিকে, চাকরিতে থাকা অবস্থায় এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নিজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে বেশ জনপ্রিয় গোলাম হোসেন। মহিলা কলেজ, হাসপাতালসহ বেশ কিছু সামাজিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি।

নিয়মিত দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন সরকারী চকরিতে ছিলেন। এনবিআরের চেয়ারম্যন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। আওয়ামী লীগ ছাড়াও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে গোলাম হোসেনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তারা বলেন, তৃণমূল ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোলাম হোসেনকেই মনোনয়ন দেবেন বলেই মনে হয়। গোলাম হোসেন নির্বাচন করলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।